Somoy News BD

২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

উত্তম কৃষি চর্চা

মঞ্জুরঃবাংলাদেশ উত্তম কৃষি চর্চার কর্মশালা গত ১১-১২ই মার্চ ২০২৪ রাজধানী ফার্মগেটস্থ BARC অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন,ড.শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার,নির্বাহী চেয়ারম্যান,BARC।উক্ত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন, ড.মোঃ আব্দুস সালাম,মেম্বার,পরিচালক, (শস্য)।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ড. মোঃ মাহমুদুর রহমান, যুগ্ম সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়, মোঃ মিজানুর রহমান, প্রজেক্ট ডিরেক্টর ও ড. জাকিয়া রহমান মনি, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নিউট্রেশন নিরাপদ খাদ্য  উৎপাদনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক ‘বাংলাদেশ উত্তম কৃষি চর্চা নীতিমালা-২০২০ প্রণয়ন  করা হয়েছে। খামার পর্যায়  হতে শুরু করে ভোক্তা  পর্যায়ে নিরাপদ ও  মানসম্পন্ন খাদ্য নিশ্চিত
করতে খামারে উৎপাদন  এবংউৎপাদনোত্তর প্রক্রিয়ায়Good Agricultural Practices(GAP) বাস্তবায়নঅত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশেGAP বাস্তবায়নের লক্ষ্যে  বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা  কাউন্সিল (বিএআরসি) (স্কিমওনার) এবং কৃষি  সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) সার্টিফিকেশন বডি  (Bangladesh Agricultural Certification Body-BACB) হিসেবে দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়ে GAP সার্টিফিকেশন  প্রদানে কাজ করছে।GAP বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ৫টি মডিউল নিরাপদ খাদ্য;  পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা;  কর্মীর স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও  কল্যাণ; পণ্যমান মডিউল এবং সাধারণ প্রয়োজনীয়তা মডিউলসহ মোট ৫টি মডিউলসহ বাংলাদেশ উত্তম কৃষি চর্চা’র মানদণ্ড(Standards of Bangladesh Good Agricultural Practices) প্রস্তুত করা  হয়েছে এবং উক্ত মানদন্ড  বিএসটিআই কর্তৃক অনুমোদিত হয় যা জাতীয় মান হিসেবে অর্ন্তভুক্ত করা হয় (BDS2025:2023)1 কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাংলাদেশ GAP  এর সার্টিফিকেশন মার্কস (লোগো) অনুমোদিত হয়েছে।বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে  বাস্তবায়িত PARTNER  প্রকল্পে ১৫টি ফসলের GAP প্রোটোকল তৈরি এবং মাঠ  পর্যায়ে বাস্তবানের কার্যক্রম চলমান আছে।চলতি অর্থবছরে (২৩-২৪) ৬টি ফসলের GAP প্রোটোকল প্রণয়নের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। ইতোমধ্যে বিএআরসি’র মাধ্যমে ৮টি ফসলের GAP প্রোটোকলের খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। ফল (আম, কাঁঠাল, পেয়ারা) এলাকা (নাচোল, চাপাই নবাবগঞ্জ, ভালুকা, ময়মনসিংহ
গোদাগাড়ী, রাজশাহী) সবজি (বেগুন, বরবটি, লাউ, কাচা পেঁপেঁ) এলকা (শিবপুর, নরসিংদী, চান্দিনা, কুমিল্লা, ধামরাই, ঢাকা, আট ঘটিয়া, পাবনা, সদর, যশোর) এ ছাড়াও মাঠ পর্যায়ের জনবলের (কৃষক, উদ্যোক্তা, বিজ্ঞানী ও সম্প্রসারণ কর্মকর্তা) সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যাপক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ভেলিডেশন ট্রায়ালের কৃষকসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার কৃষককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। ইতোমধ্যে ৫টি ব্যাচে (নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; ধামরাই, ঢাকা; চান্দিনা, কুমিল্লা; শিবপুর, নরসিংদী, সদর, যশোর) ১২৫ জন কৃষককে নিরাপদ ফল ও সবজি উৎপাদনে GAP প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। নির্বাচিত ১৫টি ফসলের জন্য GAP ফ্যাসিলিটিসহ ১৫টি প্যাকহাউজ নির্মাণের  জন্য আর্কিটেকচারাল  ডিজাইন এবং টেন্ডার প্রক্রিয়ার  সকল ডকুমেন্ট প্রস্তুত করা হয়েছে।

Related Articles

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ছোটদের পত্রিকা কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

উৎসবমুখর পরিবেশ ও শিশুনন্দিত আবহে উদযাপিত হলো ছোটদের জনপ্রিয় পত্রিকা ‘কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে ২৫ জুলাই (শনিবার) বিকেল ৪টায় রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে এক

আরও পড়ুন

গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

মোঃআশরাফুল আলমঃ বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শোষণমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা

আরও পড়ুন

বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১১ টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিগ্রহণ ও বিস্তারিত কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন

নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড,মোঃরফিকুল ইসলাম

গৌরনদী উপজেলার ছোট্ট একটি গ্রামের নাম বাটাজোর। নদীর কাছাকাছি মাটির ঘরে থাকত পারুল আখতার। তার স্বামী রহিম মিয়া দিনমজুর। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে-ঘাটে কাজ

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman