Somoy News BD

১৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

”শারীরিক ব্যায়াম বা শরীরচর্চার প্রয়োজনীয়তা”

মোঃ শরিফুল মোল্লা নড়াইল জেলা প্রতিনিধিঃ

শারীরিক ব্যায়াম বা শরীরচর্চা হচ্ছে যেকোন শারীরিক কার্যক্রম যা শারীরিক সুস্থতা বা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। আমাদের বিভিন্ন কারণে ব্যায়াম করা হয়, যেমন- মাংসপেশী ও সংবহন তন্ত্র সবল করা, ক্রীড়া-নৈপুন্য বৃদ্ধি করা, শারীরিক ওজন হ্রাস করা বা রক্ষা করা কিংবা শুধু উপভোগ করা। নিয়মিত ব্যায়াম মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা হতে পুনরুদ্ধার হতে সাহায্য করে। হৃদ্ররোগ, সংবহন তন্ত্রের জটিলতা, ডায়াবেটিস এবং স্থূলতা রোধে শারীরিক ব্যায়াম কার্যকর ভূমিকা রাখে। এছাড়া মানসিক অবসাদগ্রস্ততা দূর করতে, ইতিবাচক আত্মসম্মান বৃদ্ধিতে, সামগ্রিক মানসিক স্বাস্থ্যের সুরক্ষায়, ব্যক্তির যৌন আবেদন বৃদ্ধি, শরীরের সঠিক অনুপাত অর্জনে শারীরিক ব্যায়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিশুস্বাস্থ্যের স্থূলতা একটি সমকালীন বিশ্বব্যাপী সমস্যা। ব্যায়াম শরীরের স্থূলতা রোধে কাজ করে। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীরা শারীরিক ব্যায়ামকে “অলৌকিক” এবং “আশ্চর্যজনক” ঔষধ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। শরীরের সামগ্রিক সুস্থতা রক্ষার্থে ব্যায়ামের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রমাণিত।
শরীরে ব্যায়ামের প্রভাব:
শারীরিক সুস্থতা বজায় ও শরীরের ওজনের ভারসাম্য রাখার ক্ষেত্রে ব্যায়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। এছাড়া শরীরের হাড়ের দৃঢ়তা বজায় রাখা, মাংসপেশীর সবলতা এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গসমূহের স্বাভাবিক চলনক্ষমতা বজায় রাখতে ব্যায়াম উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। শরীর ও মনস্তত্ত্বের সার্বিক সুস্থ্যতা বজায়, অস্ত্রপ্রচারকালীন ঝুকি হ্রাস, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যায়ামের ইতিবাচক ভূমিকা প্রমাণিত হয়েছে। ব্যায়াম করার সময় শরীরের বিভিন্ন মাংসপেশীর সংকোচন ঘটে, এসময় মাইয়োকিন নামের এক জাতীয় রাসায়নিক প্রদার্থ শরীরে নিঃসৃত হয় যা নতুন টিস্যুর উৎপাদনে, টিস্যুর মেরামত এবং প্রদাহী রোগসমূহের ঝুঁকি হ্রাসের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে।
শারীরিক ব্যায়াম শরীরে করটিসলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, করটিসল বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার জন্য দায়ী। ব্যায়াম থুতুতে নাইট্রাইটের মাত্রা বৃদ্ধি করে, এটি নাইট্রিক অক্সাইডে পরিবর্তিত হয় ফলে শরীরের কাজ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। অ্যাথলেটদের থুতুতে নাইট্রিক অক্সাইডের মাত্রা দ্বারা তাদের প্রশিক্ষণের অবস্থা নির্ণয় করা হয়।
ব্যায়ামের কারণে সব মানুষ সমান উপকৃত হয় না। তবে স্বাভাবিকভাবে প্রায় সবারই ব্যায়ামের কারণে শারীরিক সহনশীলতা বৃদ্ধি পায়, বিশেষ করে সবাত ব্যায়ামের ফলে। এর ফলে অক্সিজেন গ্রহণের মাত্রাও বৃদ্ধি পায়। এসমস্ত উপকারের সাথে সঠিক পুষ্টি গ্রহণও সম্পর্কিত। ব্যায়ামের কারণে শরীরের সার্বিক অবস্থার উন্নতি মানুষভেদে বিভিন্ন – এটা অ্যাথলেটদের সাথে সাধারণ মানুষদের অন্যতম বড় শারীরবৃত্তীয় পার্থক্য। গবেষণায় দেখা গেছে মধ্য বয়সে নিয়মিত ব্যায়ামের কারণে পরবর্তিতে শারীরিক কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

শাহীনুর পারভীন কাজী, সহকারী শিক্ষক বিজ্ঞান(বায়োলজি) চাচই মাধ্যমিক বিদ্যালয়, লোহাগড়া, নড়াইল।

Related Articles

দেশবাসী সহ সকল শ্রেণি- পেশার মানুষকে অগ্রীম ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভূঁইয়া

আল-শাহরিয়ার বাবুল খানঃ দেশবাসী সহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে অগ্রীম পবিত্র ঈদ-উল- ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা জেলা সাভার ও আশুলিয়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অন্যতম সেরা তরুণ করদাতা

আরও পড়ুন

ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে; ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার

মোঃআক্তারুজ্জামান টিপুঃ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সরওয়ার, বিপিএম-সেবা আসন্ন ঈদে গৃহীত নিরাপত্তা পরিকল্পনা সম্পর্কে অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে

আরও পড়ুন

দেশের মানুষের প্রত্যাশা সুশাসিত ও সুন্দর বাংলাদেশ – -খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর দেশের মানুষ একটি বাস্তব পরিবর্তনের সুযোগ পেয়েছে। একটি নির্বাচনের

আরও পড়ুন

দেশবাসী সহ ধামসোনা ইউনিয়ন বাসীকে অগ্রীম ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল

আল-শাহরিয়ার বাবুল খানঃ দেশবাসী সহ ধামসোনা ইউনিয়ন বাসীকে পবিত্র অগ্রীম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী,ঢাকা জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman