Somoy News BD

১৪ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

নজরুল বর্ষের কর্মসূচি জনমুখী করার প্রত্যয়: শিল্পকলা একাডেমিতে জমকালো ‘শিল্পী সম্মেলন’ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
জাতীয় জীবন ও বাংলা সাহিত্যে সাম্যের কবি, দ্রোহের কবি, আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অসামান্য অবদানকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দিতে এবং ঘোষিত ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২০২৭’ দেশব্যাপী নানা আঙ্গিকে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ এক বিশেষ ‘শিল্পী সম্মেলন’ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে আজ ১২ জুলাই ২০২৬, রবিবার সকাল ১১:০০ টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে এই উৎসবমুখর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
​উক্ত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী এমপি। তিনি তার বক্তব্যে নজরুল বর্ষের কর্মসূচিসমূহকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিয়ে তরুণ প্রজন্মকে কবির অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানান। একই সাথে তিনি অত্যন্ত মানবিক ও জোরালো কণ্ঠে ঘোষণা করেন, দেশের অসচ্ছল ও অসুস্থ শিল্পীদের কল্যাণ ও চিকিৎসার্থে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে এবং সরকার সর্বদা তাদের পাশে থাকবে।
​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এমপি।
বক্তাগণ জাতীয় কবির সৃষ্টি ও জীবনদর্শনকে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
​অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ্ কানিজ মওলা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন) এবং উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব জনাব মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
​নজরুল বর্ষের গৃহীত পরিকল্পনাসমূহকে আরও গতিশীল ও জনমুখী করার প্রত্যয়ে দেশের বিভিন্ন শিল্পমাধ্যমের গুণী শিল্পীবৃন্দ, নজরুল গবেষক, বুদ্ধিজীবী ও সুধীজন এই সম্মেলনে উপস্থিত থেকে তাদের মূল্যবান মতামত ও সংহতি প্রকাশ করেন। বক্তাগণ আশা প্রকাশ করেন, এই আয়োজনের মাধ্যমে জাতীয় কবির সাম্য ও মানবতার বাণী বাংলার প্রতিটি কোণে পৌঁছে যাবে।

Related Articles

নারী বিষয়ক নবম ওআইসি মিনিস্ট্রিয়াল সম্মেলনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী’র নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের যোগদান

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আয়োজিত ১২-১৩ জুলাই দু’দিনব্যাপী নারী বিষয়ক নবম ওআইসি মিনিস্ট্রিয়াল সম্মেলনে বাংলাদেশের মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু

আরও পড়ুন

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর মওকুফের অর্থ শিক্ষার গুণগত মান ও গবেষণায় ব্যবহারের আহ্বান জানান অর্থ মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ​বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর মওকুফের অর্থ শিক্ষার গুণগত মান ও গবেষণায় ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ​তিনি বলেন সরকারি নিয়ন্ত্রণের

আরও পড়ুন

শুধু পাঠ্যবই নয়; নতুন শিক্ষাব্যবস্থায় আসছে শিক্ষক গাইড, ওয়ার্কবুক, রেমিডিয়াল গাইড ও ভিডিও লেসন: ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের দক্ষ, সৃজনশীল ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার একটি সমন্বিত ও আধুনিক

আরও পড়ুন

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে উৎস পর্যায় থেকেই কীটনাশকের মান নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে উৎস পর্যায় থেকেই কীটনাশকের মান নিয়ন্ত্রণ জোরদার

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman