Somoy News BD

২রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

স্কুলে সংস্কৃতিচর্চা নিশ্চিত হলে দেশে উগ্রবাদের স্থান হবে না: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, এমপি বলেছেন স্কুল পর্যায়ে সংস্কৃতিচর্চা নিশ্চিত হলে দেশে উগ্রবাদের স্থান হবে না।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকালে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের নিমিত্তে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম জোরদার ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা বাস্তবায়নের নিমিত্তে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যৌথ আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান শিক্ষা কারিকুলামে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেছেন। তাঁর নির্দেশনার আলোকে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিক চেতনা বিকাশে সহায়ক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে পাঠ্যক্রমে আরও বিস্তৃত ও কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সংগীত, নাটক, বিতর্ক, চিত্রাঙ্কনসহ বিভিন্ন সৃজনশীল কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ইতিবাচক চিন্তাধারায় উদ্বুদ্ধ হয় এবং দলগত চেতনা, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে ওঠে। এতে তাদের মধ্যে উগ্র চিন্তার প্রতি আকর্ষণ কমে যায়। ফলে সাংস্কৃতিক চর্চা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং একটি সুস্থ, সচেতন ও মানবিক প্রজন্ম গঠনের কার্যকর উপায় হিসেবে কাজ করে।’

এসময় তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষা শিক্ষার্থীদের জীবনের ভিত্তি তৈরি করে। সেই ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করতে প্রাথমিক শিক্ষা কারিকুলামে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম জোরদার করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বিষয় শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষক দলের মাধ্যমেও শিক্ষার্থীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।’

সভায় উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। তিনি বলেন, ‘একটি সুস্থ, সৃজনশীল ও সচেতন প্রজন্ম গড়ে তুলতে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের মাঝে সংস্কৃতিচর্চা আরও বিস্তৃত ও বিকশিত করতে আমরা সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করছি। নির্ধারিত লক্ষ্য দ্রুত অর্জনের জন্য এসব কার্যক্রম অচিরেই বাস্তবায়ন করা হবে।’

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো: মাসুদ রানা, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মোঃ শামসুজ্জামান এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

Related Articles

“তামাক ও নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষায় ঘরে ঘরে সচেতনতা বাড়াতে হবে”– স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, সচেতনতার অভাবে বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগের প্রকোপ বেড়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে তামাক ক্যানসারের মতো

আরও পড়ুন

কিশোরগঞ্জের উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কিশোরগঞ্জ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক নিয়ন্ত্রণ, যানজট নিরসন এবং সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনা গুরুত্বের সঙ্গে মোকাবিলায় প্রশাসন, পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সমন্বিত

আরও পড়ুন

জনবান্ধব কাজ করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী

ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধিঃ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত,এমপি বলেন, জনগণের উন্নয়ন ও জনবান্ধব কাজ করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। তার পরিপ্রেক্ষিতে

আরও পড়ুন

কয়েক ঘণ্টায় কোম্পানি নিবন্ধনের লক্ষ্য, সিঙ্গাপুরের আদলে বদলাচ্ছে আরজেএসসি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কোম্পানি নিবন্ধনে দীর্ঘসূত্রতা ও দাপ্তরিক নির্ভরতা কমিয়ে পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনভিত্তিক করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সিঙ্গাপুরের দ্রুত ও কার্যকর ব্যবসা নিবন্ধন ব্যবস্থার আদলে যৌথ

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman