Somoy News BD

১৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

অদম্য নারী পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এম মুরশিদ উপস্থিত ছিলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃআন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ছয়জন অদম্য নারীর হাতে বিশেষ সম্মাননা তুলে দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এম মুরশিদ উপস্থিত ছিলেন।
আজ সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত ৮ মার্চ  আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এই সম্মাননা প্রদান করেন।

সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিজয়ী অদম্য নারীদের চিহ্নিত করে তাদের যথাযথ সম্মান, স্বীকৃতি, ও  অনুপ্রেরণা প্রদানের মাধ্যমে নারীদের অগ্রসর হওয়ার পথ সুগম করার উদ্দেশ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে অদম্য নারী পুরস্কার কর্মসূচির আওতায়  বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে যেসব নারী এই সম্মাননা পেয়েছেন, তারা হলেন— অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য ময়মনসিংহ বিভাগের শরিফা সুলতানা, শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী সিলেট বিভাগের হালিমা বেগম, সফল জননী নারী হিসেবে রংপুর বিভাগের দিনাজপুর জেলার মেরিনা বেসরা, নির্যাতনের দু:স্বপ্ন মুছে জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী হিসেবে ঢাকা বিভাগের ফরিদপুর জেলার লিপি বেগম, সমাজ উন্নয়নে অসাধারণ অবদানের জন্য মো. মুহিন (মোহনা) এবং বিশেষ সম্মাননা ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের অদম্য নারীদের  সম্মাননা প্রদান করা হয়।
এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ এনডিসি।
প্রধান উপদেষ্টার সুযোগ্য নেতৃত্বে অর্থনীতির প্রতিটি সূচকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। স্থায়ী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, খাদ্যে স্বনির্ভরতা, নারীর ক্ষমতায়ান, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গ্রামীন অবকাঠামোর উন্নয়ন, যোগাযোগ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, বাণিজ্য এবং আইসিটি খাতে এসেছে ব্যাপক সাফল্য। এ কথা অনস্বীকার্য যে, নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর মত এরকম একজন সুযোগ্য দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে আমরা উন্নয়নের মূলমন্ত্রে  উজ্জীবিত হতে পেরেছি। জুলাই’ ২৪ বিপ্লবের নির্দেশিত বৈষম্যহীন পথে অচিরেই এদেশ বিশ্ব দরবারে অসাধারণ নেতৃত্ব গুনে অসামান্য সাফল্য গাধায় উদ্ভাসিত হবে এটাই আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।  নারীর ক্ষমতায়ন ও সমাজে তাদের অসামান্য ভূমিকার স্বীকৃতি স্বরূপ এ ধরনের সম্মাননা ভবিষ্যতেও চালিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান অনুষ্ঠানের অতিথিরা।

Related Articles

দেশবাসী সহ সকল শ্রেণি- পেশার মানুষকে অগ্রীম ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভূঁইয়া

আল-শাহরিয়ার বাবুল খানঃ দেশবাসী সহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে অগ্রীম পবিত্র ঈদ-উল- ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা জেলা সাভার ও আশুলিয়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অন্যতম সেরা তরুণ করদাতা

আরও পড়ুন

ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে; ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার

মোঃআক্তারুজ্জামান টিপুঃ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সরওয়ার, বিপিএম-সেবা আসন্ন ঈদে গৃহীত নিরাপত্তা পরিকল্পনা সম্পর্কে অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে

আরও পড়ুন

দেশের মানুষের প্রত্যাশা সুশাসিত ও সুন্দর বাংলাদেশ – -খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর দেশের মানুষ একটি বাস্তব পরিবর্তনের সুযোগ পেয়েছে। একটি নির্বাচনের

আরও পড়ুন

দেশবাসী সহ ধামসোনা ইউনিয়ন বাসীকে অগ্রীম ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল

আল-শাহরিয়ার বাবুল খানঃ দেশবাসী সহ ধামসোনা ইউনিয়ন বাসীকে পবিত্র অগ্রীম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী,ঢাকা জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman