Somoy News BD

১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , সোমবার
ব্রেকিং নিউজ

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে শাহবাগস্থ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আজ বুধবার সকাল ৬টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জনাব আহমেদ আযম খান এমপি এবং প্রতিমন্ত্রী জনাব ইশরাক হোসেন এমপি।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিজয় অর্জনের পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত দেশে গণহত্যা ও দমন-পীড়ন অব্যাহত ছিল। ছাত্র-জনতা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সর্বস্তরের জনগণের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সেই দুঃসময়ের অবসান ঘটে এবং দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়।
তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদ ও আহত যোদ্ধার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিম আকরাম, টাঙ্গাইলের মারুফসহ আত্মত্যাগকারী ও আহতদের স্মরণ করেন। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা সংরক্ষণ, শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের অবদান প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দেওয়া এবং দেশ-বিদেশে এ ইতিহাস তুলে ধরার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জুলাই অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করেছে। এ অধিদপ্তরের উদ্যোগে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় রাজধানীসহ দেশের সকল জেলায় দিনব্যাপী কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকার এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও উন্নয়নের নতুন যাত্রা শুরু করেছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের অঙ্গীকার। একই সঙ্গে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গণঅভ্যুত্থানের যে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে, তা অটুট রাখা সময়ের দাবি। জাতীয় স্বার্থ, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের স্বার্থে সকল রাজনৈতিক শক্তিকে বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব মো. আশরাফুল ইসলাম, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, ঢাকা বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিগণ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বীর জুলাই যোদ্ধা, স্কাউট সদস্য এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলেই সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল সমস্যার সমাধান হবে —আমীর, ইসলামী সমাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা ইসলামবিরোধী মতবাদ তথা জাহিলিয়্যাত। মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে প্রণীত সকল

আরও পড়ুন

বিলকিস বেগমের সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর: শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় স্বামী হত্যার বিচার দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং বাড়িঘরছাড়া করার প্রতিবাদে

আরও পড়ুন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন— পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের

আরও পড়ুন

কোরিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে বাংলাদেশের ৮৪২৮ পণ্য

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (Comprehensive Economic Partnership Agreement-CEPA) নিয়ে নেগোসিয়েশন আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ এক বছরের আলোচনার পর

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman