Somoy News BD

২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

ডিবি (ওয়ারী) বিভাগের অভিযানে ‘হানি-ট্র্যাপ’ চক্রের মূল হোতাসহ গ্রেফতার পাঁচজন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
রাজধানীর তুরাগ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে হানি ট্র্যাপ চক্রের মূল হোতাসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা (ওয়ারী) বিভাগ। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী।

ডিবি ওয়ারী বিভাগের একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন নজরদারি ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করে তুরাগ থানা এলাকার একটি আবাসিক ভবনে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- ১। জিৎ ভক্ত ওরফে আব্দুর রহমান (৩৮), ২। প্রীতম বিশ্বাস ওরফে অনিক শেখ (৩০), ৩। অর্থজীৎ ভক্ত ওরফে সিদ্ধার্থ (২০), ৪। সাবরিন কবির প্রেমা ওরফে নেহা (২২) এবং ৫। সাদিয়া ইয়াসমিন ওরফে মাহি (২১)। তাদের মধ্যে জিৎ ভক্ত ওরফে আব্দুর রহমান চক্রটির মূল হোতা বলে জানা গেছে।

অভিযানে তাদের কাছ থেকে পাঁচটি মোবাইল ফোন, তিনটি ফাঁকা চেক ও একটি টর্চার বেল্ট উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিবি ওয়ারী বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চক্রটির নারী সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া পরিচয়ে মধ্যবয়সী ও বয়স্ক ব্যবসায়ীসহ বিত্তবান পুরুষদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলত। পরে কৌশলে তাদের নির্ধারিত বাসা বা হোটেল কক্ষে ডেকে নেওয়া হতো। সেখানে চক্রটির পুরুষ সদস্যরা ভুক্তভোগীদের জিম্মি করে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও শারীরিক নির্যাতন করত। এ সময় আপত্তিকর অবস্থায় ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সেগুলো প্রকাশের হুমকি দিয়ে অর্থ আদায় করা হতো। এমনকি একবার অর্থ আদায়ের পরও ব্ল্যাকমেইল করে পুনরায় টাকা দাবি করা হতো বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে চক্রটির সদস্যরা ঘন ঘন বাসা ও আস্তানা পরিবর্তন করত। পাশাপাশি ভুয়া নামে নিবন্ধিত সিম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করত।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নগরবাসীকে সতর্ক থাকার এবং প্রতারণা বা ব্ল্যাকমেইলের শিকার হলে দ্রুত পুলিশকে অবহিত করার অনুরোধ জানিয়েছে। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে ডিএমপির গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Related Articles

১৪ তম হিফযুল কুরআন অ্যাওয়ার্ড ও কুরআন উৎসব।

মোঃআশরাফুল আলমঃ ১৭৫৯ জন হাফেয শিক্ষার্থীকে সম্মাননা, সম্মানিত হলেন তাঁদের গর্বিত পিতা-মাতা ও পবিত্র কুরআনের সুমধুর তিলাওয়াতে মুখরিত বিশাল মিলনায়তন, শুভ্র পোশাকে সজ্জিত হাজারো হাফেযের

আরও পড়ুন

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ ও খাদ্যশস্য সংরক্ষণে যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহায়তা চাইলেন খাদ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আমদানিকৃত খাদ্যশস্যের মান পরীক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদে খাদ্যশস্য সংরক্ষণে যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহায়তা চেয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি। আজ রোববার সচিবালয়ে  খাদ্যমন্ত্রীর অফিস

আরও পড়ুন

মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেনের উদ্যোগে দিনাজপুরের বিরামপুরে জব ফেয়ার ২০২৬ : ৮০টি দেশি ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে মিলবে তাৎক্ষণিক চাকুরির সুযোগ

দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ বর্তমান সরকার তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশ এবং যুবকদের জন্য টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বদ্ধপরিকর। সরকারের এই নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে

আরও পড়ুন

আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়া হবে বায়োগ্যাস প্লান্ট: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কক্সবাজার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ দেশের জ্বালানি সংকট কার্যকরভাবে মোকাবেলায় টেকসই বায়োগ্যাস প্রযুক্তি প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[২] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[৩][৪] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman