Somoy News BD

১লা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

নদীতে খাদ্যপণ্যবাহী লাইটার জাহাজ নোঙর করে পণ্য খালাসে বিলম্ব: কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ নৌপরিবহন মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
নির্ধারিত সময়ে আমদানিকৃত গম ও ভুট্টাবাহী লাইটার জাহাজ থেকে খাদ্যপণ্য গুদামে খালাস না করে দীর্ঘদিন নদীতে নোঙর করে রাখার ঘটনায় জড়িত প্রতিষ্ঠানসমূহের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন নৌপরিবহন, সড়ক ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি।

আজ ( ২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে মুন্সিগঞ্জ জেলার ধলেশ্বরী নদী এলাকায় আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রী দেখতে পান, কয়েকটি লাইটার জাহাজ ৬ থেকে ১৮ দিন পর্যন্ত খাদ্যপণ্যসহ নোঙর করে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী এসব পণ্য দ্রুত নির্ধারিত গুদামে খালাস করার কথা থাকলেও তা যথাসময়ে করা হয়নি।

নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, খাদ্যপণ্য জাহাজে অযৌক্তিকভাবে ফেলে রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা অধিক মুনাফা অর্জনের কোনো অপচেষ্টা বরদাশত করা হবে না। এতে বাজার ব্যবস্থাপনা ও ভোক্তা স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সরকার এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অধীনে গঠিত টাস্কফোর্স নিয়মিতভাবে নদীপথে অভিযান ও তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গত দেড় মাসে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও যশোর অঞ্চলে মোট ৮৩৮টি জাহাজ পরিদর্শন করা হয়েছে। অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকল আমদানিকারক, পরিবহনকারী ও ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত বিধি-বিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করার আহ্বান জানান এবং খাদ্যপণ্য দ্রুত খালাস ও যথাযথ সংরক্ষণ নিশ্চিত করার নির্দেশ প্রদান করেন

Related Articles

ইসলামী শরিয়তের বিধান এবং ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সারাবিশ্বে একই দিনে রোজা-ঈদ পালন করা সম্ভব নয়

মঞ্জুর: বাংলাদেশ হেলাল কমিটির উদ্যোগে চান্দ্রমাসের সঠিক তারিখ নির্ণয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও বিভ্রান্তি নিরসন বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলন শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় যে, বিগত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহার চাঁদ দেখা ও আমলের

আরও পড়ুন

প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের ওপর হামলার ঘটনায় দুই মাসের মধ্যে চার্জশিট দাখিলের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের ওপর হামলার ঘটনায় আগামী দুই মাসের মধ্যে সুষ্ঠু তদন্ত করে চার্জশিট দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

আরও পড়ুন

আল-কুরআন সংবিধান দিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনার জন্যই রমযান মাসে আল-কুরআন নাযিল করা হয়েছে                                                                                               – আমীর, ইসলামী সমাজ

মঞ্জুর: শুক্রবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং, বিকাল ৩ ঘটিকায়, ‘ইসলামী সমাজ’ এর পল্টন অফিসে “কুরআন নাযিলের উদ্দেশ্য এবং তা বাস্তবায়নের উপায়” বিষয়ে মতিবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মতবিনিময় সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, পবিত্র রমজান মাসে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁরই সর্বশেষ নাবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা:) এর উপর পবিত্র আল-কুরআন নাযিলের কাজ শুরু করে ২৩ বছরে পুরো কুরআন নাযিল সু-সম্পন্ন করেন এবং আল-কুরআনের আইন-বিধানের ভিত্তিতে মদীনায় পরিপূর্ণ ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন। আল-কুরআনই মানুষের সমাজ ও রাষ্ট্রসহ সমগ্র জীবনের জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামীন প্রদত্ত কল্যাণকর ও পরিপূর্ণ একমাত্র সংবিধান। তিনি বলেন, দীর্ঘকাল পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রতিটি দেশে আল-কুরআন বিরোধী সংবিধান প্রতিষ্ঠিত হয়ে আছে। বাংলাদেশে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় গণতন্ত্রের ভিত্তিতে আল-কুরআন বিরোধী সংবিধান প্রতিষ্ঠিত থাকায় দেশ ও জাতির মানুষ দুর্ভোগ ও অশান্তিতে কাল কাটাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আল-কুরআন বিরোধী সংবিধানের অধীন থেকে দেশ ও জাতির মানুষকে মুক্ত করে আল-কুরআনের আইন-বিধানের ভিত্তিতে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর অনুসরণ ও অনুকরণে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠিত এবং পরিচালিত হলেই মানুষের জীবনে সুশাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হবে, সকলের সকল ন্যায্য অধিকার আদায় ও সংরক্ষণ হবে, সকল ধর্মের লোকেরা যার যার ধর্ম শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে পারবে, ফলে দুর্নীতি ও বৈষম্য মুক্ত কল্যাণকর সমাজ ও রাষ্ট্র গঠিত হবে। তখনই আল-কুরআন নাযিলের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন হবে। সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, গণতন্ত্রের অধীনে জোট-ভোট ও নির্বাচন বা সশস্ত্র লড়াই ইত্যাদির কোনটাই আল-কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠায় ঈমানদারগণের রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব লাভে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতি নয়! ঈমান ও ইসলামের দাওয়াতের মাধ্যমে মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে গঠিত ও পরিচালিত জাহিলি সমাজের বিপরীতে ‘ইসলামী সমাজ’ গঠন আন্দোলন’ই আল কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠায় ঈমানদারগণের রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব লাভের কুরআন ও সুন্নাহ সম্মত পদ্ধতি।‘ইসলামী সমাজ’ আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতেই গণতন্ত্র ও আল-কুরআন বিরোধী সকল সংবিধানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ এবং দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রে আল-কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার আন্তরীক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আল-কুরআন বিরোধী সংবিধানের অধীন থেকে দেশবাসীকে মুক্ত করার লক্ষ্যে দলমত নির্বিশেষে সকলকে তিনি সমাজ ও রাষ্ট্রে আল-কুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার শান্তিপূর্ণ প্রচেষ্টায় শামিল হওয়ার আহবান জানান। মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশায় নিয়োজিত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন।  ইসলামী সমাজ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর সহকারী দায়িত্বশীল জনাব আবু জাফর মোঃ সালেহ’র সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল- জনাব মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, সোলায়মান কবীর, মোঃ সোহেল, মিনহাজ উদ্দিন ও মোস্তফা জামিল সাদ প্রমুখ।

আরও পড়ুন

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে ফেক নিউজ দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেঃএ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে ফেক নিউজ দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman