Somoy News BD

২রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শুক্রবার
ব্রেকিং নিউজ

মুন্সিগঞ্জের চাঞ্চল্যকর ফার্নিশ ওয়েল ডাকাতি মামলার পলাতক প্রধান আসামী রাহাত হোসেনকে ঘটনার সাত মাস পর মুন্সিগঞ্জ জেলার মুক্তারপুর নৌ পুলিশ কর্তৃক আটক।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
গত ১০ জানুয়ারি ২০২৫ খ্রি. ভোরে কিং ফিসার শিপিং লাইন্স কোম্পানির ওটি বিন জামান-১ নামক তেলের ট্যাংকার ৩৬০.০৩৬ মেট্রিক টন ফার্ণিশ ওয়েল যাহার আনুমানিক মূল্য – ৩,৫০,০০,০০০/- (তিন কোটি পঞ্চাশ লক্ষ) টাকা। উক্ত ট্যাংকারে ফার্ণিশ ওয়েল লোড করে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানাধীন মদনগঞ্জ সামিটের ঘাট হতে গাজিপুর কড্ডা পাওয়ার প্লান্টের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে উক্ত ওয়েল ট্যাংকারটি মুন্সিগঞ্জ সদর থানাধীন চর মুক্তারপুর শাহ সিমেন্ট ফ্যাক্টরির সামনে শীতলক্ষ্যা নদীর মোহনায় পৌঁছালে একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ ইঞ্জিন চালিত স্টীলের ট্রলারযোগে এসে ওয়েল ট্যাংকারে উঠে ধারালো অস্ত্রের মাধ্যমে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে তেলের ট্যাংকারে থাকা স্টাফদের জিম্মি করে ওয়েল ট্যাংকারটি নারায়ণগঞ্জ জেলাধীন সোনারগাঁও থানার মেঘনা ব্রীজের উত্তর পার্শে তেতৈতলা বাজার সংলগ্ন মেঘনা নদীর পাড়ে নিয়ে ওয়েল ট্যাংকারে থাকা ফার্নিশ ওয়েল অন্য একটি বাল্কহেডে লোড করে ডাকাতি করে বিক্রয়ের জন্য সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালি থানা এলাকায় নিয়ে যায়। এই সংক্রান্তে মুন্সিগঞ্জ সদর থানায় একটি ডাকাতি মামলা রুজু হলে মুক্তারপুর নৌ পুলিশ মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে এবং পুলিশ সুপার নৌ পুলিশ নারায়ণগঞ্জ অঞ্চল এর নেতৃত্বে সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালি থানার ভুতের মোড় নামক স্থান হতে ০৬ (ছয়) জন ডাকাতকে ডাকাতি করা তেল বহনকারী এমবি. ভূঁইয়া বাল্কহেডটি লুন্ঠিত সম্পূর্ণ ফার্নিশ ওয়েলসহ আটক করতে সক্ষম হয়। বিভিন্ন সময়ে অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার সাথে জড়িত ১১ (এগারো) জন ডাকাতকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।

তন্মধ্যে ধৃত ০৭ (সাত) জন ডাকাত বিজ্ঞ আদালতে ঘটনার সাথে জাড়িত থাকার দায় স্বীকার করে ফৌ:কা:বি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী প্রদান করে। নৌ পুলিশ দ্রুত লুন্ঠিত মালামাল এবং ঘটনার সাথে জড়িত অধিকাংশ আসামীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হলেও মামলার ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী কুখ্যাত ডাকাত এবং নারায়ণগঞ্জ মুন্সিগঞ্জের ত্রাশ সৃষ্টিকারী নৌ ডাকাত আসামী রাহাত হোসেন (৩৫) কে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর থেকে সে নিজেকে অজ্ঞাত স্থানে আড়াল করে রাখে। এ পর্যন্ত ০৭ হতে ০৮ বার তাকে গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ সুপার, অতিঃ পুলিশ সুপারসহ অফিসার ও ফোর্স নিয়ে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেও তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

অবশেষে তথ্য প্রযুক্তি এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ১২ আগস্ট ২০২৫ খ্রি. বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানাধীন মোগড়াপাড়া কলেজ রোড এলাকা হতে মাস্টার মাইন্ড কুখ্যাত নৌ ডাকাত রাহাত হোসেন (৩৫) কে মুক্তারপুর নৌ পুলিশ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। তার বিরুদ্ধে আরো ২ টি মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন আছে । এই সংক্রান্তে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।

Related Articles

যৌথ অভিযান নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা নিয়মিত প্রক্রিয়া- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে যৌথ অভিযানের কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। পুলিশ, বিজিবি, এসআরবি ও আনসার বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা একটি নিয়মিত

আরও পড়ুন

এআই, সেমিকন্ডাক্টর ও রোবটিক্সে গবেষণায় তরুণদের নীতিসহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: জহির উদ্দিন স্বপন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সেমিকন্ডাক্টর ও রোবটিক্সসহ উদীয়মান প্রযুক্তিতে গবেষণা ও উদ্ভাবনকে এগিয়ে নিতে তরুণ প্রযুক্তিবিদদের জন্য নীতিগত সহায়তার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান—এমন তথ্য জানিয়ে

আরও পড়ুন

যশোরের শার্শা সীমান্ত থেকে চালিয়ে ৩.৪ কেজি স্বর্ণসহ এক পাচারকারীকে আটক করেছে বিজিবি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) যশোরের শার্শা উপজেলার রুদ্রপুর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৩.৪ কেজি ওজনের ২৬টি স্বর্ণের বারসহ মোঃ রিপন (৪১) নামে এক স্বর্ণ

আরও পড়ুন

শাহজালালে কাস্টমস গোয়েন্দার বড় অভিযান: গ্রিন চ্যানেলে ৮১.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক, বাজারমূল্য ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃহযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (CIID)-এর অভিযানে দুই যাত্রীর কাছ থেকে শুল্কমুক্ত সীমার অতিরিক্ত মোট ৮১.৫০ লিটার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[২] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[৩][৪] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman