Somoy News BD

১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , সোমবার
ব্রেকিং নিউজ

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন— পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, খাল খনন কর্মসূচি এবং ব্যাপক বৃক্ষরোপণ অভিযানের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে শিখিয়েছিলেন কিভাবে প্রকৃতিকে ভালোবেসে স্বনির্ভর দেশ গড়ে তোলা যায়।

আজ (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর উত্তরার নওয়াব হাবিবউল্লাহ স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে ঢাকা-১৮ আসনে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে গাজীপুরের শালনায় নিজ হাতে মেহগনির চারা রোপণ করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযানকে জনগণের দ্বারে দ্বারে পৌছে দিয়েছিলেন। তিনিই ১৯৯৪ সালে জাতীয় বৃক্ষমেলার সূচনা করেন।

প্রতিটি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, তরুণ এবং যুব সংগঠনকে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও নিয়মিত পরিচর্যার আহ্বান জানান তিনি। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে ২০৩৫ সালের মধ্যে দেশের বৃক্ষাচ্ছাদন ২৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারিত সময়ের আগেই অর্জন করা সম্ভব হবে বলে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেন, একটি গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না; এটি আমাদের পরিবেশ রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি প্রতিটি চারার যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের বিষয়ে সকলকে গুরুত্ব দিতে আহবান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, এমপি বলেন, আমরা যদি গাছ টিকিয়ে রাখতে না পারি, তবে আমাদের জীবনও হুমকীর মুখে পড়ে যাবে। তাই ঢাকা-১৮ আসনের মাঠে ঘাটে, আনাচে কানাচে বৃক্ষরোপণ করা হবে বলে ঘোষনা দেন তিনি।

উদ্বোধন শেষে অতিথিবৃন্দ বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন এবং মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। কর্মসূচির আওতায় ঢাকা-১৮ আসনের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সড়ক, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও উন্মুক্ত স্থানে পর্যায়ক্রমে বৃক্ষরোপণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধি, বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

Related Articles

ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলেই সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল সমস্যার সমাধান হবে —আমীর, ইসলামী সমাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা ইসলামবিরোধী মতবাদ তথা জাহিলিয়্যাত। মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে প্রণীত সকল

আরও পড়ুন

বিলকিস বেগমের সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর: শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় স্বামী হত্যার বিচার দাবি, আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং বাড়িঘরছাড়া করার প্রতিবাদে

আরও পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে শাহবাগস্থ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আজ বুধবার সকাল ৬টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদদের

আরও পড়ুন

কোরিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে বাংলাদেশের ৮৪২৮ পণ্য

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (Comprehensive Economic Partnership Agreement-CEPA) নিয়ে নেগোসিয়েশন আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ এক বছরের আলোচনার পর

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman