Somoy News BD

৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

কুখ্যাত সন্ত্রাসী আরিফ সরদারের কাছে জিম্মি এলাকাবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
দেশ দুইবার স্বাধীন হলেও কুখ্যাত সন্ত্রাসী আরিফ সরদারের কাছে জিম্মি এলাকাবাসী।।
বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার চিংড়াখালি ইউনিয়নের কুখ্যাত সন্ত্রাসী, আরিফ সরদার, সাত লক্ষ (৭ লক্ষ) টাকা চাঁদা দাবি করছেন, এক প্রবাসী পরিবারের কাছে। আরিফ সরদার, চিংড়াখালী ইউনিয়নের  উত্তর চিংড়াখালি গ্রামের আওয়ামীলীগের দালাল (আওয়ামী যুবলীগ সদস্য) সন্ত্রাসী, সাবেক মেম্বার, মৃত লুৎফর রহমান সরদার (ওরফে লতু সরদার) এর ছেলে । চিংড়াখালী স্থানীয় বাজারে বিএনপির অফিসে আগুন দেয়ার ইন্দন দাতা আরিফ সরদার  গং। উক্ত তিন সন্ত্রাসী। ১। মোঃ আরিফ সরদার ২। মোঃ জামাল সরদার ৩। আমিনুল ইসলাম (জুলহাস) উত্তর চিংড়াখালী গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমান খান সাহেবের ছেলে সৌদি প্রবাসীর কাছে ৭ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে উক্ত সন্ত্রাসীদের দাপটে হাটবাজারে, রাস্তাঘাটে চলাফেরা করতে পারছে না তার পরিবারের সদস্যরা।
এলাকার চিহ্নিত আরিফ সরদার গ্রুপের সন্ত্রাসীরা বলেন, সাত লক্ষ টাকা না দিলে সৌদি প্রবাসীর পরিবারকে জানে মেরে ফেলা হবে , হত্যার হুমকি সহ নানান ধরনের হুমকি ধামকি ও ভয় ভীতি দেখানো হচ্ছে। এ কারণে উক্ত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে একাধিকবার মোরেলগঞ্জ থানায় মামলা হলেও কোন এক অদৃশ্য কারণে তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। উক্ত সন্ত্রাসীদেরকে আইনের আওতায় আনার দাবি করেছেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ সাধারণ জনগণ। সন্ত্রাসীদের ভয়ে নাম বলতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন অনেক ভুক্তভোগীরা। একটা নীরিহ পরিবারের উপর বার বার ভয়ভীতি,  অত্যাচার, নির্যাতন করা হচ্ছে অথচ এর কোন প্রতিকার নাই। সর্বদাই জীবননাশের ভীতি নিয়ে একটা পরিবার বসবাস করছে।
এরূপ সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি  দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
বর্তমান সরকার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করলেও অত্র এলাকার সন্ত্রাসীদের দাপট এবং অত্যাচার কমেনি। ফলে সন্ত্রাসীদের ভয়ে এলাকার নিরীহ লোকজন আতঙ্কের মধ্যে জীবন যাপন করছেন। উক্ত সন্ত্রাসী আইনের আওতায় না আনা হলে বিশ্ববরেণ্য নোবেল বিজয়ী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস ও তার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা কলঙ্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ হবে। এমত অবস্থায় উক্ত এলাকায় সন্ত্রাস ও চাদাবাজ নির্মূলে সরকার ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী

Related Articles

প্রবাসীবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে বেবিচক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা, অনিয়ম রোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের আহ্বান বিমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ ঢাকার কুর্মিটোলায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা)

আরও পড়ুন

নোয়াপাড়া নদীবন্দরে লাইটার জাহাজকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার প্রতিরোধে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অভিযান ও মোবাইল কোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ যশোরের নোয়াপাড়া নদীবন্দর এলাকায় লাইটার জাহাজসমূহকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার প্রতিরোধে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের গঠিত টাস্কফোর্স আজ (০৫ মার্চ ২০২৬) একটি অভিযান ও মোবাইল

আরও পড়ুন

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে শিক্ষা মন্ত্রীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬: মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভা আজ দুপুর ১২.০০ টায় অধিদপ্তরের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত

আরও পড়ুন

উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে ইউজিসিকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির মূল ভিত্তি হলো শিক্ষা।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman