Somoy News BD

ব্রেকিং নিউজ

প্রবাসীবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে বেবিচক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা, অনিয়ম রোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের আহ্বান বিমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আজ ঢাকার কুর্মিটোলায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) এবং মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বেবিচকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় শুরুতে উপস্থিত কর্মকর্তাদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের ইতিহাস এবং দেশের আকাশসীমা ব্যবস্থাপনায় এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হয়।

পরে মাননীয় মন্ত্রী ও মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সরেজমিনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিদর্শন করেন এবং এর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। এছাড়া দ্রুত টার্মিনালটি জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য চালু করার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় তাঁরা অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত কার্গো ভিলেজ ও ইমপোর্ট কার্গো টার্মিনালও পরিদর্শন করেন এবং বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

বিমানবন্দরের লাউঞ্জে দায়িত্বরত কর্মচারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে মাননীয় মন্ত্রী বলেন, বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের প্রতি সেবার মান উন্নত করা এখন সময়ের দাবি। অনেক প্রবাসী ভাই-বোন দেশের বিমানবন্দরে এসে বিভিন্ন বিষয় বুঝতে না পেরে ভোগান্তির শিকার হন। তাই সেবার ধরণ ও আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “আমাদের প্রবাসী ভাই-বোনেরা যেন কোনো ধরনের কষ্ট না পান, তা নিশ্চিত করতে হবে। মনে রাখতে হবে, তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে এবং সেই অর্থ থেকেই আমাদের বেতন হয়। তাই তাদের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান ও আন্তরিকতা প্রদর্শন করতে হবে।” তিনি আরও জানান, সেবার মান নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আকস্মিক পরিদর্শন পরিচালনা করা হবে।

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, প্রবাসী কর্মীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের অংশ হিসেবে তাদের ‘স্যার’ সম্বোধন করার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বিমানবন্দরের সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের নির্দেশ দেন।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে কোনো ধরনের অগ্নিকাণ্ড বা নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে সকল পর্যায়ে জবাবদিহিতা বাড়াতে হবে এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করতে হবে।

উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেবার মান উন্নয়ন এবং যাত্রীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিকসহ মন্ত্রণালয় ও বেবিচকের ঊর্ধ্বতন

Related Articles

বিজ্ঞানীদের মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে —-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশকে এগিয়ে নিতে বিজ্ঞানীদের সত্যিকার অর্থে মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। গবেষকদের প্রমাণ

আরও পড়ুন

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ড এর রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১০:৩০টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মাননীয় মন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি এবং প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি এর

আরও পড়ুন

দুর্যোগ আইন ও স্থায়ী নির্দেশনা রিভিউয়ের তাগিদ স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশে বিদ্যমান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ও স্থায়ী নির্দেশনাতে দুর্যোগকালীন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা ও বাধ্যবাধকতা স্পষ্ট নয় উল্লেখ করে তা দ্রুত পর্যালোচনা করার তাগিদ

আরও পড়ুন

বাজেটের প্রভাব পড়েনি নিত্যপণ্যে, বাজারে সরবরাহ সন্তোষজনক: কারওয়ান বাজার পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণার পরও রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে উল্লেখযোগ্য কোনো ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো:

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman