Somoy News BD

ব্রেকিং নিউজ

ছাত্র আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীদের সাথে কুবি উপাচার্যের মতবিনিময়

কুবি প্রতিনিধি:
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ও চিকিৎসাধীন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সাথে মতবিনিময় করেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী৷ এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রোভিসি অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. সোলায়মান এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম।

রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময়কালে ফাতেমাতুজ জোহরা মিম বলেন, ‘১১ জুলাই যখন আমার ভাইয়েরা পুলিশের বর্বরতার শিকার হয় তখন আমরা হল থেকে কয়েকজন মেয়ে বের হয়ে সামনের সারিতে থেকে আন্দোলনে যোগ দিই। পরের দিনগুলোতে ফ্রন্টলাইনে ছিলাম, নিজেও আহত হয়েছি এসব বলতে চাচ্ছিনা। কিন্তু ১৮ জুলাই রাতে আমাদের হল থেকে বের করে দেওয়া হয় আমরা তখন একটা মেসে আশ্রয় নিই এবং সেখানেও হামলার চেষ্টা করা হয়। আমি চাই এসব বর্বরতার সাথে জড়িত সকলের শাস্তি হোক।’

আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ও সমন্বয়কদের অন্যতম মোহাম্মদ সাকিব হোসাইন বলেন, ‘১১ তারিখে আমরা কুবি শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে প্রথম হামলার শিকার হই। তখন আমাদের দুই হলের বোনেরা আমাদের ঢাল হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছিলো। সব হলের, মেসে এবং সব জায়গার শিক্ষার্থীদের অবদানে আমাদের আন্দোলন সফল হয়েছে। আমি শ্রদ্ধাভরে সকল শহীদকে স্মরণ করছি। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি নতুন প্রশাসন এসেছে। তারা সেই স্বৈরাচারের আমলে ভাবতেও পারতো না তারা এখানে আসতে পারবে। কিন্তু তাদের যথেষ্ট যোগ্যতা ছিল। তারা আমাদের এই আন্দোলনের জন্য এই জায়গায় আসতে পেরেছে বলে মনে করি। আমি আশাকরি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সুন্দর একটি বাংলাদেশ গড়তে সাহায্য করবেন। আমি আশাকরি এই বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণের কোন বিভেদ আর থাকবে না।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বলেন,  ‘আমি শিক্ষার্থীদের সকল কথা শুনেছি। সকল দাবিই যৌক্তিক। আমাদের এসব দাবি পূরণের তীব্র ইচ্ছা থাকলেও সক্ষমতা কম রয়েছে। দুটো হলের নাম পরিবর্তন করেছে শিক্ষার্থীরা তবে অফিশিয়ালি পরিবর্তন করতে একটু সময়ের দরকার। আব্দুল কাইয়ুমের নামে আমরা যে চত্বর করবো সেটির কাজ দ্রুত হবে, একাডেমিক কাউন্সিলের সাথে মিটিং করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীদের সাহায্য করার ইচ্ছা থাকলেও হয়তো সম্ভব হবেনা কারণ এগুলো অনেক ব্যয়বহুল। তবে আমরা আহতদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা পেলে  উপদেষ্টাদের কাছে তা পাঠিয়ে দিবো। তারা সাহায্য করবেন বলে আশাবাদী। নতুন ক্যাম্পাসের প্রকল্পের সাথে যারা আছেন তাদের সাথে কথা বলেছি আমরা নতুন ক্যাম্পাস ২০২৫ সালের জুনে হস্তান্তরের কথা থাকলেও তা তারা ২০২৫ এর ডিসেম্বরে হস্তান্তর করতে পারবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।’

Related Articles

নৌপরিবহন উপদেষ্টার সাথে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ –

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকায় নিযুক্ত আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আবদেলোহাব সাইদানি নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

আরও পড়ুন

১৭ জন অস্বচ্ছল, অসুস্থ, আহত ও অসমর্থ ক্রীড়াসেবীদের মাঝে ২৭ লক্ষ ৬২ হাজার টাকা চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সোমবার সকাল ১০:০০ ঘটিকায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন কার্যালয়ে অস্বচ্ছল, অসুস্থ, আহত ও অসর্মথ ক্রীড়াসেবী এবং তাঁদের

আরও পড়ুন

পলিথিনের বিকল্প হিসেবে কাপড় ও পাটের ব্যাগ ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। – পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

নিজস্ব প্রতিবেদক: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, আমাদের জীবনের প্রতিটি স্তরে প্লাস্টিকের ব্যবহার সীমিত করতে

আরও পড়ুন

শিশু শ্রম নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন: শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, শিশু শ্রম নিরসনে প্রয়োজন সকল মন্ত্রণালয়ের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman