Somoy News BD

৩রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

বন্যাদুর্গত কৃষকদের সহায়তায় বীজ ও ভ্যাকসিন বিতরণে অনিয়মে ‘জিরো টলারেন্স’ —-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বন্যাকবলিত চট্টগ্রাম অঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। সরকারের পক্ষে একবারে সব ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব না হলেও কৃষকদের দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বীজ, সার, গবাদিপশুর ভ্যাকসিন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বীজ ও ভ্যাকসিন বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’।

মন্ত্রী আজ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক মানুষের জীবনেই দুঃসময় আসে। সেই সময়ে সরকার ও সমাজ যদি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ায়, তবে তারা নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি পায়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও খামারিদের পুনর্বাসনে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে।

মন্ত্রী কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কাছে যেন কোনো ধরনের অতিরিক্ত মূল্য নেওয়া না হয় এবং সরকারি সহায়তা যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে- তা নিশ্চিত করতে হবে। অতীতের মতো কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।

গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বন্যাকবলিত এলাকায় শতভাগ গবাদিপশুকে এফএমডি (ক্ষুরা রোগ) প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হবে। ছয় মাস আগে যেসব পশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী তাদেরও পুনরায় টিকা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, একটি গবাদিপশু মারা গেলে একজন খামারির যে আর্থিক ও মানসিক ক্ষতি হয়, তা অনুধাবন করেই সরকার দ্রুত ভ্যাকসিন কার্যক্রম জোরদার করছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের সব সহায়তা যেন প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছে এবং কেউ যেন বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা নিয়ে কাজ করতে হবে। কোথাও কোনো অনিয়ম বা অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

এ সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো: খোরশেদ আলম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো: আনোয়ার হোসেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডা. মো: আতিয়ার রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা.মো: আলমগীর, চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ-পরিচালক আপ্রু মারমা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক- সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

মহাখালী টার্মিনালের অপেক্ষমাণ বাস পূর্বাচল ডিপোতে স্থানান্তরে ডিএমপি ট্রাফিকের অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় দীর্ঘসময় অপেক্ষমাণ অবস্থায় থাকা বাসগুলো পূর্বাচলের অস্থায়ী বাস ডিপোতে স্থানান্তরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি)

আরও পড়ুন

ঢাকা ও চট্টগ্রামে কাস্টমস গোয়েন্দার টানা অভিযান: সিগারেট, মোবাইল-এলসিডি-মাদারবোর্ড, মদ স্বর্ন আটক—দুই দিনে প্রায় ১ কোটি টাকার পণ্য জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (HSIA) চোরাচালান ও ব্যাগেজ সুবিধার অপব্যবহার ঠেকাতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) ধারাবাহিক গোয়েন্দা অভিযানে বড় ধরনের সাফল্য

আরও পড়ুন

“তামাক ও নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষায় ঘরে ঘরে সচেতনতা বাড়াতে হবে”– স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, সচেতনতার অভাবে বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগের প্রকোপ বেড়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে তামাক ক্যানসারের মতো

আরও পড়ুন

কিশোরগঞ্জের উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কিশোরগঞ্জ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক নিয়ন্ত্রণ, যানজট নিরসন এবং সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনা গুরুত্বের সঙ্গে মোকাবিলায় প্রশাসন, পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সমন্বিত

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman