Somoy News BD

১৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন।

নিজস্ব প্রতিনিধি:
অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ। শুক্রবার সকাল ৯টায় সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এই সময়ে উপস্থিত ছিলেন। কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচালক, জাতীয় দৈনিক একুশে বানী পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ আসরাফ সরকার। দৈনিক দিনের আলো পত্রিকার সম্পাদক, মোঃ ফজলুর রহমান জুলফিকার,
দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক মোঃ আবুল হোসেন। অপরাধ অনুসন্ধান পত্রিকার সম্পাদক, মোঃ রফিকুল ইসলাম কাজল, মোঃ ফয়েজ উল্লাহ পাঠান, মোঃ বিল্লাল হোসেন পাটওয়ারী, মোঃ আতাউর রহমান, এ মন্নান, কে এম রেজবী,মারিয়া ইসলাম, ঢাকা মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাছুম বিল্লাহ সুমন, গাজীপুর জেলা কমিটি সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান চৌধুরী, ঢাকা মহানগর কমিটির সাংবাদিক মোঃ বসির আহমেদ,  নাহিদা আক্তার পপি, রাজিয়া সুলতানা তূর্ণা, মাসুদ মৃধা প্রমূখ। এই সময়ের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন  বলেন ১৯৫২ সালে আমাদের পূর্বসূরিরা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে বলেই আজ আমরা মায়ের ভাষা বাংলায় কথা বলতে পারি। একইভাবে ৫ আগস্ট জাতিকে স্বৈরাচারমুক্ত করতে অসংখ্য প্রাণ শহীদ হয়েছে। আজ ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি তাদেরও শ্রদ্ধা জানাই। তাদের উদ্দেশ্যে একটি কবিতা বলেন,
সেই ছেলেটা নেই যে আর মা বাবারই ঘরে,
নিজের জীবন দিলো সে যে মাতৃভাষার তরে
মাতৃভাষা রাখতে গিয়ে এমনিই কত ছেলে
কেউ করলো মৃত্যু বরন
কেউ বা গেলো জেলে
ঐ যে তারা বিদায় নিলো
ফিরালো নাতো হায়
ফিরালো নাতো মায়ের কোলে
ফিরলো নাতো গা।

ভাষার জন্য বিশ্বের বহু দেশের মানুষ আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। আমাদের দেশের মানুষ একমাত্র বাংলা ভাষার জন্য, বাংলায় কথা বলার জন্য আন্দোলন করেছেন, বহু মা, বোন, ভাইয়ের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন। যা সারা বিশ্বের কাছে বিস্ময়। ছাত্ররা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে নিজের মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার আদায় করেছে। একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের কাছে প্রেরণার উৎস।
১৯৫২ সালে ভাষার দাবিতে যে ছাত্র, শিক্ষক, জনতা শহিদ হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। এদেশে ভাষার জন্য আমরা জীবন উৎসর্গ করেছি, যা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল। আমরা বারবার নিপীড়িত হয়েছি এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ তরুণ যুব সমাজ প্রাণ দিয়েছিল রাজপথে। বায়ান্নতে যে ঘটনাটি ঘটেছিল একাত্তরেও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। বর্তমানে দৃশ্যমান জুলাই, চব্বিশেও একই ঘটনা ঘটেছে। আমরা বারবার প্রতিবাদ করেছি বারবার রক্ত দিয়েছি। ১৯৫২ থেকে শুরু করে ২০২৪ পর্যন্ত প্রতিটি আন্দোলনে যারা শহিদ হয়েছেন তাদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। শহিদ পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। যারা রক্ত দিয়েছেন তাদের একটি স্বপ্ন ছিলো। আমরা শহিদদের সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে নতুন একটি বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাবো এ আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

Related Articles

দেশবাসী সহ সকল শ্রেণি- পেশার মানুষকে অগ্রীম ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভূঁইয়া

আল-শাহরিয়ার বাবুল খানঃ দেশবাসী সহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে অগ্রীম পবিত্র ঈদ-উল- ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা জেলা সাভার ও আশুলিয়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অন্যতম সেরা তরুণ করদাতা

আরও পড়ুন

ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে; ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার

মোঃআক্তারুজ্জামান টিপুঃ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সরওয়ার, বিপিএম-সেবা আসন্ন ঈদে গৃহীত নিরাপত্তা পরিকল্পনা সম্পর্কে অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে

আরও পড়ুন

দেশের মানুষের প্রত্যাশা সুশাসিত ও সুন্দর বাংলাদেশ – -খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর দেশের মানুষ একটি বাস্তব পরিবর্তনের সুযোগ পেয়েছে। একটি নির্বাচনের

আরও পড়ুন

দেশবাসী সহ ধামসোনা ইউনিয়ন বাসীকে অগ্রীম ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল

আল-শাহরিয়ার বাবুল খানঃ দেশবাসী সহ ধামসোনা ইউনিয়ন বাসীকে পবিত্র অগ্রীম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী,ঢাকা জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman