Somoy News BD

২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করে সম্পত্তি রক্ষা এবং মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে সম্মেলন

মঞ্জুর: অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজ জামান ফিরোজ ও তার সক্রিয় সন্ত্রাসী গ্যাং এর অসহনীয় হয়রানী-নির্যাতন, বাড়ী দখল, চাঁদাবাজি ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে গতকাল সোমবার ১৮ নভেম্বর সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মোঃ পারভেজ আহমেদ। তিনি বলেন, সৎ মাতার চক্রান্তে এডিশনাল এসপি মাহফুজ জামান ফিরোজ এর হুকুমে ০১/০৭/২০২৪ইং তারিখে ভোর ৫.৩০ মিনিটে ১৪/১৫জন সাদা পোশাকধারী লোক কোন ওয়ারেন্ট, অভিযোগ বিহীন আমার বাসার দারোয়ানকে মারধর করে বাড়িতে প্রবেশ করে আমাদেরকে তুলে নিয়ে যেতে আসে। আমার সৎ মা মাঝে মধ্যে আমাদের বাড়ীর মূল্যবান জিনিসপত্র জোর করে নিয়ে যায়, বাধা দিলে তিনি আমাদের সবার প্রাণনাসের হুমকি দেয় এবং নোংরা ভাষায় সবাইকে গালাগাজ করে। যা পরবর্তীতে আমার বাবা বাড্ডা থানায় একটি জিডিও করেন, যার নং-২০১৩, তারিখ: ২৮/১১/২০২২। আমার সৎ মায়ের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কারণে বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েন। এক পপর্যায়ে বাবা ২য় মাতাকে গত ০৩/১২/২০২২ইং তারিখে ডিভোর্স দেয়। মানসিক অশান্তিতে অসুস্থ হয়ে বাবা গত ২২ অক্টোবর ২০২৩ সালে মারা যান। বাবা মারা যাওয়ার পর থেকেই শুরু হয় আমাদের উপর ২য় মাতার বিভিন্ন অন্যায় ও অত্যাচার, তার গ্রামের পুলিশ অফিসার এডিশনাল এসপি, মাহফুজ জামান
জামান ফিরোজ এর হুকুমে ০১/০৭/২০২৪ইং তারিখে ভোর ৫.৩০ মিনিটে ১৪/১৫জন সাদা পোশাকধারী লোক কোন ওয়ারেন্ট, অভিযোগ বিহীন আমার বাসার দারোয়ানকে মারধর করে বাড়িতে প্রবেশ করে আমাদেরকে তুলে নিয়ে যেতে আসে। আমার সৎ মা মাঝে মধ্যে আমাদের বাড়ীর মূল্যবান জিনিসপত্র জোর করে নিয়ে যায়, বাধা দিলে তিনি আমাদের সবার প্রাণনাসের হুমকি দেয় এবং নোংরা ভাষায় সবাইকে গালাগাজ করে। যা পরবর্তীতে আমার বাবা বাড্ডা থানায় একটি জিডিও করেন, যার নং-২০১৩, তারিখ: ২৮/১১/২০২২। আমার সৎ মায়ের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কারণে বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েন। এক পপর্যায়ে বাবা ২য় মাতাকে গত ০৩/১২/২০২২ইং তারিখে ডিভোর্স দেয়। মানসিক অশান্তিতে অসুস্থ হয়ে বাবা গত ২২ অক্টোবর ২০২৩ সালে মারা যান। বাবা মারা যাওয়ার পর থেকেই শুরু হয় আমাদের উপর ২য় মাতার বিভিন্ন অন্যায় ও অত্যাচার, তার গ্রামের পুলিশ অফিসার এডিশনাল এসপি, মাহফুজ জামান ফিরোজ মাঝে মধ্যেই কিশোর গ্যাং দিয়ে আমাদেরকে বিভিন্ন রকম হত্যার হুমকি প্রদর্শন করতো। বিগত ২৬/১১/২০২৩ তারিখে বাড্ডা থানায় আমাদের নামে একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরের দিন পুলিশ আমাদেরকে বাড্ডা থানায় ধরে নিয়ে যায়। আমার ছোট ভাইকে ১২/০২/২০২৪ তারিখে ডিবি অফিসে তুলে নিয়ে যায়। আমার নিকট ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে, নয়তো সারা জীবনে জেলে পচতে হবে। পরে ১ লক্ষ টাকা দিয়ে বাকী টাকা ৩-৪ দিন পরে দিবো বলে সেখান থেকে ছুটে আসি। ১৪/০৩/২০২৪ তারিখে এসপি ও আমার সৎ মা টেলিফোনে আমাদেরকে গুলি করে মেরে ফেলার হুমকি দেয়, আমি ঐ দিনেই বাড্ডা থানায় জিডি করি, যার নং-১০২৫। বিগত ০১/০৪৭/২০২৪ইং তারিখে বাড্ডা থানায় পুলিশ ও তাহার পালিত সন্ত্রাসীরা আমার বাসা জোরপূর্বক দখল করতে আসে। আমাকে জামাত শিবিরের লোক বলে গালাগাজ করে। এলাকাবাসীর সহায়তায় আমার পরিবার মুক্তি পায়। ২৪/০৬/২০২৪ইং তারিখে আমার সৎ মাতা আমাদের বাসার সিসি ক্যামেরা ও আসবাবপত্র ভাংচুর করে। আমি ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ বাসায় এসে বিষয়টি জেনে আমাকে এখনই থানায় অভিযোগ দিতে বলেন, এডিশনাল এসপির নির্দেশে থানা পুলিশ আমার অভিযোগটি গ্রহণ করে নাই। উল্টা গত ২৬/০৬/২০২৪ইং তারিখে আমাদেরকে আসামী করে বাড্ডা থানায় একটি মিথ্যা মামলা রুজু করে, যার নং-জিআর-৩২১/২৪। পুলিশই তদন্তে মামলার বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত হলে ১৫/১০/২০২৪ইং তারিখে ঘটনা সত্যতা নয় মর্মে চুড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করেন, চুড়ান্ত রিপোর্ট নং-৭২। পরবর্তীতে আমার সৎ মাতা আমার ও আমার ছোট ভাইয়ের স্বাক্ষর জাল করিয়া ২০ লক্ষ টাকার একটি চুক্তিপত্র তৈরী করে। আমাদের ২ ভাইকে আসামী করে নরসিংদী শিবপুর সি.আর আমলী আদালত কোর্টে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে, যার নং-৮৩৮/২৪। পরবর্তীতে ২৭/০৯/২০২৪ইং তারিখে আবারও এসে হুমকি-ধামকি দিয়ে আমাদের নিকট ৩০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং বলে যদি টাকা না দেন তা হলে খুব খারাপভাবেই আসবো। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জামাত-শিবিরের তকমা দিয়েছে এবং এখন আমাদেরকে আওয়ামী লীগের লোকজন বলে জেলে পাঠানোর হুমদি দিচ্ছে। পর্যায়ক্রমে আমাকে বিভিন্ন মামলায় জড়ায় ও তাদের ক্যাডার দিয়ে আমাদের বাড়ি-ঘর দখল করতে আসে। আরও হুমকি দেয় যে, কোর্ট তার, পুলিশ তার, উকিল তার, তার এক ফোনে মামলা হয় আর এক ফোনে মামলা খারিজ হয়। আমি গত ২৮/১০/২০২৪ইং তারিখে আমার সম্পদ রক্ষার্থে বিজ্ঞ ১ম যুগ্ম জেলা জজ আদালত, ঢাকায় একটি দেওয়ানী মোকাদ্দমা দায়ের করি, যার নং-৮৪১/২৪। এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যাতে আমাদের পরিবারকে হয়রানী ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা হয় এবং সুষ্ঠ বিচার, জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

Related Articles

গুজবে কান নয়, তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করুন — ফকির মাহবুব আনাম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, “ডাক বিভাগকে আরও জনপ্রিয় করার উদ্যোগ চলমান রয়েছে। ‘নগদ’

আরও পড়ুন

বন্দর অবকাঠামো উন্নয়নে কাতার সরকারকে বিনিয়োগের আহ্বান নৌপরিবহন মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি-এর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত কাতারের রাষ্ট্রদূত Mr. Seraya Ali Al-Qahtani গতকাল সন্ধ্যায় সচিবালয়ে

আরও পড়ুন

জুলাই শহীদদের গেজেট ও কবর সংরক্ষণে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

মোঃআশরাফুল আলম মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদদের মধ্যে যাঁরা এখনো গেজেটভুক্ত হননি, তাঁদের দ্রুত তালিকাভুক্ত করার কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে শহীদের

আরও পড়ুন

নারী নেতৃত্ব এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে জেবিসিসআই-এর উদ্যোগে ‘জাপান–বাংলাদেশ বিজনেস উইমেন কনফারেন্স’ অনুষ্ঠিত

মোঃ জহিরুল ইসলাম, সিনিয়র রিপোর্টারঃ জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (JBCCI), জেট্রো (JETRO) ঢাকা এবং জাপানিজ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন ইন ঢাকা (JCIAD)-এর সহযোগিতায়

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman