Somoy News BD

৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

রপ্তানি বাণিজ্যে বৈচিত্র্য আনতে তৈরি পোশাক শিল্পের মতো অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতেও সমপর্যায়ের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে ——- অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
অর্থ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো বেসরকারি খাতের বিকাশের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। রপ্তানি বাণিজ্যে বৈচিত্র্য আনতে তৈরি পোশাক শিল্পের মতো অন্যান্য সম্ভাবনাময় যেমন: স্বর্ণ ও হীরা শিল্প খাতকেও তৈরি পোশাক শিল্পের সমপর্যায়ের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে।

​আজ রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাও হোটেলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও এফবিসিসিআই এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পরামর্শ কমিটির ৪৬ তম সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

​মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাত দারুণ সফল হলেও স্বর্ণ বা হীরা শিল্পের মতো অন্যান্য খাতগুলো পিছিয়ে রয়েছে। এখন থেকে যেকোনো সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত যদি প্রস্তাব দেয়, তবে তাদের গার্মেন্টস শিল্পের সমান সুবিধা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “চুরির ভয়ে আমরা খাতগুলো আটকে রাখব না; চুরির সমাধান আলাদাভাবে হবে, কিন্তু ব্যবসার সুযোগ উন্মুক্ত থাকবে।”

​মন্ত্রী বন্দরগুলোতে অহেতুক ব্যয় বৃদ্ধি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। কোথায় কোথায় ব্যবসায়ীরা বাধার সম্মুখীন হচ্ছে তা জানানোর আহবান জানান এবং দ্রুত সমাধান করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন ।

তিনি বলেন, দেশের বর্তমান ভঙ্গুর অর্থনীতি সংস্কারে সময়ের প্রয়োজন। দারিদ্র্য বিমোচন ও বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে এবার একটি বড় ও কোয়ালিটি বাজেটের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের ডিমান্ড ক্রিয়েট করবে।

তিনি জানান, রাজস্ব আদায় বাড়াতে ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড এবং পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে করদাতা ও কর্মকর্তাদের মধ্যে সরাসরি সংযোগ কমানো হবে, যা দুর্নীতি হ্রাস করবে। ক্যাবিনেটে ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত ডিজিটাল প্রজেক্ট পাস হয়েছে।

কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে ব্যবসায়ী সংগঠন ও চেম্বারগুলোকে সহায়তা করার অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যারা এখনো কর জালের বাইরে থেকে অসম প্রতিযোগিতা তৈরি করছে, তাদের করের আওতায় আনতে ব্যবসায়ীদের সহায়তা চান। ​তিনি ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করেন বলেন, পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি নয়, বরং ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অফ ইকোনমি’ বা অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণে বিশ্বাসী বর্তমান সরকার যেখানে সকল ব্যবসায়ী সমান সুযোগ পাবেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির  এবং সভাপতিত্ব করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান এফসিএমএ।

Related Articles

আরএমটিপি প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৭ লাখ পরিবারের আয় ও জীবিকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই ভিত্তি প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে পিকেএসএফ-এর রুরাল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্ট (আরএমটিপি)। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধি, খাদ্য ও পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং

আরও পড়ুন

শ্রম আইন বাস্তবায়নের উপর বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য অনেকাংশে নির্ভরশীল– মার্কিন রাষ্ট্রদূত

নিজস্ব প্রতিবেদঃ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন আজ সকালে সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট

আরও পড়ুন

এলজিআরডি মন্ত্রীর সঙ্গে বেলারুশের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে আজ ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত বেলারুশের অনাবাসিক

আরও পড়ুন

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সাথে ইউনেস্কো প্রতিনিধির নেতৃত্বে জাতিসংঘের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক-এর সাথে আজ সচিবালয়স্থ তাঁর অফিস কক্ষে ইউনেস্কো (UNESCO) বাংলাদেশ প্রতিনিধি প্রধান সুজান ভাইজ (Susan Vize)

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman