Somoy News BD

২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান মেনে চলার পরিণতি দুনিয়ার জীবনে দুর্ভোগ ও অশান্তি এবং আখিরাতে নিশ্চিত ঠিকানা জাহান্নাম – আমীর, ইসলামী সমাজ।

মঞ্জুর:

ইসলামী সমাজের উদ্যোগে ২৩ আগস্ট ২০২৫ইং, শনিবার, রাজধানীর পোস্তগোলা পিকআপ স্ট্যান্ডে “ইসলাম ও মানবতা বিরোধী সকল ব্যবস্থার মূলোৎপাটন এবং বৈষম্যমুক্ত ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে” ‘আলকুরআন বিরোধী সংবিধান মূলোৎপাটন সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন- গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান মেনে চলার পরিণতি দুনিয়ার জীবনে দুর্ভোগ ও অশান্তি এবং আখিরাতে নিশ্চিত ঠিকানা জাহান্নাম। তিনি বলেন, গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা’ই দুনিয়ায় অকল্যাণ, অশান্তি এবং আখিরাতে জাহান্নামে যাওয়ার পথ। গণতন্ত্রের মাধ্যমে আল্লাহর পরিবর্তে জনগণকে ক্ষমতার মালিক, এমপিদেরকে আইন-বিধানদাতা ও মন্ত্রীদেরকে শাসনকর্তা মেনে নেয়া হয়, যা স্পষ্ট কুফর এবং শির্ক। কুফর এবং শির্ক করার কারণে দেশ ও জাতির মানুষ ভয়াবহ আযাব-গজবের শিকার হয়ে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে চলছে। ‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর দায়িত্বশীল, জনাব মোঃ সোহেল সাহেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত “আলকুরান বিরোধী সংবিধান মূলোৎপাটন সমাবেশে সংগঠনের আমীর সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, দুনিয়ার জীবনে কল্যাণ, শান্তি এবং আখিরাতে জাহান্নাম থেকে রক্ষা পেয়ে জান্নাত লাভ করতে হলে আলকুরআন বিরোধী সংবিধান পরিত্যাগ করে পবিত্র আলকুরআনকে সংবিধান গ্রহণ করে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে সমাজ ও রাষ্ট্রে আলকুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকতে হবে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের ইচ্ছা ও বিশেষ সাহায্যে সমাজ ও রাষ্ট্রে আলকুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠিত হলেই মানুষের জীবনে সুশাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। সকলের সকল ন্যায্য অধিকার আদায় ও সংরক্ষণ হবে, সকল ধর্মের লোকেরা শান্তিপূর্ণভাবে যার যার ধর্ম পালন করতে পারবে এবং দুর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত ইনসাফ ভিত্তিক কল্যাণকর সমাজ ও রাষ্ট্র গঠিত হবে। তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রের অধীনে জোট, ভোট ও নির্বাচন করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গিয়ে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখা এটা শয়তানের ধোকা ছাড়া আর কিছুই নয়। আবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যাওয়ার আগে সশস্ত্র লড়াই করে ইসলাম প্রতিষ্ঠা চেষ্টা করাও আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা:) এর প্রদর্শিত পদ্ধতি নয়। ঈমান ও ইসলামের দাওয়াতের মাধ্যমে দাওয়াত কবুলকারীদের নিয়ে আমীরের নেতৃত্বে জাহিলি সমাজের বিপরীতে ‘ইসলামী সমাজ’ গঠন আন্দোলন’ই সমাজ ও রাষ্ট্রে আলকুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত একমাত্র পদ্ধতি। ‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর সহকারী দায়িত্বশীল, জনাব আবু জাফর মোহাম্মাদ সালেহ্’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন- ‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-২ এর দায়িত্বশীল জনাব মুহাম্মাদ ইয়াছিন, ময়মনসিংহ বিভাগের দায়িত্বশীল সোলায়মান কবীর, চট্টগ্রাম বিভাগীয় অঞ্চল-১ এর দায়িত্বশীল মোঃ আজমুল হক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় অঞ্চল-২ এর দায়িত্বশীল জনাব আমির হোসাইন, খুলনা বিভাগীয় অঞ্চল-২ এর দায়িত্বশীল আসাদুজ্জামান বুলবুল প্রমুখ।

Related Articles

জেদ্দার ফ্যাশন ও টেক্সটাইল এক্সপোয় বাংলাদেশের ১১ প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সৌদি আরবের জেদ্দায় চার দিনব্যাপী চতুর্থ ‘সৌদি ফ্যাশন অ্যান্ড টেক্স এক্সপো ২০২৬’ শুরু হয়েছে। জেদ্দা ইন্টারন্যাশনাল এক্সিবিশন অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এ মেলায়

আরও পড়ুন

শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদের ৯ দফা দাবি সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডসহ ৯ দফা দাবি, ১ অক্টোবর স্মারকলিপি

মঞ্জুরঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে উন্নীত করা, প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেডের জটিলতা নিরসন এবং বদলি নীতিমালা সহজ করাসহ

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ–ইউনান সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, বাণিজ্য ছাড়িয়েছে ১৩০ কোটি ইউয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ চীনের ইউনান প্রদেশের সঙ্গে শিক্ষা, সংস্কৃতি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। আজ ইউনান প্রাদেশিক পররাষ্ট্রবিষয়ক দপ্তরের (ইউনান

আরও পড়ুন

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগাতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[২] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[৩][৪] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman