Somoy News BD

২২শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ-এর সঙ্গে আজ দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার (Michael Miller) সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ পুলিশ সংস্কার, নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, দুর্নীতি দমন কৌশল, বাণিজ্য সহযোগিতা ও পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

সাক্ষাৎকারের শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার নতুন পোর্টফলিওতে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, “ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের একটি পরীক্ষিত ও নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন অংশীদার। বর্তমান সরকারের মেয়াদে আমরা দুই পক্ষের বিদ্যমান সহযোগিতা আরো জোরদার ও প্রসারিত করতে চাই।”

পুলিশ সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা চলাকালে মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ একটি পুলিশ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা করছে। এক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রয়োজনীয় পরামর্শ পরিষেবা (Consultancy Services) দিয়ে আমাদের সহায়তা করতে পারে।” তিনি আরো জানান যে, ইইউ পুলিশের প্রশিক্ষণ, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশকে পুনর্গঠন ও আধুনিকায়নে সহযোগিতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে পারে। এর প্রেক্ষিতে মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “বর্তমান সরকার বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”

দুর্নীতি দমনে ইইউ’র ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের একটি সুনির্দিষ্ট ও শক্তিশালী দুর্নীতি দমন কৌশল থাকা প্রয়োজন এবং ইইউ এক্ষেত্রে সব ধরনের কারিগরি ও কৌশলগত সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত। মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতের এই প্রস্তাবের সাথে একমত পোষণ করেন। তিনি ইইউ’র সাথে বিভিন্ন সেক্টরে সহযোগিতার সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুলো দ্রুত চিহ্নিত করতে এবং এসব বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষার জন্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করেন।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ শাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়া হবে বায়োগ্যাস প্লান্ট: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কক্সবাজার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ দেশের জ্বালানি সংকট কার্যকরভাবে মোকাবেলায় টেকসই বায়োগ্যাস প্রযুক্তি প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় সিআইডির অভিযানে গ্রেফতার ১

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গত ২০ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত ১০টা ৩০ মিনিটে সিআইডির একটি চৌকস দল মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানাধীন বদরপাশা ইউনিয়নের দুর্গাবর্দী গ্রামে অভিযান চালিয়ে

আরও পড়ুন

প্রকৌশলী সৈয়দ রাশেদুল হাসান কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রকৌশলী সৈয়দ রাশেদুল হাসান (রেজা) ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর এ

আরও পড়ুন

সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী

মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশের হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[২] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[৩][৪] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman