Somoy News BD

২১শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন বাস্তবায়নে ঢাকা মহানগরীর ২০টি জোনে গঠিত হচ্ছে বিশেষ কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
​প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও অনুশাসন অনুযায়ী ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা জোরদারকরণ, খালের সীমানা নির্ধারণ ও পুনঃখনন এবং বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জনে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় কর্তৃক একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতায় প্রতিটি আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের এলাকাভিত্তিক মোট ২০টি জোনে ২০টি বিশেষ তদারকি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকা উত্তরে ১০টি এবং ঢাকা দক্ষিণে ১০টি কমিটি কার্যক্রম পরিচালনা করবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তারা এসব জোনাল কমিটির প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দেবেন। জোনাল কমিটিগুলোতে স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, ঢাকা ওয়াসা, মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশল, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মেডিকেল উইং ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতিনিধি যুক্ত থাকবেন। কমিটির সাথে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ঢাকা মহানগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা জোরদারকরণ, খালের সীমানা নির্ধারণ ও পুনঃখনন এবং বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে আজ ১৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে এক পর্যালোচনা সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর।

​এছাড়া, ২০টি জোনাল কমিটির সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, পরিচালনা ও সমন্বয়ের জন্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে এক উচ্চপর্যায়ের মনিটরিং কমিটি গঠন করা হবে। এই মনিটরিং কমিটিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতিনিধি, সিটি কর্পোরেশনের অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা, ঢাকা ওয়াসা, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। এ সকল কমিটি সরেজমিনে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, খালের সীমানা চিহ্নিতকরণ ও খননকাজ জোরদার করার পাশাপাশি মশক নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে।

​উক্ত পর্যালোচনায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব মোঃ শহীদুল হাসান ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, ঢাকা ওয়াসা এবং ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

প্রকৌশলী সৈয়দ রাশেদুল হাসান কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রকৌশলী সৈয়দ রাশেদুল হাসান (রেজা) ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর এ

আরও পড়ুন

সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী

মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশের হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও

আরও পড়ুন

জাকজমকপূর্ণ আয়োজনে শুরু হলো ‘বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশনস ট্রফি’

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বর্ণিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল চার জাতি আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল টুর্নামেন্ট ‘বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশনস ট্রফি’।

আরও পড়ুন

চালকদের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা ও বিনামূল্যে চশমা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সড়ক ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে চালকদের জন্য বিশেষ দৃষ্টি পরীক্ষা ও বিনামূল্যে চশমা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার বাংলাদেশ সচিবালয়ে সড়ক

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[২] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[৩][৪] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman