Somoy News BD

৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

নোয়াপাড়া নদীবন্দরে লাইটার জাহাজকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার প্রতিরোধে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অভিযান ও মোবাইল কোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
যশোরের নোয়াপাড়া নদীবন্দর এলাকায় লাইটার জাহাজসমূহকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার প্রতিরোধে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের গঠিত টাস্কফোর্স আজ (০৫ মার্চ ২০২৬) একটি অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে।

অভিযানে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের স্পেশাল অফিসার (মেরিন সেফটি) রোকসানা খাইরুন নেছা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। নৌপরিবহন অধিদপ্তর, খুলনার পরিদর্শক প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন। এসময় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড এবং সংশ্লিষ্ট নৌপুলিশ
প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করেন।

অভিযানকালে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আগত গম, মসুরী, সার ও সালফেট বহনকারী ২৬টি এবং মোংলা বন্দর থেকে আগত সার ও কয়লা বহনকারী ১৫টি সহ মোট ৪১টি লাইটার জাহাজ পরিদর্শন করা হয়।
পরিদর্শনে দেখা যায়, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আগত জাহাজের মধ্যে ২০ দিনের অধিক অপেক্ষমাণ ২টি জাহাজ খালাসরত অবস্থায় রয়েছে। ১০ দিনের অধিক অপেক্ষমাণ ছিল ৮টি জাহাজ (এর মধ্যে ২টি খালাসরত), ৫ দিনের অধিক অপেক্ষমাণ ছিল ৩টি জাহাজ (এর মধ্যে ১টি খালাসরত) এবং ৫ দিনের কম অপেক্ষমাণ ছিল ১৩টি জাহাজ (এর মধ্যে ৩টি খালাসরত)।

অন্যদিকে মোংলা বন্দর থেকে আগত জাহাজের মধ্যে ২০ দিনের অধিক অপেক্ষমাণ ছিল ১টি, ১০ দিনের অধিক অপেক্ষমাণ ছিল ৩টি (এর মধ্যে ১টি খালাসরত), ৫ দিনের অধিক অপেক্ষমাণ ছিল ৭টি (এর মধ্যে ২টি খালাসরত) এবং ৫ দিনের কম অপেক্ষমাণ ছিল ৪টি জাহাজ (এর মধ্যে ২টি খালাসরত)।

অভিযানকালে যেসব জাহাজ ৭ দিনের বেশি সময় ধরে অপেক্ষমাণ থাকলেও এখনো আনলোডিং ঘাট বা নির্ধারিত তারিখ পায়নি, সেসব জাহাজ দ্রুত খালাসের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
১০ দিনের বেশি সময় জাহাজ অপেক্ষমাণ রাখার দায়ে মালামালের দুই কনসাইনি প্রতিষ্ঠান এস এস শিপিং এবং নোয়াপাড়া ট্রেডিংকে কৃষি পণ্য বিপণন আইনের ১৯(ঠ) ধারা অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

অভিযানে নোয়াপাড়া নদীবন্দর এলাকায় পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সকল ঘাটে পণ্য খালাস কার্যক্রম পূর্ণ গতিতে চলমান রয়েছে এবং কোনো ঘাট খালি হওয়া মাত্রই নতুন জাহাজ এসে ভিড়ছে। তবে পণ্যবোঝাই লাইটার জাহাজের তুলনায় ঘাটের সংখ্যা কম হওয়ায় পণ্য খালাসে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। এছাড়া খাদ্যশস্য ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে খালাস করা হওয়ায় এতে তুলনামূলক বেশি সময় ব্যয় হচ্ছে।

নৌপরিবহন অধিদপ্তর জানিয়েছে, লাইটার জাহাজকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার প্রতিরোধ এবং বন্দর এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Related Articles

প্রবাসীবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে বেবিচক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা, অনিয়ম রোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের আহ্বান বিমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ ঢাকার কুর্মিটোলায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা)

আরও পড়ুন

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে শিক্ষা মন্ত্রীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬: মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভা আজ দুপুর ১২.০০ টায় অধিদপ্তরের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত

আরও পড়ুন

উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে ইউজিসিকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির মূল ভিত্তি হলো শিক্ষা।

আরও পড়ুন

পুলিশ পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রীর সঙ্গে আজ সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman