Somoy News BD

৬ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , সোমবার
ব্রেকিং নিউজ

বাজার মনিটরিং কার্যক্রমকে আরও সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর করার ওপর গুরুত্ব বাণিজ্য সচিবের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বাজার মনিটরিং কার্যক্রমকে আরও কার্যকর, সমন্বিত ও ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়, আন্তরিক সহযোগিতা এবং টিম লিডারদের নেতৃত্ব দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাণিজ্য সচিব মো: আতাউর রহমান খান।

রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত “বাজার মনিটরিং কাজে নিয়োজিত টিম লিডারদের দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ক কর্মশালায় ” সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্য সচিব বলেন, বাজার তদারকির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানই একটি অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। এখানে সক্ষমতার ঘাটতির চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কার্যকর সমন্বয়, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং মাঠপর্যায়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা নিশ্চিত করা।

তিনি আরও বলেন, “মোটিভেশন কেবল ধারণা নয়, এটি বাস্তব কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে প্রয়োগ করতে হবে। অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং কার্যকর কর্মপদ্ধতির মাধ্যমে বাজার ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল করা সম্ভব।”

তিনি উল্লেখ করেন, বাজার মনিটরিং কার্যক্রম বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এর পাশাপাশি সরকারের আরো কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দপ্তর সংস্থাও কাজ করে। বাস্তবে এটি সকল দপ্তর ও সংস্থার সমন্বিত দায়িত্ব। মাঠপর্যায়ে দ্রুত উপস্থিতি, সমন্বিত কার্যক্রম এবং দায়িত্বশীলভাবে কাজ সম্পন্ন করাই এ ব্যবস্থার মূল শক্তি।

টিম লিডারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নেতৃত্ব হতে হবে দক্ষ, সময়োপযোগী ও ফলাফলনির্ভর। মাঠপর্যায়ে যেকোনো সমন্বয়হীনতা দ্রুত সমাধান করে কার্যক্রমকে সুশৃঙ্খলভাবে এগিয়ে নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি বিভাগের ছোট ছোট সফল উদ্যোগই সামগ্রিক বাজার ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করে। তাই প্রতিটি কর্মকর্তার পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাজার মনিটরিং ব্যবস্থাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার ওপর বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে বাণিজ্য সচিব জানানমন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক শিগগিরই একটি পাওয়ার অ্যাপ (Power App) উন্নয়ন, টিসিবির কার্যক্রমে এআই-ভিত্তিক (AI) মডেল প্রণয়ন এবং বিদ্যমান বাজার মনিটরিং অ্যাপ আরও উন্নত ও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এসময় মাঠপর্যায়ে বাজার নজরদারি আরও কার্যকর করার কথাও জানান তিনি।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আইআইটি) শিবির বিচিত্র বড়ুয়া এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সেবাস্টিন রেমাসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

Related Articles

শিল্প মন্ত্রীর পাঁচ দিনব্যাপী বিসিক বর্ষা মেলার উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বর্ষার স্নিগ্ধতা, বাংলার ঐতিহ্য এবং দেশীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বৈচিত্র্যকে একসূত্রে গাঁথতে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) আয়োজন করেছে পাঁচ

আরও পড়ুন

ইউএন-কপস’ সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিতব্য পঞ্চম জাতিসংঘ পুলিশ প্রধানদের সম্মেলন ‘ইউএন-কপস’ (5th United Nations Chiefs of Police Summit – UNCOPS V)-এ অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের

আরও পড়ুন

মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিনকে উপদেষ্টা করে ঢাকা-১৯-এ জুলাই-আগস্ট উদযাপন পরিষদ গঠন

মোঃ আল-শাহরিয়ার বাবুল খান: ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের চেতনা সংরক্ষণ,গণতন্ত্রের মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখা এবং উদযাপনমূলক কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এরনির্বাচনী এলাকা-১৯২,ঢাকা-১৯(সাভার-আশুলিয়া)-এ ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট

আরও পড়ুন

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আগামী দিনে শিক্ষকরা যাতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারে, সেজন্য আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ ঢাকার স্থানীয় একটি হোটেলে “গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন (জিপিই) সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট (এসটিজি) এবং মাল্টিপ্লায়ার গ্রান্ট’ এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman