Somoy News BD

১লা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

প্রবাসীদের কল্যাণে ৯ দফা দাবি

মঞ্জুর: প্রবাসীদের মানবাধিকার রক্ষা ও তাদের নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে ৯ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে আন্তর্জাতিক প্রবাসী মানবাধিকার ফাউন্ডেশন। সেই সঙ্গে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সমর্থনে আরব আমিরাতে আটক প্রবাসীদের মুক্তির জন্য অন্তবর্তীকালীন সরকারকে উদ্যোগ নিতে আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনের নেতারা। সোমবার (১২ আগষ্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘হাসিনা কতৃক গুম, খুন, গণহত্যার প্রতিবাদ’ শীর্ষক আলোচনা সভা থেকে এ দাবি উপস্থাপন করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান এইচ এম মনিরুজ্জামান। সভার
আয়োজন করে ‘আন্তর্জাতিক প্রবাসী মানবাধিকার ফাউন্ডেশন।  ৯ দফা দাবি হল- দেশের জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে ২ কোটি প্রবাসীদের পক্ষে সমস্যা ও সমাধানের জন্য সংসদে কথা বলার জন্য প্রতিনিধিত্বকারী সংসদ সদস্য রাখতে হবে। প্রবাসে মারা গেলে মরদেহ বিনা খরচে দ্রুত দেশে আনতে হবে। এয়ারপোর্টে প্রবাসীদের এয়ারপোর্টে ভিআইপি সম্মান দিতে হবে। সিন্ডিকেট ভেঙ্গে নতুন ভিসা ও বিমানের টিকিটের দাম নির্ধারণ করতে হবে। প্রবাসীর পরিবারের জমি-জমা দখল বন্ধসহ তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রবাসীরা ১২ বৎসর পর অবসরে গেলে তাদের অবসর ভাতা দিতে হবে। সব প্রবাসীকে প্রবাসী স্মার্ট কার্ডের আওতায় আনতে হবে। প্রবাসীদের জন্য উন্নত চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা এবং শর্তহীনভাবে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে প্রবাসীদের লোনের ব্যবস্থা করতে হবে। আয়োজক সংগঠনের সভাপতি এইচ এম মনিরুজ্জামান বলেন, ‘শেখ হাসিনা কর্তৃক ২০২৪ সালের হত্যা একাত্তরকেও হার মানিয়েছে। আবু সাইদিসহ অসংখ্য-অগণিত মানুষকে হত্যা করেছে। দেশে এখনও বিভিন্ন চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে। গত ১৬ বছরে শুরু থেকে অদ্যবধি যারা গুম খুন নির্যাতিত হয়েছে, তাদের দ্বিতীয় প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধা ঘোষণা করে সম্মানীভাতা ও নিহত পরিবারকে চাকুরির ব্যবস্থা করতে হবে।’ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় তার পরিবারের হামলা মামলার তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বিগত ১৬ বছরের হেফাজত, বিডিআর, নিরস্ত্র ছাত্র হত্যা ও খেয়াল খুশি মত বিচারের নামে নিরীহ মানুষকে ফাঁসি এবং আয়নাঘর বানিয়ে মানুষকে খুনের নির্দেশদাতা হিসেবে শেখ হাসিনাকে আইনের মাধ্যমে তার বিচার দাবি জানাই।’দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন তিনি। আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা মো. সেলিম, নজরুল ইসলাম, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম, প্রবাসীবিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান মোল্লা প্রমুখ।

Related Articles

সম্মানজনক মার্কিন পুরস্কার পাওয়ায় জুলাই কন্যাদের প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অসীম সাহসিকতার প্রতীক আমাদের জুলাই কন্যাদের প্রতি, ২০২৫ সালের যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মর্যাদাপূর্ণ ‘আন্তর্জাতিক সাহসী নারী’ পুরস্কার অর্জন করায় তোমাদের সবাইকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন

আরও পড়ুন

আজকের শিশুরা আগামীদিনের জাতির শ্রেষ্ঠ সম্পদঃশারমিন এস মুরশিদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, আজকের শিশুরা আগামীদিনের জাতির শ্রেষ্ঠ সম্পদ। তাদের লেখাপড়া, তাদের কর্মজীবনে এগিয়ে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২৫: বৈশ্বিক বিনিয়োগের দুয়ার খুলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামী ৭-১০ এপ্রিল রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)’র আয়োজনে “বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২৫” অনুষ্ঠিত হবে। সামিটের মূল লক্ষ্য

আরও পড়ুন

এয়ারলাইন্সগুলো এয়ারলাইন্সগুলোর টিকিট ভাড়া কমাতে সরকারে সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানলো আটাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: সৌদি আরবগামী ফ্লাইটসহ বিভিন্ন গন্তব্যে এয়ারলাইন্সগুলোর টিকিট ভাড়া ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনতে সক্ষম হওয়ায় সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman

এই বিভাগের আরও