Somoy News BD

১৪ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে- ধর্ম উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।

আজ দুপুরে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দিরে শারদীয় উৎসব শ্রী শ্রী দুর্গাপূজা ২০২৪ উপলক্ষ্যে সিদ্ধেশ্বরী সার্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

ড. খালিদ বলেন, বংশানুক্রমিকভাবেই আমাদের অন্তর সংকীর্ণ। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, জৈন ও বিভিন্ন উপজাতির মানুষ  যারা এদেশে বসবাস করে তাদের সকলের ক্ষেত্রেই এটা প্রযোজ্য। আমরা অন্যদেরকে আমাদের অন্তরে স্থান দিতে পারিনা। আমরা প্রচন্ডরূপে আত্মকেন্দ্রিক। এই অচলায়তন ভেঙে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রসারিত করতে হবে। পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বাড়াতে হবে।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, পূর্বের সরকারগুলো দুর্গাপূজাতে পূজামণ্ডপগুলোতে সহযোগিতা করার জন্য সাধারণত দুইকোটি বরাদ্দ দিতো। কিন্তু বর্তমান সরকার এবছর চারকোটি বরাদ্দ দিয়েছেন। এছাড়া, এবারই প্রথম প্রথাগত নিয়ম ভেঙে দুর্গাপূজার ছুটি একদিন বাড়ানো হয়েছে। আবহমানকাল থেকেই সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করে থাকে। এটি বাংলাদেশের ঐতিহ্য। এবছরও তারা আনন্দমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব উদযাপন করতে পারবে। এলক্ষ্যে সকল ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং আইন-শৃংখলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ড. খালিদ বলেন, আমি দায়িত্ব নেয়ার পর ইতোমধ্যেই বেশকিছু মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডা পরিদর্শন করেছি। কয়েকটি মন্দিরে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করছি। পরবর্তীতেও আমি বিভিন্ন উপাসনালয় পরিদর্শনে যাব। আমরা সবসময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করে আসছি, আগামীদিনেও আমরা এটা রক্ষা করব।

উপদেষ্টা বলেন, পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষ আমাদেরকে ছোট করে দেয়। বাংলাদেশ আমাদের সবার।  সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। আমাদের সকলের অধিকার সমান। ধর্মচর্চা, ধর্ম পালন ও ধর্ম অনুশীলন আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। যেসকল দুর্বৃত্ত আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে বিনষ্ট করতে চাই তাদেরকে সরকার কঠোর হাতে দমন করবে।

সিদ্ধেশ্বরী সার্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নিবাস চন্দ্র মাঝি’র সভাপতিত্বে এতে  বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন ধর্মসচিব মুঃ আঃ হামিদ জমাদ্দার ও সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দিরের স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান তপন মজুমদার প্রমূখ। এসময় অন্যানের মাঝে মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র দত্ত, স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য সচিব সমীর গুপ্ত, সদস্য প্রণীতা সরকার

পরে উপদেষ্টা সনাতন ধর্মাবলম্বী দুস্থ-অসহায় মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করেন।

Related Articles

দেশবাসীকে অগ্রীম ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ তমিজ উদ্দিন

আল-শাহরিয়ার বাবুল খানঃ দেশবাসীকে পবিত্র অগ্রীম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ তমিজ উদ্দিন। এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন,পবিত্র ঈদুল ফিতর মুসলিম

আরও পড়ুন

দেশবাসী সহ ধামসোনা ইউনিয়ন বাসীকে অগ্রীম ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী ইসরাফিল হোসেন

আল-শাহরিয়ার বাবুল খানঃ দেশবাসী সহ আশুলিয়া থানার,ধামসোনা ইউনিয়ন বাসীকে পবিত্র অগ্রীম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী, ভাদাইল গ্রামের কৃতি সন্তান,সমাজ সেবক

আরও পড়ুন

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে জাপানের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১০টায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে

আরও পড়ুন

ষড়যন্ত্র সর্বত্র চলছে এবং চলবে এর মধ্যে থেকে আমাদের কে বের হয়ে যেতে হবেঃএ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ থেকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman