Somoy News BD

১৪ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে উৎস পর্যায় থেকেই কীটনাশকের মান নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে উৎস পর্যায় থেকেই কীটনাশকের মান নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে হবে।
মন্ত্রী আজ রাজধানীর ফার্মেগেটস্থ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মোঃ আবদুছ ছালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম সোহেল ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মাহমুদুর রহমান।
মন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হলে শুধু কৃষকদের সচেতন করলেই হবে না; কীটনাশক আমদানি, নিবন্ধন, মান যাচাই এবং ল্যান্ডিং পয়েন্ট থেকেই কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর করতে হবে। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনই আগামী দিনের কৃষির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরির অন্যতম শর্ত।
কৃষি মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে বিশ্বে খাদ্যের পরিমাণের চেয়ে নিরাপদ ও গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্যের চাহিদা বেশি। বাংলাদেশের উর্বর মাটি, অনুকূল জলবায়ু পর্যাপ্ত সূর্যালোক ও বৃষ্টিপাতকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, অনেক ক্ষেত্রে ফসল সংগ্রহের অল্প সময় আগে কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়, ফলে খাদ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিকের অবশিষ্টাংশ থেকে যায়। এ পরিস্থিতিতে শুধু কৃষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়; বরং কীটনাশকের মান নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা উৎস থেকেই নিশ্চিত করতে হবে।
কৃষি পণ্যের সম্ভাবনা নিয়ে আলোকপাত করতে গিয়ে আমিন উর রশিদ বলেন, বাংলাদেশে আম রপ্তানির জন্য আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত প্যাকিং ব্যবস্থা চালু ইতোমধ্যে ইতিবাচক ফল দিচ্ছে। একইভাবে কাঁঠাল, মাংসসহ অন্যান্য কৃষিপণ্যেরও আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রপ্তানি বাড়াতে হলে উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ এবং সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপে আন্তর্জাতিক মান ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
কৃষি মন্ত্রী বলেন, কৃষি গবেষক, বিজ্ঞানী, সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এবং মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। গবেষণালব্ধ প্রযুক্তি দ্রুত কৃষকের কাছে পৌঁছে দিয়ে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

Related Articles

নারী বিষয়ক নবম ওআইসি মিনিস্ট্রিয়াল সম্মেলনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী’র নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের যোগদান

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আয়োজিত ১২-১৩ জুলাই দু’দিনব্যাপী নারী বিষয়ক নবম ওআইসি মিনিস্ট্রিয়াল সম্মেলনে বাংলাদেশের মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু

আরও পড়ুন

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর মওকুফের অর্থ শিক্ষার গুণগত মান ও গবেষণায় ব্যবহারের আহ্বান জানান অর্থ মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ​বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর মওকুফের অর্থ শিক্ষার গুণগত মান ও গবেষণায় ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ​তিনি বলেন সরকারি নিয়ন্ত্রণের

আরও পড়ুন

শুধু পাঠ্যবই নয়; নতুন শিক্ষাব্যবস্থায় আসছে শিক্ষক গাইড, ওয়ার্কবুক, রেমিডিয়াল গাইড ও ভিডিও লেসন: ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের দক্ষ, সৃজনশীল ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার একটি সমন্বিত ও আধুনিক

আরও পড়ুন

নজরুল বর্ষের কর্মসূচি জনমুখী করার প্রত্যয়: শিল্পকলা একাডেমিতে জমকালো ‘শিল্পী সম্মেলন’ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় জীবন ও বাংলা সাহিত্যে সাম্যের কবি, দ্রোহের কবি, আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অসামান্য অবদানকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দিতে এবং

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman