Somoy News BD

১লা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

রপ্তানি বাণিজ্যে বৈচিত্র্য আনতে তৈরি পোশাক শিল্পের মতো অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতেও সমপর্যায়ের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে ——- অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
অর্থ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো বেসরকারি খাতের বিকাশের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। রপ্তানি বাণিজ্যে বৈচিত্র্য আনতে তৈরি পোশাক শিল্পের মতো অন্যান্য সম্ভাবনাময় যেমন: স্বর্ণ ও হীরা শিল্প খাতকেও তৈরি পোশাক শিল্পের সমপর্যায়ের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে।

​আজ রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাও হোটেলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও এফবিসিসিআই এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পরামর্শ কমিটির ৪৬ তম সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

​মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাত দারুণ সফল হলেও স্বর্ণ বা হীরা শিল্পের মতো অন্যান্য খাতগুলো পিছিয়ে রয়েছে। এখন থেকে যেকোনো সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত যদি প্রস্তাব দেয়, তবে তাদের গার্মেন্টস শিল্পের সমান সুবিধা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “চুরির ভয়ে আমরা খাতগুলো আটকে রাখব না; চুরির সমাধান আলাদাভাবে হবে, কিন্তু ব্যবসার সুযোগ উন্মুক্ত থাকবে।”

​মন্ত্রী বন্দরগুলোতে অহেতুক ব্যয় বৃদ্ধি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। কোথায় কোথায় ব্যবসায়ীরা বাধার সম্মুখীন হচ্ছে তা জানানোর আহবান জানান এবং দ্রুত সমাধান করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন ।

তিনি বলেন, দেশের বর্তমান ভঙ্গুর অর্থনীতি সংস্কারে সময়ের প্রয়োজন। দারিদ্র্য বিমোচন ও বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে এবার একটি বড় ও কোয়ালিটি বাজেটের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের ডিমান্ড ক্রিয়েট করবে।

তিনি জানান, রাজস্ব আদায় বাড়াতে ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড এবং পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে করদাতা ও কর্মকর্তাদের মধ্যে সরাসরি সংযোগ কমানো হবে, যা দুর্নীতি হ্রাস করবে। ক্যাবিনেটে ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত ডিজিটাল প্রজেক্ট পাস হয়েছে।

কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে ব্যবসায়ী সংগঠন ও চেম্বারগুলোকে সহায়তা করার অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যারা এখনো কর জালের বাইরে থেকে অসম প্রতিযোগিতা তৈরি করছে, তাদের করের আওতায় আনতে ব্যবসায়ীদের সহায়তা চান। ​তিনি ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করেন বলেন, পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি নয়, বরং ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অফ ইকোনমি’ বা অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণে বিশ্বাসী বর্তমান সরকার যেখানে সকল ব্যবসায়ী সমান সুযোগ পাবেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির  এবং সভাপতিত্ব করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান এফসিএমএ।

Related Articles

শিশুদের সুস্বাস্থ্যে মায়ের দুধের বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শিশুদের সুস্বাস্থ্যের জন্য মায়ের বুকের দুধের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ শনিবার (১

আরও পড়ুন

ওয়ার্ল্ড মিডিয়া পারফরমেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬

মোঃ জহিরুল ইসলাম সিনিয়র রিপোর্টার যারা অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন সমাজসেবা মোঃ বাবুল হোসেন বাবু রেমিটেন্স যোদ্ধা নুর আহমদ জুয়েল চিকিৎসা সেবা ডাঃ ফারজানা খানম তরুণ উদ্যোক্তা

আরও পড়ুন

হোটেলে অনৈতিক ব্যবসায়ী থেকে স্প্যা ব্যবসায়ী নুর ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃনুর ইসলাম আজ থেকে ১৫ বছর আগে আবাসিক হোটেলে চাকুরি করত। তখন নুর ইসলাম পতিতা ব্যবসায়ীর সাথে জড়িত ছিল। বর্তমান তিনি স্প্যা ব্যবসায়ীর গডফাদার।

আরও পড়ুন

ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার – প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণাই সকল সম্প্রীতির ভিত্তিভূমি তথ্যমন্ত্রী

বরিশাল, ১৬ শ্রাবণ (প্রতিনিধি): তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার – মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণা বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি,

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman