Somoy News BD

২৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , সোমবার
ব্রেকিং নিউজ

তারুণ্যের অধিকার প্রতিষ্ঠার সমাবেশ সফল করতে মানিকগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রস্তুতি সভা

স্টাফ রিপোর্টার- আসন্ন ঢাকা বিভাগীয় তারুন্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সমাবেশ’কে সফল করতে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল মানিকগঞ্জ জেলার প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জ শহরের একটি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এস এম জিলানী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ উল্যাহ চৌধুরী ফয়সাল, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহসম্পাদক গোলাম রহমান রাজিব। এছাড়াও স্বেচ্ছাসেবক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় বক্তারা আগামী ২৮ মে তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সমাবেশ’কে সফল করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান। শান্তিপূর্ণ সমাবেশ পালনের লক্ষে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেন।

চব্বিশের গণঅভ্যুথ্যান/ছাত্র আন্দোলনে বিএনপির ভুমিকা তুলে ধরে বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী বলেন “এখনি সময় তারুণ্যের স্পিরিট কে সামনে রেখে দেশকে এগিয়ে নেয়ার, আর সেই তারুন্যের নেতৃত্ব দেবেন দেশনায়ক তারেক রহমান।

তিনি বলেন, “আগামী ২৮ জুলাইয়ের সমাবেশে লক্ষ লক্ষ যুবসমাজের কন্ঠস্বরে ধ্বনিত হবে অবিলম্বে নির্বাচন দিতে হবে এবং সেই আওয়াজ নয়াপল্টন থেকে যমুনায় গিয়ে পড়বে। আমি বিস্বাস করি,২৮ তারিখের সমাবেশের মাধ্যমে আমরা সতর্ক করে দিতে চাই, এখনো যদি শুভ বুদ্ধির উদয় না হয়, বৃহত্তর কর্মসূচী ঘোষনা হবে এবং সেই কর্মসূচীর মাধ্যমে আমরা এই সরকারকে বাধ্য করব ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে। যার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা পাবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ উল্যাহ চৌধুরী ফয়সাল উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য বলেন, আপনারা জানেন দেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি দেশ বিরোধী চক্র সক্রিয় রয়েছে। আগামী ২৮ মে’র সমাবেশের মাধ্যমে আমরা সকল ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করতে পারব।

উল্লেখ্য, আগামী ২৮ মে ঢাকায় বিভাগীয় তারুণ্যের সমাবেশ’ করবে বিএনপির তিন সংগঠ জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল।

ইতিমধ্যে তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সমাবেশ’ সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। লাখো তরুণের উপস্থিতিতে তারুণ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে

Related Articles

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জোরদারে ‘সিটা’ প্রকল্পের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃপরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি এমপি বলেছেন, স্ট্রেনদেনিং ইনস্টিটিউশনস ফর ট্রান্সপারেন্সি অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটি (সিটা) প্রকল্প সরকারের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং জনসেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে

আরও পড়ুন

বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ক্ষুদ্র-নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ৪ সদস্য গ্রেফতার :

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ (উত্তর) কার্যালয়ের একটি টিম ঢাকা মহানগরীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে ক্ষুদ্র-নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে ৮০০০ (আট হাজার) পিস অ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক

আরও পড়ুন

জুলাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস- এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের তৃণমূল পর্যায়ের ক্রীড়াঙ্গনে জোয়ার তুলতে আগামী ১লা জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম। যুব ও

আরও পড়ুন

নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ ঢাকায় ওসমানী

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman