Somoy News BD

২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

তরুণদের আইকন হয়ে উঠছে আরাফাত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
নড়াইল জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির তরুণ প্রজন্মের কাছে আইকন হয়ে উঠছে মুন্সি আসাবুর রহমান আরাফাত।
আরাফাত শুধু তরুণদের আইকন নয় নড়াইল-১ আসনের সর্ব শ্রেণীর মানুষের কাছে এক জনপ্রিয় নাম। রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা আরাফাতের স্বপ্ন ধ্যান জ্ঞান মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত করা। সুখে দুখে দুর্দিনে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। বংশ পরিক্রমায় জনগণের সেবা নেশায় পরিণত। আরাফাতের বাবা মুন্সি লাল মিয়াকে নড়াইলের মানুষ দানবীর উপাধি দিয়েছেন। নড়াইলবাসী তাকে দানবীর লাল মিয়া মুন্সি নামে ডাকতেন।
দানবীর মুন্সী লাল মিয়া, তিন তিনবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। দুই বার উপজেলা চেয়ারম্যান ও এক বার ভারপ্রাপ্ত উপজেলার চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি অসংখ্য স্কুল, কলেজ, মসজিদ ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাতা। করেছেন অনেক উন্নয়নমূলক কাজ।

দেশ স্বাধীন হওয়ার আগে ‎মুন্সী লাল মিয়ার চাচা জনাব আব্দুল হাকিম পাকিস্তানের যোগাযোগ মন্ত্রী এবং স্পিকার ছিলেন। ‎আরেক চাচা তৎকালীন ব্রিটিশ ঋণশালী যশোর বোর্ডের ৪৫ বছরের চেয়ারম্যান মুন্সী মোজাহের উদ্দিন। মুন্সি লাল মিয়ার আরেক চাচা মুন্সী নুরুল হক খাশিয়াল ও কোটাকোল ইউনিয়নে ৩৫ চেয়ারম্যান ছিলেন।
আরাফাতের রক্তের ধারায় যেন জনগণের সেবা প্রবাহিত। তাই ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্র দলের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।
মুন্সী আসাবুর রহমান আরাফাত ‎যুগ্ন আহবায়ক স্বেচ্ছাসেবক দল নড়াইল জেলা। ‎সাংগঠনিক সম্পাদক আরাফাত রহমান স্মৃতি সংসদ নড়াইল জেলা।
মহাসচিব- মুন্সী লাল মিয়া স্মৃতি সংসদ।
এবং ‎ছাত্র জীবনে ছিলেন যুগ্ন আহবায়ক- বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির।
ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার পতনের ‎আন্দোলনে ২০১৪ সালে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ১৮ দলীয় ছাত্র ঐক্য জোটের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। নেতৃত্ব যেন রক্তে মেশা, স্কুলে পড়া কালিন বন্ধুদের নিয়ে ছুটে যেতেন মিছিল মিটিং সমাবেশে। স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে কলেজে এসে ইয়ার কমিটির সভাপতি হন।
‎বহুগুণে গুণান্বিত মুন্সি আসাবুর রহমান আরাফাত সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান তরুণদের রাজনীতিতে প্রাধান্য দেয়ায়। বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের চাপে নড়াইল-১ আসন থেকে নমিনেশন কেনার ইচ্ছা পোষণ করেছেন। বিতর্কের উর্ধ্বে ক্লীন ইমেজের মুন্সি আসাবুর রহমান আরাফাত হতে পারে নড়াইল-১ আসনের চমক।
রাজনীতিতে কার অনুপ্রেরণায় আসলেন…? এই প্রশ্নের উত্তরে আরাফাত বলেন- আমার বড়ভাই এডভোকেট মুন্সি আনিচুর রহমান উপজেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা।তার অনুপ্রেরণা আদর্শে উজ্জীবীত হয়েই কিশোর মনে জাতীয়তাবাদী বিএনপির প্রতি আসক্ততা। আমার বড়ভাই এখন যশোর জজকোর্ট এর পিপি।

Related Articles

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদলের কুনমিং মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সফর: চিকিৎসা শিক্ষা সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা

নিউজ ডেস্কঃ কুনমিং, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধিদল কাল বিকেলে কুনমিং মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র

আরও পড়ুন

কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টারে ৫ হাজার মার্কিন ডলারে বিক্রি, নির্যাতন ও বন্দিদশার শিকার দুই বাংলাদেশি, মানবপাচার চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কম্বোডিয়ায় ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে দুই বাংলাদেশি তরুণকে পাচার, পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া, পাঁচ হাজার মার্কিন ডলারের বিনিময়ে স্ক্যাম সেন্টারে বিক্রি, জোরপূর্বক প্রতারণামূলক কাজে

আরও পড়ুন

১৪ তম হিফযুল কুরআন অ্যাওয়ার্ড ও কুরআন উৎসব।

মোঃআশরাফুল আলমঃ ১৭৫৯ জন হাফেয শিক্ষার্থীকে সম্মাননা, সম্মানিত হলেন তাঁদের গর্বিত পিতা-মাতা ও পবিত্র কুরআনের সুমধুর তিলাওয়াতে মুখরিত বিশাল মিলনায়তন, শুভ্র পোশাকে সজ্জিত হাজারো হাফেযের

আরও পড়ুন

ডিবি (ওয়ারী) বিভাগের অভিযানে ‘হানি-ট্র্যাপ’ চক্রের মূল হোতাসহ গ্রেফতার পাঁচজন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর তুরাগ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে হানি ট্র্যাপ চক্রের মূল হোতাসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা (ওয়ারী) বিভাগ। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[২] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[৩][৪] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman