Somoy News BD

ব্রেকিং নিউজ

সমাজ ও রাষ্ট্রে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠায়  মহাসত্যের ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য গঠনে ইসলামী সমাজের ৩ দিনব্যাপী শান্তিপূর্ণ গণজাগরণ যাত্রা সু-সম্পন্ন

মঞ্জুর: ইসলামী সমাজের উদ্যোগে- ২৭, ২৮ ও ২৯ অক্টোবর (রবি, সোম ও মঙ্গলবার), গাজীপুর মুক্তমঞ্চ থেকে জাতীয় প্রেসক্লাব পর্যন্ত ৩ দিনব্যাপী শান্তিপূর্ণ গণজাগরণ যাত্রা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। গণজাগরণ যাত্রা চলাকালীন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্পটে সংক্ষিপ্ত পথসভায় ইসলামী সমাজের সম্মানিত আমীর এবং বিভাগীয় দায়িত্বশীলগণ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, বিশ্বের প্রতিটি দেশে মানব রচিত ব্যবস্থার মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর পরিবর্তে মানুষকে সার্বভৌমত্বের মালিক, আইনদাতা-বিধানদাতা ও শাসনকর্তা গ্রহণ করে মানুষ আল্লাহর সাথে কুফর এবং শিরকে লিপ্ত হয়ে আছে। তিনি বলেন, গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল মতবাদ দুর্নীতি, বৈষম্য ও জাহান্নামের পথ। বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্র গ্রহণ করে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সার্বভৌমত্বআইন-বিধান ও কর্তৃত্ব অমান্য করে তাঁর সাথে কুফর করছে এবং নিজেদেরকে সার্বভৌমত্বের মালিক, সংসদ সদস্যদেরকে আইনদাতা ও সরকার তথা মন্ত্রীদেরকে শাসনকর্তা মেনে মহান রব্ব আল্লাহর সাথে শিরক করছে। আল্লাহর সাথে কুফর এবং শিরক করা চরম অপরাধ ও দুর্নীতি, যার পরিণতি দুনিয়ার জীবনে বিভিন্ন রকম আযাব-গজবের শিকার হয়ে দুর্ভোগ ও অশান্তি এবং আখিরাতের জীবনে নিশ্চিত ঠিকানা জাহান্নাম। মানব রচিত সকল মতবাদ চরম দুর্নীতি এবং কুফরী ও শিরকী ব্যবস্থা-জাহান্নামের পথ। মানুষের মাঝে বৈষম্যের মূল কারণ হলো দুর্নীতি। দুর্নীতি গ্রহণ করার কারণেই মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায় এবং সংরক্ষণ হচ্ছে না।সুতরাং গণতন্ত্রসহ কোন মানব রচিত ব্যবস্থার মাধ্যমে দুর্নীতি ও বৈষম্য মুক্ত কল্যাণকর সমাজ এবং রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়।

গতকাল ২৯ অক্টোবর ২০২৪ইং, মঙ্গলবার, বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ গণজাগরণ যাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ইসলামী সমাজের আমীর বলেন, দুর্নীতি ও বৈষম্য মুক্ত কল্যাণকর সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন করতে হলে প্রয়োজন নীতি ও আদর্শ। গণতন্ত্রসহ মানব রচিত কোন ব্যবস্থাই নীতি ও আদর্শ নয়; সার্বভৌম ক্ষমতার একমাত্র মালিক সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ প্রদত্ত ব্যবস্থা ‘ইসলাম’ই একমাত্র নীতি ও আদর্শ। তিনি বলেন, সকল ধর্মের লোকদের জন্য যার যার ধর্ম পালনের সুযোগ রেখে সমাজ ও রাষ্ট্রে আল্লাহর রাসূল হযরতমুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলেই “দুর্নীতি ও বৈষম্য মুক্ত কল্যাণকর সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন হবে, সকলের সকল অধিকার আদায় এবং সংরক্ষণ হবে। এ লক্ষ্যে ‘ইসলামী সমাজ’ গণতন্ত্রসহ সকল প্রকার মানব রচিত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে সমাজ ও রাষ্ট্রে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সকল মানুষের সার্বিক কল্যাণে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য উপদেষ্টাগণ এবং দেশবাসী ছাত্র-জনতা সকলকে তিনি গণতন্ত্র ত্যাগ করে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় শামিল হওয়ার আন্তরিক আহ্বান জানান।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী সমাজের কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল- মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, মুহাম্মাদ ইয়াছিন, সোলায়মান কবীর, আমীর হোসাইন, মোঃ নুরুদ্দিন, মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহ, আজমুল হক আসাদুজ্জামান বুলবুল, আৰু বকর সিদ্দিক, সেলিম মোল্লা, সাইফুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান এবং সকল জেলা, মহানগর, থানা পর্যায়ের দায়িত্বশীলসহ নেতা ও কর্মীগন ।

Related Articles

ট্রাব এওয়ার্ড এবং গুনীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, গুণীজনদের সম্মানিত করলে শুধু তাদের ব্যক্তিগত সম্মান বৃদ্ধি পায় না,

আরও পড়ুন

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ, বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতা এবং চিফ হুইপ বরাবর ইসলামী সমাজের আমীর সাহেবের চিঠি প্রদান

মঞ্জুর: জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘ইসলামী সমাজ’ এর উদ্যোগে ৫ মে ২০২৬ইং, মঙ্গলবার, সকালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ, বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতা এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বরাবর সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠার কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য ‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর সাহেবের লিখিত চিঠি প্রদানের লক্ষ্যে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, আমাদের প্রিয় বাংলাদেশের সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান মেনে চলার মাধ্যমে দেশ ও জাতির মানুষ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনার জায়গায় (১) আল্লাহর পরিবর্তে মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্বের অধীনে বন্দি হয়ে আছে (২) আল্লাহর আইন-বিধানের পরিবর্তে মানুষের মনগড়াঁ আইন-বিধান পালনের মাধ্যমে মানুষেরই দাসত্ব করছে এবং (৩) আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এর শর্তহীন আনুগত্যের পরিবর্তে মানুষের মনগড়া আইন-বিধানের ধারক-বাহক নেতাদের আনুগত্য- অনুসরণ ও অনুকরণ করছে। আর এসবই কুফর এবং শিরক- ক্ষমার অযোগ্য মহা অপরাধ । তিনি বলেন, কুফর এবং শিরকের কারণেই জাতীয় জীবনে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। গণতন্ত্রের পথে চলতে থাকলে সামনে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় দেখা দিবে এবং এ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে নিশ্চিত চিরস্থায়ী ঠিকানা হবে জাহান্নাম, আর এটাই মহাক্ষতি। সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও কর্তৃত্ব মূলোৎপাটন করে আল্লাহরই সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও নিরংকুশ শাসন কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত কোন সমস্যারই সমাধান হবে না। সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা, মুহাম্মাদ ইয়াছিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি আরও বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্র আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা ইসলামের পরিবর্তে মানুষের সার্বভৌমত্ব ভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা গণতন্ত্রের ভিত্তিতে মানুষেরই রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের মাধ্যমে গঠিত এবং পরিচালিত হওয়ার কারণেই বিভিন্ন সময়ে সরকার পরিবর্তন হলেও জাতীয় জীবনের সমস্যাবলীর প্রকৃত সমাধান হয়নি; বরং সমস্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এজন্য মানব রচিত ব্যবস্থা গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান বহাল রেখে জাতীয় সমস্যাবলীর প্রকৃত সমাধান হচ্ছে না, হবেও না। ইসলামী সমাজের আমীর সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, একমাত্র আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও নিরঙ্কুশ শাসন-কর্তৃত্বের ভিত্তিতে তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এর অনুসরণ ও অনুকরণে তাঁরই আইন-বিধানের প্রতিনিধিত্বকারী আমীরের নেতৃত্বের আনুগত্যে ইসলামের আইন-বিধান দ্বারা সমাজ ও রাষ্ট্র গঠিত এবং পরিচালিত হলেই জাতীয় জীবনের সকল সমস্যার সমাধান হবে ইনশাআল্লাহ । নিজের ও সকল মানুষের সার্বিক কল্যাণে আমাদের সকলেরই উচিত গণতন্ত্রসহ সকল মানব রচিত ব্যবস্থা ও এসবের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে সকল প্রকার দুর্নীতি, সন্ত্রাস, উগ্রপন্থা ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করা এবং ইসলাম প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া । ইসলামী সমাজ আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা.) প্রদর্শিত পদ্ধতিতে ইসলাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলোর দাওয়াতের মাধ্যমে সমাজ গঠন আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। রাসূলুল্লাহ হযরত মুহাম্মাদ (সা.) প্রদর্শিত পদ্ধতিতে ইসলাম প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত প্রচেষ্টাই সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঈমানী, নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। নিজের ও জাতির সার্বিক কল্যাণে ইসলাম প্রতিষ্ঠার ঈমানী, নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব পালনে সকলকে তিনি ইসলামী সমাজ গঠন আন্দোলনে শামিল হওয়ার আন্তরিক আহবান জানান এবং চিঠি প্রদানের লক্ষ্যে ‘ইসলামী সমাজ’ গঠিত ১১ সদস্য বিশিষ্ট ৩টি বিশেষ টিমের তালিকা প্রকাশ করেন । সমাবেশ শেষে ‘ইসলামী সমাজ’ গঠিত ১ম টিম সোলায়মান কবীরের নেতৃত্বে বঙ্গভবন, ২য় টিম মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লার নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং ৩য় টিম মুহাম্মাদ ইয়াছিনের নেতৃত্বে সংসদ সচিবালয়ে গিয়ে চিঠি প্রদান করেন।  

আরও পড়ুন

কৃষি ও মৎস্য খাতের উন্নয়নে জেলা প্রশাসকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে জনগণের সরাসরি সংযোগ থাকায় কৃষি ও মৎস্য খাতের উন্নয়নে

আরও পড়ুন

শিল্প পুনরুজ্জীবন, বাজার স্থিতিশীলতা ও কৌশলগত মজুদ বাড়াবে সরকার : খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের শিল্পখাতকে পুনরুজ্জীবিত করা, বাজারকে স্থিতিশীল রাখা এবং জরুরি পণ্যের নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিত

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman