Somoy News BD

৩১শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার
ব্রেকিং নিউজ

সারদায় ৪৩তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এবং জনবান্ধব এক নতুন পুলিশিং ব্যবস্থার স্বাদ দেশবাসীকে উপহার দিতে নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মন্ত্রী আজ সকালে রাজশাহীর সারদায় অবস্থিত বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমীর প্যারেড গ্রাউন্ডে ৪৩তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের শিক্ষানবিস সহকারী পুলিশ সুপারদের এক বছর মেয়াদী মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিবাদন গ্রহণ করেন এবং প্যারেড পরিদর্শন করেন। পরে তিনি প্রশিক্ষণে বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী কর্মকর্তাদের মধ্যে পদক বিতরণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা এমন এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি যেখানে নবীন কর্মকর্তাদের দায়িত্ব অনেক বেশি।২০২৪ সালের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত রাখা হবে।” তিনি উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী ‘পুলিশ সংস্কার কমিশন’ গঠনের মাধ্যমে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে মেধা ও জ্যেষ্ঠতাকে একমাত্র মানদণ্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করে যাচ্ছে।

নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, “জনগণের সেবক হোন। ব্রিটিশ আমলের সেকেলে পুলিশ আইন পরিবর্তন করে সময়োপযোগী আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। আপনারা অপরাধীর মনে ভয় আর নিরপরাধীর মনে প্রশান্তি জাগাবেন।” তিনি আরো যোগ করেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে এবং ডিজিটাল অপরাধ দমনে নবীন কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ কারিগরি জ্ঞান অর্জনের তাগিদ দেন।

নবীন কর্মকর্তাদের ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সৈনিক অভিহিত করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আইনের প্রতি অবিচল আস্থা ও দেশের নাগরিকদের প্রতি দায়িত্ব ও জবাবদিহিতাই হবে আপনাদের কর্মের মূল ভিত্তি। সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আইনের চোখে সবাই সমান—সেটি হোক কোনো রাজনৈতিক কর্মী বা প্রান্তিক কৃষক। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তাদের সর্বদা এটি স্মরণ রাখতে হবে। তিনি বলেন, চেইন অভ কমান্ড, শৃঙ্খলা, আনুগত্য ও সমন্বিত নেতৃত্বই একটি বাহিনীর শক্তির মূল ভিত্তি। তিনি নবীন কর্মকর্তাদের এটি মাথায় রেখে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমান পোশাকে পুলিশ বাহিনী সন্তুষ্ট নয়। সেটি বিবেচনা করে আগের যেকোনো একটি উপযুক্ত পোশাক যেন পুলিশ বাহিনী ফিরে পায়- সে বিষয়ে সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১ মার্চ শুরু হওয়া এই ব্যাচে মোট ৭২ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শিক্ষানবিস এএসপি আহমেদ সাদমান সাকিব। প্রশিক্ষণে অসামান্য কৃতিত্বের জন্য শিক্ষানবিস এএসপি মোঃ ফাহিম ফয়সাল ‘বেস্ট প্রবেশনার’ এবং ‘বেস্ট একাডেমিক’—এই দুই ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠত্বের গৌরব অর্জন করেন। এছাড়া ‘বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ’ পদক পান মোঃ আরাফাত হোসেন, ‘বেস্ট হর্সম্যানশিপ’ পদক পান শাওন রেজা এবং ‘বেস্ট শ্যুটার’ হিসেবে পুরস্কৃত হন বাপী কুমার দাশ।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির এবং এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমীর প্রিন্সিপাল (অ্যাডিশনাল আইজিপি) জি এম আজিজুর রহমান। এছাড়া জাতীয় সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ এবং নবীন কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

পাসিং আউট প্যারেড শেষে নবীন সহকারী পুলিশ সুপারগণ দেশের বিভিন্ন জেলায় ০৬ (ছয়) মাসের বাস্তব প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য পদায়িত হবেন।

Related Articles

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সাথে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ (মঙ্গলবার) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর অফিস কক্ষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক-এঁর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত রিপাবলিক অব চায়না রাষ্ট্রদূত

আরও পড়ুন

জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই চিকিৎসকদের সেবার মানসিকতায় এগিয়ে আসতে হবে- সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের প্রায় ১৮০ মিলিয়ন মানুষের প্রতি আমাদের

আরও পড়ুন

কালিয়া প্রেস ক্লাবের কমিটি গঠন,সভাপতি মিকু ও সম্পাদক ইমরান

মোঃ আল-শাহরিয়ার বাবুল খান: নড়াইলের কালিয়া প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টায় প্রেসক্লাবের হলরুমে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় এ কমিটি

আরও পড়ুন

সেলফির আড়ালে অস্বস্তির গল্প

মঞ্জুর: Selfie শব্দটি এসেছে ইংরেজি self (নিজে) শব্দ থেকে। এর অর্থ—নিজের তোলা নিজের ছবি, সাধারণত স্মার্টফোন বা ক্যামেরা সামনে ধরে তোলা। ধারণা করা হয় ২০০২ সালে অস্ট্রেলিয়ার একটি অনলাইন ফোরামে প্রথম “selfie” শব্দটি ব্যবহার করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তারের সাথে সাথে শব্দটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ২০১৩ সালে Oxford Dictionaries “Selfie” শব্দটিকে Word of the Year ঘোষণা করে এবং একই সময়ে শব্দটি Oxford English Dictionary-তেও আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়। স্মার্টফোন আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই সময়ে সেলফি তোলা যেন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের স্বাভাবিক অংশ হয়ে গেছে। কোথাও ঘুরতে গেলেই ছবি, কোনো অনুষ্ঠানে গেলেই ছবি, আবার পরিচিত বা গুরুত্বপূর্ণ কাউকে দেখলেই সেলফি—সবকিছু যেন এখন ক্যামেরাবন্দি করতেই হবে। অনেকের কাছে এটি আনন্দের বিষয়, আবার অনেকের কাছে স্মৃতি ধরে রাখার একটি উপায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই সেলফি সংস্কৃতি অনেক সময় অপ্রস্তুত ও বিব্রতকর পরিস্থিতিরও জন্ম দেয়। বিশেষ করে রাজনীতির মাঠে বিষয়টি এখন বেশ চোখে পড়ে। কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি, সভা বা কোনো নেতার উপস্থিতি মানেই অনেকের কাছে সেটি সেলফি তোলার সুযোগ। অনেক সময় দেখা যায়, একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা বা কর্মসূচির মাঝেই কেউ না কেউ এসে সেলফি তোলার অনুরোধ করছেন। একজন তুললে আরেকজন, তারপর আরেকজন—এভাবে বিষয়টি অনেক সময় একটা অস্বস্তিকর অবস্থার সৃষ্টি করে। ফলে মূল কর্মসূচির গুরুত্বও অনেক সময় কমে যায়। রাজনীতিবিদদের দিক থেকেও বিষয়টি সবসময় স্বস্তিকর নয়। অনেক নেতা বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি ভেতরে ভেতরে বিরক্তবোধ করলেও সেটি প্রকাশ করেন না। কারণ যারা সেলফি তুলতে আসে, তাদের বেশিরভাগই সমর্থক বা শুভাকাঙ্ক্ষী। তারা ভালোবাসা থেকেই এগিয়ে আসে। সরাসরি কিছু বললে তারা কষ্ট পেতে পারে বা ভুল বুঝতে পারে—এই ভাবনা থেকেই অনেক সময় নেতারা হাসিমুখে ছবি তুলতে বাধ্য হন, যদিও সেই মুহূর্তে হয়তো তারা ব্যস্ত বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজে মনোযোগ দিতে চান। আরেকটি বিষয় হলো, অনেকেই এই সেলফিকে পরে ভিন্নভাবে ব্যবহার করেন। একটি সাধারণ সৌজন্যমূলক ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমনভাবে প্রকাশ করা হয় যেন ওই ব্যক্তি নেতার খুব ঘনিষ্ঠ বা বিশেষ কেউ। কখনো কখনো সেই ছবিকে কেন্দ্র করে নিজের প্রভাব বা পরিচয় বাড়িয়ে দেখানোর চেষ্টা করা হয়। এতে অন্যদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। দুঃখজনক হলেও সত্য, কিছু মানুষ এই ছবিগুলো অসৎ উদ্দেশ্যেও ব্যবহার করে। কোথাও প্রভাব খাটানো, পরিচয় দেখিয়ে সুবিধা নেওয়া, কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠানে নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য নেতার সঙ্গে তোলা ছবি দেখানো—এমন ঘটনাও কম নয়। একটি সাধারণ সেলফি তখন হয়ে যায় ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার। এতে শুধু সেই ব্যক্তি নয়, অনেক সময় সংশ্লিষ্ট নেতার ভাবমূর্তিও অযথা জড়িয়ে যায়। শুধু রাজনীতির ক্ষেত্রেই নয়, সাধারণ সামাজিক জীবনেও একই প্রবণতা দেখা যায়। সময়-পরিস্থিতি না ভেবেই অনেকেই ছবি তুলতে চান। কেউ ব্যক্তিগত আলাপ করছেন, কেউ ব্যস্ত আছেন, কিংবা কোনো সংবেদনশীল পরিস্থিতি—এসব ক্ষেত্রেও অনেক সময় মানুষ সেলফির অনুরোধ করে বসেন। এতে অনেক সময় অপ্রস্তুত অবস্থা তৈরি হয়। আসলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেকে তুলে ধরার এক ধরনের প্রতিযোগিতা এখন তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করেন, পরিচিত বা প্রভাবশালী কারও সঙ্গে ছবি তুলতে পারলেই সেটি দ্রুত পোস্ট করতে হবে—যেন সেটিই নিজের গুরুত্বের প্রমাণ। এই মানসিকতা থেকেই অনেক সময় সেলফি বিষয়টি অতিরিক্ত হয়ে যায়। তবে এটাও সত্য, মানুষের ভালোবাসা বা শ্রদ্ধার প্রকাশ হিসেবে সেলফি অনেক সময় সুন্দর একটি স্মৃতি হয়ে থাকতে পারে। সমস্যা তখনই হয়, যখন সেটি মাত্রা ছাড়িয়ে যায় বা অন্যের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই প্রয়োজন একটু সচেতনতা। কোথায়, কখন এবং কীভাবে ছবি তোলা উচিত—এই বোধটি আমাদের সবার মধ্যেই থাকা দরকার। জনসমাগম বা রাজনৈতিক কর্মসূচিতে শালীনতা ও পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করা জরুরি। শেষ পর্যন্ত বলা যায়, সেলফি তোলা কোনো খারাপ বিষয় নয়। কিন্তু সেটি যেন অন্যের জন্য বিড়ম্বনার কারণ না হয় এবং কোনোভাবেই অপব্যবহারের হাতিয়ার না হয়ে ওঠে—সেই সচেতনতা আমাদের সবারই থাকা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman