Somoy News BD

ব্রেকিং নিউজ

ব্যবসায়ী থেকে গভর্নর: আর্থিক খাতে নতুন চমকের নাম মোস্তাকুর রহমান -অয়ন আহমেদ

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৫৪ বছরের ইতিহাসে ২০২৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি এক অবিস্মরণীয় দিন হিসেবে যুক্ত হলো। এদিন বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৮তম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মোস্তাকুর রহমান। দেশের ইতিহাসে এই প্রথম একজন সক্রিয় ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাকে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের চাবিকাঠি ও মুদ্রানীতির নিয়ন্ত্রক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত প্রথা- যেখানে আমলা বা তাত্ত্বিক অর্থনীতিবিদরা এই গদিতে বসতেন- তা ভেঙে একজন ‘মাঠ পর্যায়ের’ ব্যবসায়ীকে এই দায়িত্বে আনা আর্থিক খাতের ইতিহাসে এক সাহসি ও অভূতপূর্ব মোড়।

মোস্তাকুর রহমান মূলত দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত- তৈরি পোশাক শিল্পের একজন সফল সারথি। ফতুল্লা-ভিত্তিক রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান হেরা সোয়েটার্স লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও হিসেবে তিনি বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পোশাক খাতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তবে তাঁর পরিচয় কেবল একজন শিল্পপতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী এবং ১৯৯১ সালে এফসিএমএ (FCMA) ডিগ্রি অর্জনকারী একজন তুখোড় পেশাজীবী। ৩৩ বছরের দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি ব্যবসায়িক কৌশল ও আর্থিক ব্যবস্থাপনার এক বিরল সংমিশ্রণ ঘটিয়েছেন।

গভর্নর হওয়ার আগে মোস্তাকুর রহমান নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নিজের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি বিজিএমইএ-এর বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করার সুবাদে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জটিল নীতিমালাগুলো কাছ থেকে দেখেছেন। এছাড়া ১৯৯৮ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের পর্ষদ সদস্য হিসেবে দেশের পুঁজিবাজারের উত্থান-পতনকেও তিনি পর্যবেক্ষণ করেছেন। এই অভিজ্ঞতাগুলো তাঁকে একজন সাধারণ ব্যবসায়ীর চেয়ে উচ্চতর স্তরের ‘ফিন্যান্সিয়াল স্ট্র্যাটেজিস্ট’ হিসেবে গড়ে তুলেছে।

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নেতৃত্বে ছিলেন এ এন এম হামিদুল্লাহ থেকে শুরু করে ফজলে কবির বা আব্দুর রউফ তালুকদারের মতো তুখোড় আমলারা কিংবা ড. আতিউর রহমানের মতো প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদরা। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত এক চরম অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। খেলাপি ঋণের পাহাড়, ডলার সংকট এবং মুদ্রাস্ফীতির চাপে সাধারণ মানুষের জীবন ওষ্ঠাগত। এমন এক সংকটে সরকার হয়তো প্রচলিত তাত্ত্বিক সমাধানের বাইরে গিয়ে ‘ব্যবহারিক’ বা ‘আউট অফ দ্য বক্স’ চিন্তা করতে চেয়েছে। একজন উদ্যোক্তা হিসেবে মোস্তাকুর রহমান জানেন কেন ঋণ খেলাপি হয়, এলসি খুলতে কী ধরনের বাস্তব সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় এবং উচ্চ সুদের হার কীভাবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে ধ্বংস করে।

রহমানের এই নিয়োগের পেছনে রাজনৈতিক সংযোগও অনস্বীকার্য। তিনি বিএনপির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে সক্রিয় ছিলেন। রাজনৈতিক এই পটভূমি তাঁর নিয়োগে প্রভাবক হিসেবে কাজ করলেও, তাঁর সামনে চ্যালেঞ্জগুলো কোনো রাজনৈতিক রঙের চেয়ে অনেক বেশি বড়। তাকে এমন এক সময়ে দায়িত্ব নিতে হয়েছে যখন দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি তাঁর লক্ষ্যগুলো স্পষ্ট করেছেন। তাঁর প্রথম অগ্রাধিকার হলো সুদের হার কমানো। বর্তমানে উচ্চ সুদের হারের কারণে দেশের বেসরকারি খাত নিস্তেজ হয়ে পড়ছে। দ্বিতীয়ত, ব্যাংক খাতের ওপর জনগণের হারানো আস্থা ফিরিয়ে আনা। একের পর এক ব্যাংক কেলেঙ্কারির ঘটনায় সাধারণ মানুষ ব্যাংক থেকে বিমুখ হয়ে পড়েছিল, যা নিরসন করা তাঁর অন্যতম প্রধান কাজ। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রেখে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা রক্ষা করা তাঁর জন্য এসিড টেস্টের মতো।

ইতিহাস সবসময় ফলাফল দিয়ে বিচার করে। মোস্তাকুর রহমানের এই নিয়োগকে অনেকে ‘কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট’ বা ‘স্বার্থের সংঘাত’ হিসেবে দেখতে পারেন, কারণ একজন ঋনগ্রহীতা ও ব্যবসায়ী এখন নিজেই নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান। তবে ইতিহাসের অন্য পিঠে এটি একটি সুযোগও। যদি তিনি তাঁর ব্যবসায়িক দূরদর্শিতা কাজে লাগিয়ে খেলাপি ঋণ আদায়ের কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারেন এবং ব্যাংক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে পারেন, তবে তিনি হবেন বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে সফল গভর্নরদের একজন।

মোস্তাকুর রহমান কেবল একজন ব্যক্তি নন, তিনি এখন একটি ব্যবস্থার নাম। একজন পোশাকি ব্যবসায়ী থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অভিভাবক হওয়ার এই যাত্রাটি যেমন রোমাঞ্চকর, তেমনি দায়িত্বের ভারে অতিশয় গুরুতর। দেশের আপামর জনসাধারণ ও ব্যবসায়িক সমাজ এখন তাঁর দিকে তাকিয়ে আছে। তিনি কি পারবেন আমলাতান্ত্রিক জটিলতার বেড়াজাল ছিন্ন করে একটি গতিশীল ও স্বচ্ছ আর্থিক কাঠামো উপহার দিতে? ইতিহাসের পাতায় তাঁর মূল্যায়ন কেবল সময়ের হাতে। তবে তাঁর এই নিয়োগ যে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকিং ব্যবস্থার সংস্কারের এক নতুন যুগের সূচক, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট: কিছু গুরুত্বপূর্ণ সূচক-
মোস্তাকুর রহমান এমন এক সময়ে দায়িত্ব নিয়েছেন যখন অর্থনীতিতে বহুমুখী চাপ বিরাজ করছে। সাম্প্রতিক তথ্যানুযায়ী অর্থনীতির চিত্রটি দেখা যায়-
১। মুদ্রাস্ফীতি: ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শেষে দেশে গড় মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল প্রায় ৯% থেকে ১০%-এর ঘরে, যা নিয়ন্ত্রণে আনা নতুন গভর্নরের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ।
২। খেলাপি ঋণ: ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকার উপরে।
৩। রিজার্ভের স্থিতি: বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ বর্তমানে ১৯ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলারের আশেপাশে অবস্থান করছে।
৪। টাকার মান: গত দুই বছরে ডলারের বিপরীতে টাকার মান প্রায় ৩০% এর বেশি অবমূল্যায়িত হয়েছে।

পূর্ববর্তী গভর্নরদের সাথে তুলনামূলক বিশ্লেষণ
বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিহাসে নেতৃত্বের ধরনে যে পরিবর্তন এসেছে, তা নিচের ছকটি থেকে স্পষ্ট হয়:

পূর্ববর্তী আমলা গভর্নরদের সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রায়ই অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল ছিল বলে সমালোচনা রয়েছে। অন্যদিকে, মোস্তাকুর রহমান একজন ব্যবসায়ী হিসেবে ‘বাজারের ভাষা’ বোঝেন। ফলে তাঁর নেতৃত্বে মুদ্রানীতি এবং আর্থিক নীতিতে আরও বেশি বাজার-কেন্দ্রিক পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে স্বার্থের সংঘাত (Conflict of Interest) এড়ানোই হবে তাঁর প্রধান নৈতিক পরীক্ষা।

লেখক পরিচিতি:
অয়ন আহমেদ, সম্পাদক- দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র, কলাম লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
Email: protidinerchitrobd14@gmail.com

Related Articles

বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন এর সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর: জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭-এ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে কর ও শুল্ক সুবিধার ঘোষণা দেওয়া হলেও বাস্তবে তা সীমিত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআরইএ)। সংগঠনটির দাবি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জারিকৃত এসআরও সংশোধন করে কর-সুবিধা সব অংশীজনের জন্য উন্মুক্ত না করলে দেশেরসৌরবিদ্যুৎ খাতের সম্প্রসারণ বাধাগ্রস্ত হবে এবং ২০৩০সালের নবায়নযোগ্য জ্বালানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।রবিবার ১৪ জুন ২০২৬ রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদসম্মেলনে বিএসআরইএর নেতারা এসব কথা বলেন।সংগঠনটির সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ লিখিত বক্তব্যে  জানান, বাজেট-পরবর্তী এসআরও বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঘোষিত কর ও শুল্ক সুবিধা মূলত নির্দিষ্ট কিছু সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং রেসকো মডেলে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কোম্পানিগুলোরজন্য প্রযোজ্য করা হয়েছে।ফলে আবাসিক, কৃষি, ক্ষুদ্র বাণিজ্যিক গ্রাহক এবং খাতসংশ্লিষ্ট অধিকাংশ ব্যবসায়ী এ সুবিধার বাইরে থেকে যাচ্ছেন।তিনি বলেন, দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের বড় অংশ গড়ে উঠেছে আমদানিকারক, পরিবেশক, ডিলার, খুচরা ব্যবসায়ী এবং ইপিসি (ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন) প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। অথচ বর্তমান প্রণোদনা কাঠামোয় তাদের জন্য কার্যকর কোনো সুবিধা রাখা হয়নি।এতে খাতসংশ্লিষ্ট হাজারো প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা ও কর্মসংস্থান ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিএসআরইএর মতে, বর্তমান এসআরও দেশের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীর মাত্র ২০ থেকে ২২ শতাংশকে লক্ষ্য করে প্রণয়ন করা হয়েছে। অন্যদিকে রেসকো মডেল বড় শিল্প গ্রাহকদের জন্য উপযোগী হলেও আবাসিক, কৃষি ও গ্রামীণ গ্রাহকদের জন্য তা কার্যকর নয়। সংগঠনটি বলছে, সাধারণ মানুষের মধ্যে এমন ধারণা তৈরি হয়েছে যে সৌর প্যানেল ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতির ওপর শুল্ক পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং বাজারে দাম কমেছে। কিন্তু বাস্তবে অধিকাংশ সৌর পণ্যের ক্ষেত্রে কর ও শুল্ক কাঠামোয় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি। এতে বাজারে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে এবং ব্যবসায়ীরা অযৌক্তিক চাপের মুখে পড়ছেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, চলতি বাজেট ও সংশ্লিষ্ট এসআরওতে সোলার ইরিগেশন, সোলার স্ট্রিট লাইট এবং ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (বিইএসএস) খাতের জন্য কার্যকর নতুন কোনো প্রণোদনা রাখা হয়নি। দেশে প্রায় ১৭ লাখ ডিজেলচালিত সেচ পাম্প থাকলেও সেগুলোকে সৌরচালিত ব্যবস্থায় রূপান্তরের জন্য বাজেটে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা বা আর্থিক সহায়তার প্রতিফলন নেই। একই সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের ‘ওয়েট-বেইজড অ্যাসেসমেন্ট’ পদ্ধতির পরিবর্তে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ‘ট্রানজ্যাকশন ভ্যালু’ ভিত্তিক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ না থাকায় প্রকল্প ব্যয় অযৌক্তিকভাবে বাড়ছে বলে অভিযোগ করে সংগঠনটি। মাউন্টিং স্ট্রাকচার, লিথিয়াম সেল, ব্যাটারি প্যাক ও বিইএসএসের জন্য শুল্ক সুবিধা ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সীমিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিএসআরইএ। তাদের মতে, দেশে এখনো এসব পণ্যের পর্যাপ্ত উৎপাদন সক্ষমতা গড়ে ওঠেনি। ফলে আগেভাগে সুবিধা প্রত্যাহার করা হলে বিনিয়োগ ও বাজার সম্প্রসারণ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। সংগঠনটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, দেশের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীর ৬৩ শতাংশই আবাসিক, কৃষি ও ক্ষুদ্র বাণিজ্যিক গ্রাহক। অথচ বর্তমান প্রণোদনা কাঠামোয় তাদের জন্য কোনো প্রত্যক্ষ সুবিধা নেই। পাশাপাশি স্বল্পসুদে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন, পেমেন্ট সিকিউরিটি এবং বিনিয়োগ সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাজেটে নতুন কোনো উদ্যোগও দেখা যায়নি। বিএসআরইএ সতর্ক করে বলেছে, বর্তমান এসআরও বহাল থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট পিক সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্য পূরণ হবে না; বরং সক্ষমতা ২ থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াট পিকে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে। তবে সব আমদানিকারক, ইপিসি প্রতিষ্ঠান, ডিস্ট্রিবিউটর এবং খাতসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের জন্য শূন্য শতাংশ কাস্টমস ডিউটি ও কর সুবিধা উন্মুক্ত করা হলে ঢাকা ও বিভাগীয় শহরগুলোর মাত্র ২৫ শতাংশ ছাদ ব্যবহার করেই ২০৩০ সালের মধ্যে ৬ থেকে ৮ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি সোলার মডিউল, ইনভার্টার, ব্যাটারি স্টোরেজ, মাউন্টিং স্ট্রাকচার, ডিসি কেবল, কানেক্টর ও স্মার্ট মিটারসহ সব নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের ক্ষেত্রে সমান শুল্ক সুবিধা কার্যকর, অন্তত ১০ বছরের ট্যাক্স হলিডে ও আয়কর অব্যাহতি এবং আবাসিক ও কৃষি গ্রাহকদের জন্য কর-সুবিধা উন্মুক্ত করার দাবি জানায়।  সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, সুপার স্টার সোলার এর সিইও  শেখ তোফায়েল আহমেদ, বিএসআরইএ

আরও পড়ুন

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল সম্প্রসারণ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র খামারিদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে বিশুদ্ধ জাতের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল ও

আরও পড়ুন

চীনের অন্যতম বৃহত্তম প্রদর্শনী “The 10th China-South Asia Expo and the 30th China Kunming Import and Export Fair-2026” এর থিম কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহত্তম মেলা ও প্রদর্শনী “The 10th China-South Asia Expo and the 30th China Kunming Import and Export Fair-2026” আগামীকাল চীনের

আরও পড়ুন

২০২৭ সালের হজের রোডম্যাপ প্রকাশ,  চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে হজযাত্রী নিবন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ২০২৭ সালের (হিজরি ১৪৪৮) হজের রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। রবিবার (৭ জুন) মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা হতে এ রোডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman