Somoy News BD

২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শুক্রবার
ব্রেকিং নিউজ

রমজানে ১০ লক্ষ পরিবারকে সুলভ মূল্যে প্রোটিন খাদ্য দেবে সরকার –প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে জনগণের কল্যাণে কাজ করার প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সুলভ মূল্যে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্য (দুধ, ডিম, মাংস ও মাছ) সরবরাহের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ কার্যক্রমের আওতায় সারাদেশে প্রায় ১০ লক্ষাধিক পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ ভোক্তারাও উপকৃত হবেন।

আজ সকালে মহাখালীস্থ প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান-এর সম্মেলন কক্ষে পবিত্র রমজান মাসে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী জাতির কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমাদের সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে। সকলের সম্মিলিত সহযোগিতার মাধ্যমেই এ দেশকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, রমজান মাসে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করলে নিম্নআয়ের মানুষের কষ্ট বেড়ে যায়। নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকারের এধরণের উদ্যোগ তাদের জন্য সহায়ক ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে এ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড ও হেলথ কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সততা, নিষ্ঠা ও সমন্বিত টিমওয়ার্কের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি বলেন, বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জনগণের কল্যাণে কাজ করে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি নিজে কষ্ট ভোগ করেছেন কিন্তু অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেন নি।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর-এর মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়-এর সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি)-এর সভাপতি মশিউর রহমান, বাংলাদেশ ক্যাটল অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএফএফএ)-এর সভাপতি মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। এছাড়াও মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

প্রসঙ্গ: পরিশুদ্ধ রাজনীতিতে নতুনদের আগমন গ্রহনীয়

বিশেষ প্রতিবেদন: বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্প ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক যাত্রা সংগঠন। বাংলাদেশ যাত্রাশিল্প উন্নয়ন সোসাইটি-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাম্প্রতিক এক সভায় জাতীয় রাজনীতিতে তরুণ প্রজন্মের

আরও পড়ুন

বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে নীতিগত সংস্কার করতে হবে: বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘প্রাকৃতিক ও পচনযোগ্য পণ্যে এখন আগ্রহ বেশি মানুষের। পাট দেশের ঐতিহ্যের সাথে জড়িত। এতোবছর পরে এসে সবকিছুর জন্য লাইসেন্স জরুরী নয়। বিদেশি বিনিয়োগ

আরও পড়ুন

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে বিদায়ী সংবর্ধনায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, বিজিবি, কোস্ট গার্ড সহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ, দায়িত্বশীল ও অনন্য ভূমিকার কারণে জাতীয় নির্বাচন প্রশংসিত হয়েছে বলে মন্তব্য

আরও পড়ুন

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন। তেজগাঁওস্থ প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman