Somoy News BD

৫ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে বিদায়ী সংবর্ধনায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, বিজিবি, কোস্ট গার্ড সহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ, দায়িত্বশীল ও অনন্য ভূমিকার কারণে জাতীয় নির্বাচন প্রশংসিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।

উপদেষ্টা আজ পুলিশ সদর দপ্তরে ‘হল অভ ইন্টেগ্রিটি’-তে পুলিশ অধিদপ্তর আয়োজিত বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন।

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইজিপি বাহারুল আলম বিপিএম। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী এনডিসি, র‌্যাব (এসআইএফ)-এর মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান বিপিএম প্রমুখ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তৃতা করেন পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) আওলাদ হোসেন।

উপদেষ্টা বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬’ বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাসে রোল মডেল হয়ে থাকবে যা দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে। সেজন্য আমি পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। তিনি বলেন, গতকাল অনুষ্ঠিত বিশেষ কেবিনেট বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীল ভূমিকার অকুণ্ঠ প্রশংসা করেছেন।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, ২০২৪ সালের ০৫ আগস্টের পর পুলিশ যে অবস্থায় নিপতিত হয়েছিলো, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পুলিশের অবস্থান আজ যথেষ্ট সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। উপদেষ্টা সেজন্য সন্তোষ প্রকাশ করেন ও পুলিশের এ সম্মানজনক অবস্থানকে আরো উন্নীত করতে সচেষ্ট হওয়ার জন্য উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োগের ক্ষেত্রে কোন দুর্নীতি হয়নি উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার সঙ্গে এসব নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে যা বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল। তিনি বলেন, এসব নিয়োগের ক্ষেত্রে অন্তত আমার দপ্তর থেকে কোনো ধরনের তদবির করা হয়নি তা হলফ করে বলতে পারি।

উপদেষ্টা এর আগে বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এবং বিজিবি আয়োজিত বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। পরে উপদেষ্টা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি অধিদপ্তর আয়োজিত বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

Related Articles

মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিনকে উপদেষ্টা করে ঢাকা-১৯-এ জুলাই-আগস্ট উদযাপন পরিষদ গঠন

মোঃ আল-শাহরিয়ার বাবুল খান: ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের চেতনা সংরক্ষণ,গণতন্ত্রের মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখা এবং উদযাপনমূলক কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এরনির্বাচনী এলাকা-১৯২,ঢাকা-১৯(সাভার-আশুলিয়া)-এ ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট

আরও পড়ুন

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আগামী দিনে শিক্ষকরা যাতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারে, সেজন্য আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ ঢাকার স্থানীয় একটি হোটেলে “গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন (জিপিই) সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট (এসটিজি) এবং মাল্টিপ্লায়ার গ্রান্ট’ এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি

আরও পড়ুন

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-এর ২য় আসর সফল করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে জাতীয় কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশজুড়ে উদীয়মান কিশোর ও তরুণ খেলোয়াড়দের স্বপ্ন পূরণের মহোৎসব নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-এর ২য় আসরের কাউন্টডাউন শুরু হয়েছে। আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরু

আরও পড়ুন

আরিচা-দৌলতদিয়া ফেরীঘাট পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী যাত্রীসেবা উন্নয়ন, নিরাপত্তা জোরদার ও অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণে নির্দেশনা প্রদান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মোঃ রাজিব আহসান আজ ( ১ জুলাই) দুপুরে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ আরিচা-দৌলতদিয়া ফেরিঘাট পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি ফেরি চলাচল, যানবাহন

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman