Somoy News BD

১৪ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

জনগণকে কাঙ্ক্ষিত আইনানুগ সেবা দেওয়ার মাধ্যমে জনগণের মন জয় করতে হবে: ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ডিএমপি কমিশনার শেখ মোঃ সাজ্জাত আলী, এনডিসি বলেছেন, জনগণের কাঙ্ক্ষিত আইনানুগ সেবা দেওয়ার মাধ্যমে তাদের মন জয় করা। এদেশের মানুষের জন্য ইতিবাচক কাজ করে পুলিশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে হবে।

আজ রবিবার (১৮ মে ২০২৫ খ্রি.) সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে অনুষ্ঠিত গ্র্যান্ড মাস্টার প্যারেড পরিদর্শন শেষে ডিএমপি কমিশনার একথা বলেন।

পুলিশ অফিসার ও ফোর্সদের শারীরিক সক্ষমতা বাড়াতে ও  শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে আজ সকালে বর্ণাঢ্য আয়োজন ও আনন্দমুখর পরিবেশে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এ গ্র্যান্ড মাস্টার প্যারেড। প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড ফোর্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার রওনক আলম, বিপিএম।

প্যারেডের শুরুতে ডিএমপি কমিশনার প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছলে তাঁকে সুসজ্জিত বাদক দলের সমন্বয়ে সশস্ত্র সালাম প্রদান করা হয়। ডিএমপি কমিশনার সালাম গ্রহণ করেন। সালাম গ্রহণ শেষে তিনি ডিএমপির বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে প্যারেডে অংশগ্রহণকারী অফিসার ও ফোর্সদের উদ্দেশে ডিএমপি কমিশনার বলেন, মাস্টার প্যারেডের মুখ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে অফিসার ও ফোর্সদের মধ্যে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা। পুলিশ একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী। এখানে শৃঙ্খলা পরিপন্থী এবং আইন ও বিধির বাইরে কোন কাজ করার সুযোগ নেই।

আপনারা সপ্তাহে একদিন আপনাদের কর্মস্থলগুলো পরিষ্কার করবেন। জনগণের  কল্যাণে ও পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি আরও বাড়াতে যার যার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে ডিএমপিকে আরও আধুনিক, গতিশীল এবং জনগণের আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে পারব।

তিনি আরও বলেন, মানুষের সেবায় প্রতিটি কাজ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সাথে সম্পাদন করতে হবে। যে কোন পরিস্থিতি দৃঢ় মনোবল নিয়ে মোকাবেলা করতে হবে। নিজেদের মনোবল সবসময় চাঙ্গা রাখতে হবে। নিরপেক্ষ থেকে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে জনসেবায় নিয়োজিত করার নির্দেশনা প্রদান করেন ডিএমপি কমিশনার।

মাস্টার প্যারেডে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ সরওয়ার, বিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) ফারুক আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) এস এন মোঃ নজরুল ইসলাম, পিপিএম; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মোঃ মাসুদ করিম; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস্, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) হাসান মোঃ শওকত আলীসহ যুগ্ম পুলিশ কমিশনারসহ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ, ডিএমপির সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ ও বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

দেশবাসীকে অগ্রীম ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ তমিজ উদ্দিন

আল-শাহরিয়ার বাবুল খানঃ দেশবাসীকে পবিত্র অগ্রীম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ তমিজ উদ্দিন। এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন,পবিত্র ঈদুল ফিতর মুসলিম

আরও পড়ুন

দেশবাসী সহ ধামসোনা ইউনিয়ন বাসীকে অগ্রীম ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী ইসরাফিল হোসেন

আল-শাহরিয়ার বাবুল খানঃ দেশবাসী সহ আশুলিয়া থানার,ধামসোনা ইউনিয়ন বাসীকে পবিত্র অগ্রীম ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী, ভাদাইল গ্রামের কৃতি সন্তান,সমাজ সেবক

আরও পড়ুন

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে জাপানের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ সকাল ১০টায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে

আরও পড়ুন

ষড়যন্ত্র সর্বত্র চলছে এবং চলবে এর মধ্যে থেকে আমাদের কে বের হয়ে যেতে হবেঃএ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ থেকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman