Somoy News BD

২৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , সোমবার
ব্রেকিং নিউজ

বিজয় দিবসে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং, গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম বাংলাদেশের

মহান বিজয় দিবসে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং করে বিশ্ব রেকর্ড গড়ে গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম লিখিয়েছে বাংলাদেশ।

আজ মঙ্গলবার ‘টিম বাংলাদেশ’কে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস ম্যানেজমেন্ট টিম।

গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইটের বর্ণনায় বলা হয়েছে, স্কাইডাইভিং (প্যারাসুট জাম্প) করার সময় একসঙ্গে সর্বাধিক ৫৪টি জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে টিম বাংলাদেশ। ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ঢাকায় এই রেকর্ডটি সফলভাবে অর্জিত হয়।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ‘টিম বাংলাদেশ’ এর স্কাইডাইভাররা এই ঐতিহাসিক অর্জনের মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য ও সহযোগিতার দৃষ্টান্ত স্থাপনের লক্ষ্যে একত্রিত হয়েছিল। বাংলাদেশের ৫৪তম বিজয় দিবসের দিনে তারা এই রেকর্ড গড়েন।

আনুষ্ঠানিকভাবে গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম ওঠায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।

তিনি বলেন, ‘আজ এদেশের সকলের জন্য একটি গর্বের দিন। আমরা এ আনন্দ দেশের সকল জনগণের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই।’

মহান বিজয় দিবসে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিংয়ে অংশ নেন চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম, মো. নান্নু মিয়া, মো. মাহমুদুল ইসলাম, মোহাম্মদ শিহাব শেখ, মো. আরিফুর রহমান, ফরহাদ আহমেদ, মো. নজরুল ইসলাম, মো. কামরুল হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. আশিকুল ইসলাম, মো. সিরাজুল হক, মোহাম্মদ আলমগীর কবির, মো. রমজান আলী, মো. মনোয়ার হোসেন, মো. শরীফ আহমেদ, বশির আহমেদ, মো. মাহমুদুল হাসান, রাকিবুল ইসলাম, মো. আবু সায়েম, মো. আবু হাসান চৌধুরী, ওমর ফারুক, মনিরুল ইসলাম, সৌরভ আকন্দ রাসেল, মো. মনিরুজ্জামান, এস. এম. রাজিবুল ইসলাম, মো. নুরুল হাসিব, মো. সাজ্জাদুল ইসলাম, আব্দুল আলিম, আরাফাত রহমান, মো. হুমায়ুন কবির, মো. রুবেল হক, মো. সলীম আলী, মো. মহসিন, মো. বিন ইবনুল ইসলাম, এস. এম. এলমা আজম, মঈনুল ইসলাম, মো. তানভীর হোসেন হিমেল, মো. সরোয়ার আলম খান, মিলন চন্দ্র বর্মণ, এস. কে. মো. নাসিম উদ্দিন, মো. সাকিম মাহমুদ, মো. তাইফুর রহমান, মুহাম্মদ রাসেল মাহমুদ, ইমরান আল জিহাদ, মো. মাহেদী হাসান, মো. আশিকুর রহমান, মো. শাহজাহান আলী, আলমগীর হোসেন, মো. জাকির মিয়া, রুবেল মিনিস, মো. নাসির উদ্দিন, মো. তৌফিকুর রহমান চাকলাদার।

Related Articles

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জোরদারে ‘সিটা’ প্রকল্পের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃপরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি এমপি বলেছেন, স্ট্রেনদেনিং ইনস্টিটিউশনস ফর ট্রান্সপারেন্সি অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটি (সিটা) প্রকল্প সরকারের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং জনসেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে

আরও পড়ুন

বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ক্ষুদ্র-নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ৪ সদস্য গ্রেফতার :

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ (উত্তর) কার্যালয়ের একটি টিম ঢাকা মহানগরীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে ক্ষুদ্র-নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে ৮০০০ (আট হাজার) পিস অ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক

আরও পড়ুন

জুলাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস- এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের তৃণমূল পর্যায়ের ক্রীড়াঙ্গনে জোয়ার তুলতে আগামী ১লা জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ এর দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম। যুব ও

আরও পড়ুন

নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ ঢাকায় ওসমানী

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman