Somoy News BD

৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

তারেক রহমান ও বিএনপির ঐতিহাসিক জয় ঢাকাস্থ পার্বত্য চট্টগ্রাম সমিতি’র অভিনন্দন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশনায়ক জনাব তারেক রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের ঐতিহাসিক নিরঙ্কুশ বিজয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে ঢাকাস্থ পার্বত্য চট্টগ্রাম সমিতি। এক বিবৃতিতে এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং ‘রেইনবো নেশন’ বা বৈষম্যহীন নতুন এক রাষ্ট্র গঠনের ম্যান্ডেট দিয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনের নেতারা। একই সাথে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা দলের নির্বাচিতদেরও শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানিয়েছে ঢাকাস্থ পার্বত্য চট্টগ্রাম সমিতি।

সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক, গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক এ এইচ এম ফারুক, সিনিয়র সহ-সভাপতি মিতায়ন চাকমা এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া এক যৌথ বিবৃতিতে এ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, “তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফার ওপর আস্থা রেখে পাহাড় ও সমতলের মানুষ এক হয়ে ম্যানডেট দিয়েছেন। এই বিজয় প্রমাণ করে যে, দেশের মানুষ শান্তি, শৃঙ্খলা এবং সুষম অধিকারের রাজনীতি চায়।”

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও উন্নয়নের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করি। বিশেষ করে তারেক রহমানের অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয়তাবাদের দর্শনে পাহাড়ের প্রতিটি জাতিগোষ্ঠী তাদের সাংবিধানিক অধিকার খুঁজে পাবে। আমরা বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ জোটের সকল নেতা-কর্মীদের দেশপ্রেম ও ত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন জানাই।”

বিবৃতিতে পাহাড়ের তিনটি সংসদীয় আসনেই জাতীয়তাবাদী শক্তির বিপুল বিজয়ে খাগড়াছড়ি থেকে নির্বাচিত জনাব আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁঞা, রাঙামাটি থেকে নির্বাচিত জনাব অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান এবং বান্দরবান থেকে নির্বাচিত জনাব সাচিং প্রু জেরি-কে বিশেষভাবে অভিনন্দন জানানো হয়।
সভাপতি এ এইচ এম ফারুক বলেন, “এই তিন সুযোগ্য নেতার বিজয় পাহাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও মুক্তির সনদ। জনাব ওয়াদুদ ভূঁইয়ার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ানের আইনি প্রজ্ঞা এবং জনাব সাচিং প্রু জেরির অন্তর্ভুক্তিমূলক নেতৃত্ব আগামী দিনে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রশাসনিক সংস্কার ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় মাইলফলক হয়ে থাকবে। তারা সংসদে পাহাড়ের গণমানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠবেন এবং পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।”

শুভেচ্ছাবার্তায় নতুন সরকারের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করা হয় এবং পাহাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক ও ভূমি সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

Related Articles

প্রশংসায় ভাসছেন আশুলিয়া থানার ওসি মোঃ রুবেল হাওলাদার

মোঃ আল-শাহরিয়ার বাবুল খানঃ বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একজন সফল পুলিশ পরিদর্শক মোঃ রুবেল হাওলাদার।পেশাদারিত্ব আর মানব সেবাই যার একমাত্র ব্রত।পেশাগত দায়িত্ব পালন তিনি ঈর্ষণীয় সাফল্যের

আরও পড়ুন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরের জাল সিল তৈরির চেষ্টার অভিযোগে মোঃ আবু তৈয়বকে আটক করেছে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরের জাল সিল তৈরির চেষ্টার অভিযোগে মোঃ আবু তৈয়ব (৪৩) নামক এক ব্যক্তিকে আজ আটক করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর

আরও পড়ুন

মৎস্যজীবী থেকে ভোক্তা-সবাইকে জাটকা সংরক্ষণে এগিয়ে আসতে হবে — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, জাটকা নিধন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে এবং এ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন কঠোরভাবে মেনে

আরও পড়ুন

বিশ্বব্যাপী সংঘাতময় পরিস্থিতি আল্লাহর গজবের ফল: ইসলামী সমাজের আমীর

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী সমাজের আমীর হযরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী চলমান সংঘাত, সংঘর্ষ ও অস্থিরতা মূলত আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আযাব-গজবেরই বহিঃপ্রকাশ। তিনি দাবি

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman