Somoy News BD

৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

আন্তর্জাতিক প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্স দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন

মঞ্জুর:ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর প্রস্থেটিক্স অ্যান্ড অর্থোটিক্স (আইএসপিও)-বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরাম খাঁ হলে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ এস এম ইমরান সোয়েব, ডাঃ সোহানুল নেওয়াজ, ডাঃ আমিন আহম্মেদ, ডাঃ সাদেক প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ডাঃ এস এম ইমরান সোয়েব। তিনি বলেন, এ বছরের দিবসটির প্রতিপাদ্য “উপকরণ: উদ্ভাবন, সহজলভ্যতা ও প্রভাব”। দিবসটি উদযাপনের উদ্দেশ্য হলো সাধারণ জনগণের মধ্যে প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্স সেবার গুরুত্ব, উদ্ভাবন ও সামাজিক প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। দিবসের শুরুতে সিআরপি হাসপাতালের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালিতে অংশ নেন সেবাগ্রহীতা, প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্স পেশাজীবী, সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য পেশাজীবী এবং সিআরপি স্কুল অব প্রস্থেটিক্স অ্যান্ড অর্থোটিক্সের শিক্ষার্থীরা। এরপর বারডেম হাসপাতাল স্থানে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এরপর বারডেম হাসপাতাল স্থানে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয় এবং বারডেম হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে “স্বাস্থ্য খাতে প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্সের ভূমিকা” শীর্ষক এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারডেম হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মির্জা মাহবুবুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিআরপির প্রতিষ্ঠাতা ভ্যালেরী অ্যান টেইলর। সেমিনারে বক্তারা বলেন, কৃত্রিম অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ও সহায়ক উপকরণের ব্যবহার শুধু শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিই নয়, বরং সামাজিক ও পেশাগত জীবনে পুনর্বাসনের একটি কার্যকর মাধ্যম। প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্স পেশাজীবীরা দেশের পুনর্বাসন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। উল্লেখ্য, ২০২২ সাল থেকে প্রতি বছর ৫ নভেম্বর আন্তর্জাতিক প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্স দিবস বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হচ্ছে। দিবসটির মূল লক্ষ্য হলো প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্স পরিষেবার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজগম্যতা নিশ্চিত করা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্ব জনসংখ্যার প্রায় ০.৫% (প্রায় ৩৫-৪০ মিলিয়ন মানুষ) প্রস্থেটিক্স, অর্থোটিক্স বা অন্যান্য সহায়ক উপকরণ এবং পুনর্বাসন পরিষেবার প্রয়োজনীয়তায় ভুগছেন। দ্রুত বর্ধনশীল জনসংখ্যা, অক্ষমতা এবং অসংক্রামক রোগের হার বৃদ্ধির কারণে এই সংখ্যা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলে অনুমান করা হচ্ছে। প্রস্থেটিক্স ও অর্থোটিক্স পেশা দেশের স্বাস্থ্য খাতে উদ্ভাবন, সহজলভ্যতা এবং মানবিক প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

Related Articles

পুলিশ পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রীর সঙ্গে আজ সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের

আরও পড়ুন

আপনারা উৎসাহের সঙ্গে কাজ করুন যাতে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চিন্তা চেতনার বিকাশ যাতে ঘটাতে পারি — বিমানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ দুপুর ১২টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় প্রতিশ্রুতি ( নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬) বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায়

আরও পড়ুন

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মাননীয় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত এর সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১১টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত Brent T. Christensen। সাক্ষাতে

আরও পড়ুন

সাংবাদিকদের সাথে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন আজ বিকেলে সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman