নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী রোডের কনকর্ড ম্যাগনোলিয়ার ফ্ল্যাট মালিকরা সিআইডির একজন এসপি দ্বারা দীর্ঘদিন নির্যাতিত হয়ে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়ে ভুক্তভোগীরা গত ১৭/০৩/২০২৪ এবং ২০/১০/২০২৪ তারিখে রমনা থানার ওসিকে অভিযোগ দিলেও তারা কার্যকর কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। কনকর্ড ম্যাগনোলিয়া ফ্ল্যাট মালিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি মিজানুর রহমান জানান, এসপি শামীমা ইয়াসমিন নামে বেনামে ফ্ল্যাট নং-১/এ, ১/বি, ৫/এ এবং ৫/বি নম্বরের ৪টি ফ্ল্যাট রয়েছে। বসবাসের শুরু থেকেই তিনি আমাদের বিভিন্নভাবে হয়রানী করে আসছেন। যা উল্লেখ করে সিআইডি প্রধান, পুলিশ মহা পরিদর্শক এবং জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব বরাবর অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, রাজউক অনুমোদিত নকশা বর্হিভূতভাবে ফ্ল্যাটের আয়তন বাড়ানোর জন্য তিনি বিগত ২০১৭ সালের জুলাই থেকে অদ্যাবধি তার পোষ্য দুই তিন জন অনভিজ্ঞ নির্মাণ শ্রমিক দ্বারা প্রতিনিয়ত নির্মাণ কাজ করছেন। রায়উক কর্তৃপক্ষ এট্রেন নকসা বর্হিভূত অবৈধ কাজ বন্ধের জন্য গত ০২/০৬/২০২২ খ্রিঃ এবং ১১/০৮/২০২২ খ্রিঃ বিবাদীকে পরপর দুটি চিঠি ইস্যু করে যার যথাযণু ব্যবস্থা গ্রহণে রমনা থানাকে অনুলিপি প্রদান করে। কিন্তু অদ্যাবধি কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নাই। তাছাড়া গত ০৭/১২/২০২৪ খ্রিঃ রাজউকের নির্বাহী এ্যাজিস্ট্রেট, অথরাইজড অফিসার, ইঞ্জিনিয়ার এবং ইন্সপেক্টর উক্ত ভবনটি পরিদর্শন শেষে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় অবৈধ স্থাপনায় রেড মার্ক করে দেওয়ার পরেও বিবাদী কোন তোয়াক্কা না করে নির্মাণ কাজ করে যাচ্ছে। ভবন ফ্রাট মালিক সমিতি ও ভবন নির্মানকারী প্রতিষ্ঠানও একাধিকবার কাজ বন্ধের জন্য নোটিশ প্রদান করে। এখনই দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবনটি কাঠামোগতভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে যেকোন সময় একটা ভয়াবহ বিপর্যয় হলে, তার দায়ভার থানা কর্তৃপক্ষ কোনভাবেই উপেক্ষা করতে পারবে না। ভুক্তভোগীরা জানান, ২০১৯ সালের জানুয়ারী মাসে ভবন নির্মানকারী প্রতিষ্ঠান কমিটি গঠন করে দায়িত্ব হস্তান্তরের পর থেকে তিনি উপরোল্লিখিত ৪ টি ফ্ল্যাটের মালিক হওয়া সত্ত্বেও অদ্যাবধি কোনো সার্ভিস চার্জ প্রদান করছেন না যার বকেয়া প্রায় ১৭ (সতেরো) লক্ষ টাকা। ভবন মালিক সমিতি বিভিন্ন সময়ে মৌখিক এবং লিখিতভাবে সার্ভিস চার্জ প্রদানের জন্য তাগাদা দিলেও সার্ভিস চার্জ না দিয়ে উল্টো হুমকি-ধামকির মাধ্যমে উনার পুলিশি ক্ষমতা প্রয়োগ করেন। এতে করে একদিকে সকল ফ্ল্যাট মালিকগণ নিরাপত্তাহীনতায় বসবাস করাং, পাশাপাশি ভবনের ব্যয় নির্বাহে হিমশিম খাচ্ছি। তাছাড়া ভবনের ডিজেবল পার্ক, কমন স্পেস, অয়েডসহ বিভিন্ন স্থান সমূহ দীর্ঘদিন যাবৎ বেআইনিভাবে জোরপূর্বক দখল করে রেখেছেন এবং তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে বিধি বর্হিভূতভাবে কোন মামলা না থাকা সত্ত্বেও ভবন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া উক্ত ভবনের নিরাপত্তা সিস্টেম অর্থ্যাৎ সিসিটিভি-র ডিভিআর টি জোর করে ভবন থেকে বিবাদীর সিআইডি অফিসে নিয়ে বিগতদিনের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ড নষ্ট করে ফেলে। এমনকি সিসিটিভি- র হার্ডডিস্কটিও নষ্ট করে দেয়। এতে প্রতিবাদ করলে উল্টো মামলার হুমকি প্রদান করে। এ ব্যাপারে রমনা থানার ওসির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমরা অভিযোগ তদন্ত করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। ভুক্তভোগীরা বলেন, দীর্ঘদিন আইনের প্রতি আস্থাশীল থেকেও কোন সুফল পাইনি। তারা সরকারের কাছে প্রশ্ন রাখেন আইন যদি সবার জন্য সমান হয় তবে আমরা রাষ্ট্রের করদাতারা কেন বিগত ৮ বছর ধরে কোন প্রকার আইনী সহায়তা পাচ্ছি না। তারা দ্রুত বিষয়টির সুষ্ঠ সমাধাণ কামনা করেন।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত রাতুলকে আর্থিক সহায়তা দিলো বিজিবি
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত হয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকা রাইসুর রহমান রাতুল নামের একজন তার চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহ ও পরিবারের স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে