Somoy News BD

২৮শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

সীমানা নির্ধারণ করে বন রক্ষা, বালু-দখলদারদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স : উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান  বলেছেন,  চুনতি অভয়ারণ্যের সীমানা নির্ধারণের কাজ এখন চলছে। বালু উত্তোলন ও বন দখলের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশকে এই বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব জায়গায় বালু উত্তোলন হয়, সেখানে এমন সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া হবে যাতে কেউ ঢুকতে বা বেরোতে না পারে।

আজ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ে বন বিভাগের চট্টগ্রাম সার্কেলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, অচিরেই একটি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামা হবে।
তিনি আরও বলেন, সীমানা নির্ধারণের পর বিদ্যমান বন রক্ষায় জোর দেওয়া হবে। অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান চলবে। মানুষের দুর্ভোগ না বাড়িয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

হাতি-মানুষ দ্বন্দ্ব কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি। তিনি বলেন, একসময় হাতির দাঁত ও হাড়ের জন্য হাতি মারা হতো। এই ধরনের অর্গানাইজড ক্রাইম রোধে প্রয়োজনে গোয়েন্দা সংস্থাকে কাজে লাগানো হবে।

উপদেষ্টা বলেন, হাতি-মানুষ দ্বন্দ্বের সমাধানে মাঠ পর্যায়ে কাজ করা হবে। বন রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও অপরাধ দমনে সরকার কঠোর অবস্থানে আছে।

এর পরে উপদেষ্টা, চট্টগ্রামের চুনতি রেঞ্জের আওতাধীন এলাকার পাহাড় কাটা ও অবৈধ দখলের স্থানসমূহ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।এরপর তিনি, কক্সবাজারের ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেন।  এসময় তিনি পার্কের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, প্রাণীদের আবাস, চিকিৎসা ও খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি পার্কে পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো ও দর্শনার্থীবান্ধব সুযোগ-সুবিধা আরও বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বন্যপ্রাণী পাচার ও অবৈধ শিকার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনকালে উপদেষ্টার সঙ্গে চট্টগ্রাম বন সার্কেলের বন সংরক্ষক মোল্লা রেজাউল করিম, বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো: সানাউল্লাহ পাটোয়ারী, ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের বিভাগীয় বন কর্তকর্তা, জেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর, বন অধিদপ্তর এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ক্ষুদ্র-নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ৪ সদস্য গ্রেফতার :

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ (উত্তর) কার্যালয়ের একটি টিম ঢাকা মহানগরীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে ক্ষুদ্র-নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে ৮০০০ (আট হাজার) পিস অ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক

আরও পড়ুন

জুলাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস- এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের তৃণমূল পর্যায়ের ক্রীড়াঙ্গনে জোয়ার তুলতে আগামী ১লা জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম। যুব ও

আরও পড়ুন

নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ ঢাকায় ওসমানী

আরও পড়ুন

দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিজিবি’র কঠোর নজরদারির কারণে দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ সকালে ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman