Somoy News BD

৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সাথে ইউনেস্কো প্রতিনিধির নেতৃত্বে জাতিসংঘের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক-এর সাথে আজ সচিবালয়স্থ তাঁর অফিস কক্ষে ইউনেস্কো (UNESCO) বাংলাদেশ প্রতিনিধি প্রধান সুজান ভাইজ (Susan Vize) এর নেতৃত্বে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।এই প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন UNDP-এর ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ Sonali Dayaratne, UNWomen-এর পার্টনারসিপ এনালিস্ট Syeda Samara Mortada, UNFPA-এর টেকনিকাল অফিসার Habibur Rahman এবং ILO-এর কান্ট্রি অফিসার Gunjan B. Dallakoti। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই বৈঠকে বাংলাদেশের যুব উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের শুরুতেই প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত Youth Voice Mechanism (YVM) প্রকল্পের কার্যক্রম এবং এর বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোকপাত করা হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের তরুণদের কণ্ঠস্বরকে জাতীয় পর্যায়ে পৌঁছে দিতে এই প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরেন প্রতিনিধিরা। একই সাথে বর্তমান সময়ের চাহিদা অনুযায়ী জাতীয় যুব নীতি এবং যুব উদ্যোক্তা নীতিমালার কৌশলগত অগ্রাধিকারসমূহ নির্ধারণের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করা হয় এবং এ বিষয়ে সরকারের সহযোগিতা কামনা করা হয়।
সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রী ও প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। বিশেষ করে সমাজের সকল স্তরের তরুণদের অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ এবং তাদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে দুই পক্ষ কীভাবে একসাথে কাজ করতে পারে, সেই বিষয়গুলো আলোচনায় প্রাধান্য পায়। এছাড়া ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সম্ভাব্য অগ্রাধিকারমূলক ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করার বিষয়েও প্রাথমিক আলোচনা সম্পন্ন হয়।
বৈঠক শেষে প্রতিনিধি দল আশা প্রকাশ করেন যে, এই আলোচনার মাধ্যমে চলমান যুব উন্নয়ন কার্যক্রমগুলো আরও গতিশীল হবে। সরকারের সাথে জাতিসংঘের এই সমন্বয় বাংলাদেশের তরুণদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং আধুনিক ও কার্যকর যুব নীতি প্রণয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক প্রতিনিধি দলের প্রস্তাবনাগুলোকে সাধুবাদ জানান এবং বাংলাদেশের যুব সমাজের সার্বিক কল্যাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।

Related Articles

কোরিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে বাংলাদেশের ৮৪২৮ পণ্য

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (Comprehensive Economic Partnership Agreement-CEPA) নিয়ে নেগোসিয়েশন আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ এক বছরের আলোচনার পর

আরও পড়ুন

দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগেই মিলবে টেকসই সমাধান: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দূষণ নিয়ন্ত্রণ, কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগই টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে পারে

আরও পড়ুন

প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানেই উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবিকা নিশ্চিত হবে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা সুরক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির অন্যতম কার্যকর ও টেকসই উপায় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ

আরও পড়ুন

সারাদেশে নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিতে সকলের এগিয়ে আসার আহ্বান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১১ টায় বাংলাদেশ পর্যটন ভবনে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ক্রত্রিক প্রস্তাবিত মানিকগঞ্জ জেলা ভিত্তিক পর্যটন সার্কিট গঠন উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা শীর্ষক প্রস্তাবিত

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman