Somoy News BD

৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

গণভোটে “হ্যাঁ” সিল দেয়ার আহ্বান জানিয়ে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের বার্তা

প্রিয় দেশবাসী,

আসসালামু আলাইকুম।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান জাতির ইতিহাসে এক অসাধারণ অর্জন। এটি অপ্রত্যাশিতভাবে জাতির জীবনে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ এনে দিয়েছে। এই লক্ষ্যে আমরা এর মধ্যে বেশ কিছু সংস্কার করেছি। আরও গভীর ও সুদুরপ্রসারী সংস্কারের জন্য দেশের সকল রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদ প্রণয়ন করেছি।

এই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আপনাদের সম্মতি প্রয়োজন। এর জন্য গণভোটের আয়োজন করা হচ্ছে। এই গণভোটে অংশ নিন। সনদে আপনার সম্মতি দিন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। গণভোটে আপনি “হ্যাঁ” ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ আর নিপীড়ন থেকে মুক্ত হবে বাংলাদেশ।

গণভোটে “হ্যাঁ” ভোট মানে—

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করবে।

সরকার ইচ্ছেমতো সংবিধান পরিবর্তন করতে পারবে না; গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের জন্য জনগনের সম্মতি নিতে হবে।

এতে আরও বলা আছে, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদের গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সভাপতিরা নির্বাচিত হবেন।

একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।

বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে।

সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়বে।

ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।

আপনার মৌলিক অধিকার আরও সুরক্ষিত হবে।

রাষ্ট্রভাষা বাংলার পাশাপাশি অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর ভাষাও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি পাবে।

দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না।

সব ক্ষমতা একজন প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকবে না।

এবং এরকম আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব এর মধ্যে রয়েছে।

আমি আপনাদের সকলের প্রতি আহ্বান জানাই, আগামী নির্বাচনে গণভোটে অংশ নিন। রাষ্ট্রকে আপনার প্রত্যাশামতো গড়ে তোলার জন্য “হ্যাঁ”-তে সিল দিন।

নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবি এখন আপনার হাতে।

“হ্যাঁ” তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে। “হ্যাঁ”-তে আপনি নিজে সিল দিন, আপনার পরিচিত সবাইকে সিল দিতে উদ্বুদ্ধ করুন এবং তাদেরকে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে আসুন। দেশ পাল্টে দিন।

ইনশাআল্লাহ আমরা সবাই মিলে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিব।

মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। ধন্যবাদ।

Related Articles

দোষারোপের সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে পরস্পরের প্রতি সংবেদনশীল আচরণ করতে হবে- উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দোষারোপের সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে পরস্পরের প্রতি সংবেদনশীল আচরণ করতে হবে- বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ; সড়ক পরিবহন ও সেতু; এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের

আরও পড়ুন

আশুলিয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি-কামাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আল-শাহরিয়ার বাবুল খান

বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকার অদুরে শিল্পাঞ্চল এলাকা আশুলিয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা-২০২৬ইং অনুষ্ঠিত হয়েছে।রবিবার(১ ফেব্রুয়ারি)সন্ধ্যা ৭টায় রিপোর্টার্স ক্লাবের কার্যালয়ে এক জরুরী সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।এসময়

আরও পড়ুন

উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো বাংলাদেশ লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এক্সপো ২০২৬-এর দ্বিতীয় সংস্করণ

মঞ্জুর: দেশের লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের সক্ষমতা, উদ্ভাবন ও সম্ভাবনা তুলে ধরতে বাংলাদেশ লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এক্সপো ২০২৬-এর দ্বিতীয় সংস্করণ আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার ২ ফেব্রুয়ারি

আরও পড়ুন

ঢাকায় শুরু হচ্ছে ‘বাংলাদেশ লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এক্সপো ২০২৬’

মঞ্জুর: দেশের লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতকে প্রতিযোগিতামূলক ও রফতানিমুখী করতে  রাজধানীর শহীদ আবু সাঈদ আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এক্সপো ২০২৬’।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman