Somoy News BD

১০ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

জাতীয় নির্বাচনে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করার জন্য নির্বাচনে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।

উপদেষ্টা আজ দুপুরে রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬’ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে রংপুর বিভাগীয় প্রশাসন আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ নির্দেশ দেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন র‌্যাব (এসআইএফ)-এর মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান বিপিএম, বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (অপরাধ ও অপস) খন্দকার রফিকুল ইসলাম বিপিএম এবং বিজিবি’র অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস এন্ড ট্রেনিং) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ সোহরাব হোসেন ভূঁইয়া, এনডিসি, পিএসসি প্রমুখ। মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তৃতা করেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শহিদুল ইসলাম এনডিসি। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি আমিনুল ইসলাম ও রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মজিদ আলী বিপিএম।

নির্বাচনে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না। জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। ভোটের আগে, ভোটের দিন এবং ভোট পরবর্তী সময়ে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব প্রদর্শন করতে হবে। তিনি বলেন, আপনাদের সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বই হবে এই নির্বাচনের মূল শক্তি। তিনি আরো বলেন, ব্যালট বাক্স ছিনতাই হলে বা ভোটকেন্দ্রে কোনো অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং/সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও প্রিজাইডিং অফিসারসহ কেউ ছাড় পাবে না। তিনি এ সময় জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে- এবারের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্রের প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবে।

উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে প্রতিবন্ধকতা ও বাধা সৃষ্টি করতে পারে এমন দুষ্কৃতিকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত ও প্রভাবিত করতে পারে এমন যেকোন ধরনের অপতৎপরতা ও কার্যক্রম কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। তিনি বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনি পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য নির্বাচন পূর্ববর্তী ০৪ (চার) দিন নিবিড় টহল পরিচালনা করতে হবে। চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকায় টহল কার্যক্রম বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে নিবিড়ভাবে পরিচালনা করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বলেন, এবার নির্বাচনে গতানুগতিক বিষয় ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার থাকছে। ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ’, বডি ওর্ণ ক্যামেরা, সিসিটিভি, ড্রোন সহ অন্যান্য প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। তাছাড়া এবারই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য (প্রায় ৯ লক্ষ) মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি বলেন, এবার প্রিজাইডিং অফিসার সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। তার সঙ্গে একজন অস্ত্রধারী আনসার সহ প্রতিটি কেন্দ্রে কমপক্ষে ৫-৬ জন অস্ত্রধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবে। তাছাড়া স্ট্রাইকিং ফোর্স ও টহল টিম তো থাকছেই। তিনি আরো বলেন, যেকোনো কাজের সফলতা নির্ভর করে সঠিক নিয়তের ওপর। তাছাড়া জাতিগতভাবে সকলের চাওয়া হচ্ছে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন। সিনিয়র সচিব এসময় সঠিক নিয়ত, ধৈর্য ও মনোবল অটুট রেখে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ নির্বাচন উপহার দেয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মতবিনিময় সভায় রংপুর বিভাগের সকল জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, আঞ্চলিক/জেলা/উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও বিজিবি’র রংপুর বিভাগের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সকল উপ-পুলিশ কমিশনার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, রংপুর বিভাগের মধ্য দিয়ে আমাদের জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষ্যে বিভাগীয় পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষ হয়েছে। এ বিভাগের প্রস্তুতি ভালো রয়েছে। তিনি বলেন, রংপুর বিভাগের মানুষ অন্যান্য বিভাগের তুলনায় শান্তিপূর্ণ। তাই এ বিভাগে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করছি। এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে কারচুপির কোনো আশঙ্কা নেই। শতভাগ স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

Related Articles

শেভরন বাংলাদেশ এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সংবাদ সম্মেলন

শেভরন বাংলাদেশ এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সংবাদ সম্মেলন মঞ্জুর: জ্বালানি খাতে শতভাগ বৈদেশিক মুদ্রার বিনিয়োগ কৃত কোম্পানিতে ৫% শ্রমিক মুনাফা অংশগ্রহণ তহবিল (WPPF) অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে

আরও পড়ুন

গত সাত দিনব্যাপী নৌ পুলিশের চলমান বিভিন্ন অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ জাল, মাছ ও মাছের পোনা উদ্ধারসহ আটক ২৬৫ জন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নৌ পথে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নৌ পুলিশ দেশব্যাপী বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করছে। গত সাত দিনব্যাপী নৌ পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে

আরও পড়ুন

সমাজ ও রাষ্ট্রে আলকুরআন বিরোধী সংবিধান বহাল রেখে সরকার পরিবর্তন হলেও জাতির কোন কল্যাণ হবে নাঃ                                                                                                                       আমীর, ইসলামী সমাজ

মঞ্জুর: ‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হযরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় মানুষের সার্বভৌমত্বই সমাজ ও রাষ্ট্রের মূল সমস্যা। গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা এবং মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান আযাব- গজবেরই পথ একথার উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মৌলিক সমস্যা ৩টি: (১ম) মৌলিক সমস্যা- ইসলাম ও মানবতা বিরোধী মতবাদ গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান। (২য়) মৌলিক সমস্যা- আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের আনুগত্য স্বীকার এবং (৩য়) মৌলিক সমস্যা- আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের ধারক-বাহক নেতা বা সরকারের আনুগত্য স্বীকার। তিনি বলেন, মূল সমস্যা ও মৌলিক সমস্যা সমূহের সমাধান না হলে কোন সমস্যার’ই প্রকৃত সমাধান হবে না । বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু মূল সমস্যা ও মৌলিক সমস্যা সমূহের সমাধান হয়নি বিধায়; জাতীয় জীবনে দিন দিন সমস্যা বেড়েই চলছে। সমাজ ও রাষ্ট্রে আলকুরআন বিরোধী সংবিধান বহাল রেখে সরকার পরিবর্তন হলেও সমস্যাবলীর সমাধানের পরিবর্তে সমস্যা আরও বৃদ্ধি পাবে- একথার উল্লেখ করে তিনি বলেন শেখ হাসিনা আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের অধীনে থেকেই একনাগারে প্রায় ১৬ বছর ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফ্যাসিবাদ কায়েমের মাধ্যমে প্রশাসনকে তার গোলামে পরিণত করেছিল এবং পুরো জাতিকে তার গোলামে পরিণত করার আয়োজন করেছিল। আলকুরআনের পরিবর্তে কুরআন বিরোধী সংবিধান মেনে চলার কারণেই আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন তার প্রতি চরম অসন্তুষ্ট হয়ে তাকে এবং তার দলকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে কঠিন বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলে দিয়েছেন। এ বিপর্যয় মূলতঃ তার এবং তার দলের উপর আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আযাব-গজবেরই অংশ। ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং, বৃহস্পতিবার, সকাল ১১:০০ টায়, জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে “সমাজ এবং রাষ্ট্রের মূল সমস্যা ও মৌলিক সমস্যা সমূহ এবং সমাধানের উপায়” বিষয়ে সাংবাদিক ও সূধীজনদের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় ‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হলেও দেশ ও জাতির মানুষ আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আযাব-গজব থেকে মুক্ত হবে না, কারণ যারাই ক্ষমতায় আসবেন তারা ইসলাম ও মানবতা বিরোধী সংবিধান সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি বলেন, সকল সমস্যার একমাত্র সমাধান- আযাব-গজবের পথ গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান ত্যাগ ও অমান্য করে মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করা। একমাত্র সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সার্বভৌমত্বের অধীনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা:) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে কল্যাণকর ও পরিপূর্ণ একমাত্র সংবিধান আলকুরআনের আইন-বিধান দিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনা করা, যা কল্যাণ ও মুক্তির একমাত্র পথ। এ পথেই মানুষের জীবনে সুশাসন ও ন্যায় বিচার নিশ্চিত হবে, সকল মানুষের সকল ন্যায্য অধিকার আদায় ও সংরক্ষণ হবে, সকল ধর্মের লোকেরা যার যার ধর্ম শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে পারবে এবং দুর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত ইনসাফ ভিত্তিক কল্যাণকর সমাজ ও রাষ্ট্র গঠিত হবে। কল্যাণ ও মুক্তির পথেই ‘ইসলামী সমাজ’ এগিয়ে চলছে- একথার উল্লেখ করে দলমত নির্বিশেষে সকলকে তিনি কল্যাণ ও মুক্তির পথে জীবন গড়ার লক্ষ্যে ইসলামী সমাজে শামিল হওয়ার আহবান জানান ৷ ‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর সহকারী দায়িত্বশীল, আবু জাফর মুহাম্মাদ সালেহ’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-২ এর দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইয়াছিন এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, সোলায়মান কবীর, আমীর হোসাইন, মোঃ আলী জিন্নাহ্, আজমুল হক, মোঃ নুরুদ্দিন, মোঃ সেলিম মোল্লা,, সাইফুল ইসলাম মিঠু ও হাফিজুর রহমান প্রমুখ ।  

আরও পড়ুন

দোষারোপের সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে পরস্পরের প্রতি সংবেদনশীল আচরণ করতে হবে- উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দোষারোপের সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে পরস্পরের প্রতি সংবেদনশীল আচরণ করতে হবে- বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ; সড়ক পরিবহন ও সেতু; এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman