Somoy News BD

৬ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , সোমবার
ব্রেকিং নিউজ

আগামী প্রজন্মকে বিশ্বমানের নেতৃত্বে গড়ে তুলতে কারিকুলামে আসছে বড় পরিবর্তন -প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, আগামী বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইভিত্তিক শিক্ষা নয়, বরং নেতৃত্ব, নাগরিক দায়িত্ববোধ, নৈতিকতা ও সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে বিশ্বমানের নেতৃত্বে গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।

আজ ঢাকায় বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ এসোসিয়েশন আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ে হলদে পাখি নীল কমল অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে আগামী প্রজন্মকে দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে এবং সরকার দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য পুষ্টিকর মিড-ডে মিল চালুর কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আজ আমি শুধু গার্ল গাইডসদের মাঝে নেই, আমি আগামী বাংলাদেশের নেতাদের মাঝে আছি। আপনারাই ভবিষ্যতে দেশকে নেতৃত্ব দেবেন। আমরা এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তুলতে চাই, যারা শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নতুন কারিকুলামে শিশুদের শুধু একাডেমিক শিক্ষা নয়, বরং বাস্তবজীবনভিত্তিক দক্ষতা শেখানো হবে। শিক্ষার্থীরা শিখবে কীভাবে ভালো নাগরিক হতে হয়, কীভাবে নিজের স্কুল, ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হয় এবং সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করতে হয়।শিশুদের বয়স আনন্দের মাধ্যমে শেখার। তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ বা বড় বড় বই চাপিয়ে দেওয়ার সময় নয়। নতুন কারিকুলাম এমনভাবে সাজানো হবে যাতে শিশুরা গল্প, সৃজনশীলতা ও আনন্দের মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।

অনুষ্ঠানে নীলকমল অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত হলদে পাখির সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অর্জন দেশের শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করবে। সারা দেশ থেকে মোট ৫৭ জন হলদে পাখি সদস্যকে নীল কমল অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ এসোসিয়েশনের জাতীয় কমিশনার কাজী জেবুন্নেছা বেগম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গার্ল গাইডস্ নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

শিল্প মন্ত্রীর পাঁচ দিনব্যাপী বিসিক বর্ষা মেলার উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বর্ষার স্নিগ্ধতা, বাংলার ঐতিহ্য এবং দেশীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বৈচিত্র্যকে একসূত্রে গাঁথতে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) আয়োজন করেছে পাঁচ

আরও পড়ুন

বাজার মনিটরিং কার্যক্রমকে আরও সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর করার ওপর গুরুত্ব বাণিজ্য সচিবের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাজার মনিটরিং কার্যক্রমকে আরও কার্যকর, সমন্বিত ও ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়, আন্তরিক সহযোগিতা এবং টিম লিডারদের নেতৃত্ব দক্ষতা

আরও পড়ুন

ইউএন-কপস’ সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিতব্য পঞ্চম জাতিসংঘ পুলিশ প্রধানদের সম্মেলন ‘ইউএন-কপস’ (5th United Nations Chiefs of Police Summit – UNCOPS V)-এ অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের

আরও পড়ুন

মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিনকে উপদেষ্টা করে ঢাকা-১৯-এ জুলাই-আগস্ট উদযাপন পরিষদ গঠন

মোঃ আল-শাহরিয়ার বাবুল খান: ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের চেতনা সংরক্ষণ,গণতন্ত্রের মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখা এবং উদযাপনমূলক কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এরনির্বাচনী এলাকা-১৯২,ঢাকা-১৯(সাভার-আশুলিয়া)-এ ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman