Somoy News BD

১৪ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

নারী বিষয়ক নবম ওআইসি মিনিস্ট্রিয়াল সম্মেলনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী’র নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের যোগদান

নিজস্ব প্রতিবেদক:
পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আয়োজিত ১২-১৩ জুলাই দু’দিনব্যাপী নারী বিষয়ক নবম ওআইসি মিনিস্ট্রিয়াল সম্মেলনে বাংলাদেশের মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল যোগদান করে। ইসলামাবাদের জিন্নাহ কনভেনশন সেন্টারে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিনিধিদলে অন্যান্যের মধ্যে রয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন এবং মন্ত্রীর একান্ত সচিব ড. মো. মাহমুদুল হক। এছাড়া পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোঃ ইকবাল হোসেন খান সম্মেলনে যোগদান করেন। সম্মেলনে ওআইসি সদস্যভুক্ত রাষ্ট্রসমূহের মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করছেন।
সম্মেলনের সাইড লাইনে গতকাল বাংলাদেশের সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা.আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন ইরানের নারী ও ফ্যামিলি বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট Zahra Behrouz Azar এর সাথে বৈঠক করেন। বৈঠককালে অন্যান্যের মধ্যে পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোঃ ইকবাল হোসেন খান এবং ইরানের ডেপুটি হেড অব মিশন Nabi Ollah Shirazi উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে অন্তর্ভুক্তিমূলক মানবিক সমাজ গঠনে ইসলামিক উম্মাহ’র পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী বিভিন্ন সেক্টরে বাংলাদেশে নারী উন্নয়ন ও অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন। নারীদের উন্নয়নে সাম্প্রতিক চালুকৃত ফ্যামিলিকার্ডের বিষয়টি তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারী ও শিশু এবং সামাজিক উন্নয়নে দু’দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার জানাযায় বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি নারীর উন্নয়নে বাংলাদেশকে রোল মডেল হিসেবে উল্লেখ করেন এবং নারীর উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহের ভূয়সী প্রশংসা করেন। শিক্ষা ক্ষেত্রে ইরানের নারীদের অগ্রগতির বিষয়টি তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তিনি নারীর উন্নয়নে মুসলিম উম্মাহ’র একসাথে কাজ করার অভিপ্র্রায় ব্যক্ত করেন এবং মন্ত্রীকে ইরান সফরের আমন্ত্রণ জানান।

Related Articles

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর মওকুফের অর্থ শিক্ষার গুণগত মান ও গবেষণায় ব্যবহারের আহ্বান জানান অর্থ মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ​বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর মওকুফের অর্থ শিক্ষার গুণগত মান ও গবেষণায় ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ​তিনি বলেন সরকারি নিয়ন্ত্রণের

আরও পড়ুন

শুধু পাঠ্যবই নয়; নতুন শিক্ষাব্যবস্থায় আসছে শিক্ষক গাইড, ওয়ার্কবুক, রেমিডিয়াল গাইড ও ভিডিও লেসন: ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের দক্ষ, সৃজনশীল ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার একটি সমন্বিত ও আধুনিক

আরও পড়ুন

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে উৎস পর্যায় থেকেই কীটনাশকের মান নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে উৎস পর্যায় থেকেই কীটনাশকের মান নিয়ন্ত্রণ জোরদার

আরও পড়ুন

নজরুল বর্ষের কর্মসূচি জনমুখী করার প্রত্যয়: শিল্পকলা একাডেমিতে জমকালো ‘শিল্পী সম্মেলন’ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় জীবন ও বাংলা সাহিত্যে সাম্যের কবি, দ্রোহের কবি, আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অসামান্য অবদানকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দিতে এবং

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman