Somoy News BD

৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগেই মিলবে টেকসই সমাধান: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
দূষণ নিয়ন্ত্রণ, কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগই টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি ও অন্যান্য দূষণরোধে আয়োজিত মন্ত্রী পর্যায়ের মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম অংশ নেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, পরিবেশ দূষণ বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। নগরায়ন, অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নদী ও জলাশয়ে বর্জ্য নিক্ষেপ এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ও পলিথিনের ব্যবহার পরিবেশের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ সৃষ্টি করছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ নয়, বরং সমন্বিত ও পরিকল্পিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, পরিবেশ রক্ষায় শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব আচরণ গড়ে তোলাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ক্ষতিকর পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার কমানো এবং বিকল্প পরিবেশবান্ধব উপকরণের ব্যবহার বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

সভায় সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী পরিবেশ সংরক্ষণে তাঁর মন্ত্রণালয়ের গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ ও চলমান কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, পরিবেশ রক্ষায় সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্ব দিতে হবে।

মতবিনিময় সভায় পানি দূষণ, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ, নদ-নদী সংরক্ষণ এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পলিথিনের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ আব্দুস সালাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোঃ শহিদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরী, এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, দুই সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সভায় বক্তারা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, পানি ও পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় আরো শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

Related Articles

কোরিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে বাংলাদেশের ৮৪২৮ পণ্য

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (Comprehensive Economic Partnership Agreement-CEPA) নিয়ে নেগোসিয়েশন আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ এক বছরের আলোচনার পর

আরও পড়ুন

প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানেই উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবিকা নিশ্চিত হবে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা সুরক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির অন্যতম কার্যকর ও টেকসই উপায় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ

আরও পড়ুন

সারাদেশে নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিতে সকলের এগিয়ে আসার আহ্বান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১১ টায় বাংলাদেশ পর্যটন ভবনে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ক্রত্রিক প্রস্তাবিত মানিকগঞ্জ জেলা ভিত্তিক পর্যটন সার্কিট গঠন উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা শীর্ষক প্রস্তাবিত

আরও পড়ুন

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গঠনে কাজ করার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সারদা (রাজশাহী)ঃ সেবার মানসিকতা নিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গঠনে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ দুপুরে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman