Somoy News BD

২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

‘বিকল্প বিপ্লব ১.০’ প্রতিযোগিতার সফল সমাপ্তি

মোঃজহিরুল ইসলামঃজগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ বিতর্ক ক্লাব (EDDC) আয়োজিত আন্তঃবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতা ‘বিকল্প বিপ্লব ১.০’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও জনপ্রিয় অনুষ্ঠান উপস্থাপিকা তানিয়া আফরিন এবং জনসংযোগ ও গণযোগাযোগ বিশেষজ্ঞ মো. হাসানুর রহমান। তাঁদের সুচিন্তিত বিশ্লেষণ ও রায় প্রতিযোগিতার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ইংরেজি বিভাগ বিতর্ক ক্লাব (EDDC) শিক্ষার্থীদের সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা, জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার দক্ষতা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনা সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে আসছে। এই ধারাবাহিকতায় আয়োজিত ‘বিকল্প বিপ্লব ১.০’ প্রতিযোগিতাটি ইংরেজি বিভাগের প্রয়াত সদস্য অঙ্কন বিশ্বাসের স্মৃতির প্রতি উৎসর্গ করা হয়।

ফাইনাল রাউন্ড ও চ্যাম্পিয়ন দল

প্রতিযোগিতাটি পাঁচটি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়, যার মধ্যে ২৪ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে সেমিফাইনাল এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে চূড়ান্ত পর্ব সম্পন্ন হয়। ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দুটি শক্তিশালী দল:
1. টিম ‘ISDC Girls’ – ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ
2. টিম ‘Legacy Bearer’ – পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগ

বিচারক প্যানেলের যুক্তিসংগত রায় ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে টিম ‘ISDC Girls’ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে বিজয়ী হয়।

বিচারক প্যানেল ও তাঁদের অবদান
বিচারক প্যানেলে ছিলেন পাঁচজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, যাঁদের মধ্যে ছিলেন:
• তানিয়া আফরিন – বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও জনপ্রিয় অনুষ্ঠান উপস্থাপিকা, বাংলাদেশ টেলিভিশন
• মো. হাসানুর রহমান – জনসংযোগ ও গণযোগাযোগ বিশেষজ্ঞ, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব
• এবং অন্যান্য বিশিষ্ট বিচারকমণ্ডলী

বিশেষত মো. হাসানুর রহমান, যিনি একজন গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞ এবং জনসংযোগ ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তি, প্রতিযোগিতার বিচারক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বিতার্কিকদের যুক্তি উপস্থাপনার দক্ষতা মূল্যায়নে তাঁর পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ অত্যন্ত সহায়ক ছিল। তাঁর মূল্যবান পরামর্শ অংশগ্রহণকারীদের জন্য শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।

ইংরেজি বিভাগ বিতর্ক ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান বলেন, “মো. হাসানুর রহমান ও তানিয়া আফরিনের মতো দুই গুণী ব্যক্তিত্বকে বিচারক হিসেবে পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। তাঁদের মূল্যবান মতামত ও গভীর বিশ্লেষণ প্রতিযোগিতাকে আরও গ্রহণযোগ্য ও মানসম্পন্ন করেছে।”
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বিতর্ক সংস্কৃতির বিকাশে ‘বিকল্প বিপ্লব ১.০’ প্রতিযোগিতাটি একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ হিসেবে প্রশংসিত হয়েছে। ভবিষ্যতে EDDC এমন আরও প্রতিযোগিতার আয়োজন করে শিক্ষার্থীদের যুক্তিবিদ্যা ও জনসংযোগ দক্ষতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে বলে আশা করা যায়।

Related Articles

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ছোটদের পত্রিকা কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

উৎসবমুখর পরিবেশ ও শিশুনন্দিত আবহে উদযাপিত হলো ছোটদের জনপ্রিয় পত্রিকা ‘কানামাছি’র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে ২৫ জুলাই (শনিবার) বিকেল ৪টায় রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে এক

আরও পড়ুন

গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

মোঃআশরাফুল আলমঃ বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শোষণমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা

আরও পড়ুন

বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১১ টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিগ্রহণ ও বিস্তারিত কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন

নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড,মোঃরফিকুল ইসলাম

গৌরনদী উপজেলার ছোট্ট একটি গ্রামের নাম বাটাজোর। নদীর কাছাকাছি মাটির ঘরে থাকত পারুল আখতার। তার স্বামী রহিম মিয়া দিনমজুর। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে-ঘাটে কাজ

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman