Somoy News BD

ব্রেকিং নিউজ

Category: ঢাকা বিভাগ

অপরাধ ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ডিএমপির জিরো টলারেন্স নীতি থাকবে: ’মিট দ্যা প্রেস’ এ ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকাকে নিরাপদ ও সুন্দর নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে অপরাধ, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের “জিরো টলারেন্স” নীতি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন

Read More

মহানগরীতে চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, অনলাইন জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে: ভারপ্রাপ্ত ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মোঃ সরওয়ার, বিপিএম-সেবা বলেছেন, ঢাকা মহানগরী আমাদের সবার—এই শহরের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা, স্বস্তি ও শান্তিপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা

Read More

নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর উপলক্ষ্যে ডিএমপির নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্তে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আগামী ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশ সফরে আসছে নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল। আসন্ন বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ডিএমপির

Read More

প্রশংসায় ভাসছেন আশুলিয়া থানার ওসি মোঃ রুবেল হাওলাদার

মোঃ আল-শাহরিয়ার বাবুল খানঃ বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একজন সফল পুলিশ পরিদর্শক মোঃ রুবেল হাওলাদার।পেশাদারিত্ব আর মানব সেবাই যার একমাত্র ব্রত।পেশাগত দায়িত্ব পালন তিনি ঈর্ষণীয় সাফল্যের

Read More

বিশ্বব্যাপী সংঘাতময় পরিস্থিতি আল্লাহর গজবের ফল: ইসলামী সমাজের আমীর

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী সমাজের আমীর হযরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী চলমান সংঘাত, সংঘর্ষ ও অস্থিরতা মূলত আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আযাব-গজবেরই বহিঃপ্রকাশ। তিনি দাবি

Read More

সেলফির আড়ালে অস্বস্তির গল্প

মঞ্জুর: Selfie শব্দটি এসেছে ইংরেজি self (নিজে) শব্দ থেকে। এর অর্থ—নিজের তোলা নিজের ছবি, সাধারণত স্মার্টফোন বা ক্যামেরা সামনে ধরে তোলা। ধারণা করা হয় ২০০২ সালে অস্ট্রেলিয়ার একটি অনলাইন ফোরামে প্রথম “selfie” শব্দটি ব্যবহার করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তারের সাথে সাথে শব্দটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ২০১৩ সালে Oxford Dictionaries “Selfie” শব্দটিকে Word of the Year ঘোষণা করে এবং একই সময়ে শব্দটি Oxford English Dictionary-তেও আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়। স্মার্টফোন আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই সময়ে সেলফি তোলা যেন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের স্বাভাবিক অংশ হয়ে গেছে। কোথাও ঘুরতে গেলেই ছবি, কোনো অনুষ্ঠানে গেলেই ছবি, আবার পরিচিত বা গুরুত্বপূর্ণ কাউকে দেখলেই সেলফি—সবকিছু যেন এখন ক্যামেরাবন্দি করতেই হবে। অনেকের কাছে এটি আনন্দের বিষয়, আবার অনেকের কাছে স্মৃতি ধরে রাখার একটি উপায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই সেলফি সংস্কৃতি অনেক সময় অপ্রস্তুত ও বিব্রতকর পরিস্থিতিরও জন্ম দেয়। বিশেষ করে রাজনীতির মাঠে বিষয়টি এখন বেশ চোখে পড়ে। কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি, সভা বা কোনো নেতার উপস্থিতি মানেই অনেকের কাছে সেটি সেলফি তোলার সুযোগ। অনেক সময় দেখা যায়, একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা বা কর্মসূচির মাঝেই কেউ না কেউ এসে সেলফি তোলার অনুরোধ করছেন। একজন তুললে আরেকজন, তারপর আরেকজন—এভাবে বিষয়টি অনেক সময় একটা অস্বস্তিকর অবস্থার সৃষ্টি করে। ফলে মূল কর্মসূচির গুরুত্বও অনেক সময় কমে যায়। রাজনীতিবিদদের দিক থেকেও বিষয়টি সবসময় স্বস্তিকর নয়। অনেক নেতা বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি ভেতরে ভেতরে বিরক্তবোধ করলেও সেটি প্রকাশ করেন না। কারণ যারা সেলফি তুলতে আসে, তাদের বেশিরভাগই সমর্থক বা শুভাকাঙ্ক্ষী। তারা ভালোবাসা থেকেই এগিয়ে আসে। সরাসরি কিছু বললে তারা কষ্ট পেতে পারে বা ভুল বুঝতে পারে—এই ভাবনা থেকেই অনেক সময় নেতারা হাসিমুখে ছবি তুলতে বাধ্য হন, যদিও সেই মুহূর্তে হয়তো তারা ব্যস্ত বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজে মনোযোগ দিতে চান। আরেকটি বিষয় হলো, অনেকেই এই সেলফিকে পরে ভিন্নভাবে ব্যবহার করেন। একটি সাধারণ সৌজন্যমূলক ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমনভাবে প্রকাশ করা হয় যেন ওই ব্যক্তি নেতার খুব ঘনিষ্ঠ বা বিশেষ কেউ। কখনো কখনো সেই ছবিকে কেন্দ্র করে নিজের প্রভাব বা পরিচয় বাড়িয়ে দেখানোর চেষ্টা করা হয়। এতে অন্যদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। দুঃখজনক হলেও সত্য, কিছু মানুষ এই ছবিগুলো অসৎ উদ্দেশ্যেও ব্যবহার করে। কোথাও প্রভাব খাটানো, পরিচয় দেখিয়ে সুবিধা নেওয়া, কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠানে নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য নেতার সঙ্গে তোলা ছবি দেখানো—এমন ঘটনাও কম নয়। একটি সাধারণ সেলফি তখন হয়ে যায় ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার। এতে শুধু সেই ব্যক্তি নয়, অনেক সময় সংশ্লিষ্ট নেতার ভাবমূর্তিও অযথা জড়িয়ে যায়। শুধু রাজনীতির ক্ষেত্রেই নয়, সাধারণ সামাজিক জীবনেও একই প্রবণতা দেখা যায়। সময়-পরিস্থিতি না ভেবেই অনেকেই ছবি তুলতে চান। কেউ ব্যক্তিগত আলাপ করছেন, কেউ ব্যস্ত আছেন, কিংবা কোনো সংবেদনশীল পরিস্থিতি—এসব ক্ষেত্রেও অনেক সময় মানুষ সেলফির অনুরোধ করে বসেন। এতে অনেক সময় অপ্রস্তুত অবস্থা তৈরি হয়। আসলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেকে তুলে ধরার এক ধরনের প্রতিযোগিতা এখন তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করেন, পরিচিত বা প্রভাবশালী কারও সঙ্গে ছবি তুলতে পারলেই সেটি দ্রুত পোস্ট করতে হবে—যেন সেটিই নিজের গুরুত্বের প্রমাণ। এই মানসিকতা থেকেই অনেক সময় সেলফি বিষয়টি অতিরিক্ত হয়ে যায়। তবে এটাও সত্য, মানুষের ভালোবাসা বা শ্রদ্ধার প্রকাশ হিসেবে সেলফি অনেক সময় সুন্দর একটি স্মৃতি হয়ে থাকতে পারে। সমস্যা তখনই হয়, যখন সেটি মাত্রা ছাড়িয়ে যায় বা অন্যের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই প্রয়োজন একটু সচেতনতা। কোথায়, কখন এবং কীভাবে ছবি তোলা উচিত—এই বোধটি আমাদের সবার মধ্যেই থাকা দরকার। জনসমাগম বা রাজনৈতিক কর্মসূচিতে শালীনতা ও পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করা জরুরি। শেষ পর্যন্ত বলা যায়, সেলফি তোলা কোনো খারাপ বিষয় নয়। কিন্তু সেটি যেন অন্যের জন্য বিড়ম্বনার কারণ না হয় এবং কোনোভাবেই অপব্যবহারের হাতিয়ার না হয়ে ওঠে—সেই সচেতনতা আমাদের সবারই থাকা প্রয়োজন।

Read More

দেশবাসী সহ সকল শ্রেণি- পেশার মানুষকে অগ্রীম ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভূঁইয়া

আল-শাহরিয়ার বাবুল খানঃ দেশবাসী সহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে অগ্রীম পবিত্র ঈদ-উল- ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা জেলা সাভার ও আশুলিয়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অন্যতম সেরা তরুণ করদাতা

Read More

ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে; ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার

মোঃআক্তারুজ্জামান টিপুঃ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সরওয়ার, বিপিএম-সেবা আসন্ন ঈদে গৃহীত নিরাপত্তা পরিকল্পনা সম্পর্কে অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে

Read More

ইসলামী শরিয়তের বিধান এবং ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সারাবিশ্বে একই দিনে রোজা-ঈদ পালন করা সম্ভব নয়

মঞ্জুর: বাংলাদেশ হেলাল কমিটির উদ্যোগে চান্দ্রমাসের সঠিক তারিখ নির্ণয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও বিভ্রান্তি নিরসন বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলন শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় যে, বিগত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহার চাঁদ দেখা ও আমলের

Read More

আল-কুরআন সংবিধান দিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনার জন্যই রমযান মাসে আল-কুরআন নাযিল করা হয়েছে                                                                                               – আমীর, ইসলামী সমাজ

মঞ্জুর: শুক্রবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং, বিকাল ৩ ঘটিকায়, ‘ইসলামী সমাজ’ এর পল্টন অফিসে “কুরআন নাযিলের উদ্দেশ্য এবং তা বাস্তবায়নের উপায়” বিষয়ে মতিবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মতবিনিময় সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, পবিত্র রমজান মাসে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁরই সর্বশেষ নাবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা:) এর উপর পবিত্র আল-কুরআন নাযিলের কাজ শুরু করে ২৩ বছরে পুরো কুরআন নাযিল সু-সম্পন্ন করেন এবং আল-কুরআনের আইন-বিধানের ভিত্তিতে মদীনায় পরিপূর্ণ ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন। আল-কুরআনই মানুষের সমাজ ও রাষ্ট্রসহ সমগ্র জীবনের জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামীন প্রদত্ত কল্যাণকর ও পরিপূর্ণ একমাত্র সংবিধান। তিনি বলেন, দীর্ঘকাল পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রতিটি দেশে আল-কুরআন বিরোধী সংবিধান প্রতিষ্ঠিত হয়ে আছে। বাংলাদেশে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় গণতন্ত্রের ভিত্তিতে আল-কুরআন বিরোধী সংবিধান প্রতিষ্ঠিত থাকায় দেশ ও জাতির মানুষ দুর্ভোগ ও অশান্তিতে কাল কাটাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আল-কুরআন বিরোধী সংবিধানের অধীন থেকে দেশ ও জাতির মানুষকে মুক্ত করে আল-কুরআনের আইন-বিধানের ভিত্তিতে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর অনুসরণ ও অনুকরণে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠিত এবং পরিচালিত হলেই মানুষের জীবনে সুশাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হবে, সকলের সকল ন্যায্য অধিকার আদায় ও সংরক্ষণ হবে, সকল ধর্মের লোকেরা যার যার ধর্ম শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে পারবে, ফলে দুর্নীতি ও বৈষম্য মুক্ত কল্যাণকর সমাজ ও রাষ্ট্র গঠিত হবে। তখনই আল-কুরআন নাযিলের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন হবে। সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, গণতন্ত্রের অধীনে জোট-ভোট ও নির্বাচন বা সশস্ত্র লড়াই ইত্যাদির কোনটাই আল-কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠায় ঈমানদারগণের রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব লাভে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতি নয়! ঈমান ও ইসলামের দাওয়াতের মাধ্যমে মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে গঠিত ও পরিচালিত জাহিলি সমাজের বিপরীতে ‘ইসলামী সমাজ’ গঠন আন্দোলন’ই আল কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠায় ঈমানদারগণের রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব লাভের কুরআন ও সুন্নাহ সম্মত পদ্ধতি।‘ইসলামী সমাজ’ আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতেই গণতন্ত্র ও আল-কুরআন বিরোধী সকল সংবিধানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ এবং দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রে আল-কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার আন্তরীক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আল-কুরআন বিরোধী সংবিধানের অধীন থেকে দেশবাসীকে মুক্ত করার লক্ষ্যে দলমত নির্বিশেষে সকলকে তিনি সমাজ ও রাষ্ট্রে আল-কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার শান্তিপূর্ণ প্রচেষ্টায় শামিল হওয়ার আহবান জানান। মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশায় নিয়োজিত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন।  ইসলামী সমাজ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর সহকারী দায়িত্বশীল জনাব আবু জাফর মোঃ সালেহ’র সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল- জনাব মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, সোলায়মান কবীর, মোঃ সোহেল, মিনহাজ উদ্দিন ও মোস্তফা জামিল সাদ প্রমুখ।

Read More

শেখ মুজিবুর রহমান

(১৭ মার্চ ১৯২০ – ১৫ আগস্ট ১৯৭৫)

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (1920-1975) স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি।

sheikh mujibur rahman