Somoy News BD

২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

Developing Nationally-defined Social Protection Plan for Working age Persons in Bangladesh’’ শীর্ষক ত্রিপক্ষীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আজ ঢাকার একটি হোটেলে *”Developing Nationally-defined Social Protection Plan for Working age Persons in Bangladesh” শীর্ষক এক ত্রিপক্ষীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও এডিবি-এর আয়োজনে এ সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব এএইচএম সফিকুজ্জামান।

সংলাপে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শ্রম সচিব বলেন, “আইএলও কনভেনশন-১৩৮ ‘‘ অনুযায়ী শিশুশ্রম বন্ধে সরকার বদ্ধপরিকর। পাশাপাশি শ্রমিকদের চিকিৎসা, শিক্ষা ও মাতৃত্বকালীন ছুটির সুবিধা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করছি। গাজীপুরে শ্রমিকদের জন্য একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়েও আলোচনা চলছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এর কনভেনশন/ রেটিফিকেশন ১৮৭ ও ১৫৫ জন্য অনুস্বাক্ষরের বিষয়ে ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদ (টিসিসি) সকল সদস্য একমত পোষণ করেন। কনভেনশন ১৯০ অনুস্বাক্ষরের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এছাড়াও অতিরিক্ত সচিব (শ্রম) এর নেতৃত্বে গঠিত কমিটি কর্তৃক শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হচ্ছে। উক্ত প্রতিবেদনের আলোকে শ্রম আইন সংশোধনসহ বাস্তবায়ন কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, চা বাগানের শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, বসবাসের উন্নত পরিবেশ, নারী শ্রমিকদের জন্য স্যানিটেশন সুবিধা ও পানির ব্যবস্থা, অসুস্থ শ্রমিকদের চিকিৎসা এবং শিশুদের প্রাথমিক ও কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করা হচ্ছে। এছাড়াও  EIS , sickness, maternity , Injury সহ সোস্যাল ইন্সুরেন্স কন্ট্রিবিউটরি ফান্ডসহ সুনির্দিষ্ট প্ল্যানসহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে।

শ্রম সচিব শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের বিভিন্ন সেবার কথাও তুলে ধরেন। এসব কেন্দ্রে শ্রমিকদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, আইনি পরামর্শ, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ ও বিনোদনের ব্যবস্থা রাখা হবে। এছাড়া কর্মক্ষেত্রে আহত শ্রমিকদের পুনর্বাসনের জন্য সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

এ সময় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক , শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিকেএমইএ সভাপতি,  বিজিএমইএ প্রতিনিধি, শ্রমিক প্রতিনিধি এবং আইএলও-এর প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেনের উদ্যোগে দিনাজপুরের বিরামপুরে জব ফেয়ার ২০২৬ : ৮০টি দেশি ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে মিলবে তাৎক্ষণিক চাকুরির সুযোগ

দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ বর্তমান সরকার তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশ এবং যুবকদের জন্য টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বদ্ধপরিকর। সরকারের এই নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে

আরও পড়ুন

আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়া হবে বায়োগ্যাস প্লান্ট: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কক্সবাজার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ দেশের জ্বালানি সংকট কার্যকরভাবে মোকাবেলায় টেকসই বায়োগ্যাস প্রযুক্তি প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় সিআইডির অভিযানে গ্রেফতার ১

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গত ২০ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত ১০টা ৩০ মিনিটে সিআইডির একটি চৌকস দল মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানাধীন বদরপাশা ইউনিয়নের দুর্গাবর্দী গ্রামে অভিযান চালিয়ে

আরও পড়ুন

প্রকৌশলী সৈয়দ রাশেদুল হাসান কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রকৌশলী সৈয়দ রাশেদুল হাসান (রেজা) ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর এ

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[২] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[৩][৪] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman