Somoy News BD

১৬ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার
ব্রেকিং নিউজ

এয়ারবাস ও মেনজিস বাংলাদেশের সাথে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব চায়

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃইউরোপীয় বিমান নির্মাতা কোম্পানি এয়ারবাস এবং ব্রিটিশ বিমানসংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান মেনজিস এভিয়েশন মঙ্গলবার বাংলাদেশের সাথে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

এয়ারবাসের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াউটার ভ্যান ওয়েরশ এবং মেনজিস এভিয়েশনের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট চার্লস উইলি লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুসের হোটেলে আলাদাভাবে সাক্ষাৎ করে তাদের প্রস্তাবনা পেশ করেন।

ওয়াউটার ভ্যান ওয়েরশ প্রধান উপদেষ্টাকে বলেন, “আমরা বাংলাদেশকে একটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দেশ হিসেবে চিহ্নিত করেছি।” তিনি জানান, এয়ারবাস বাংলাদেশের জাতীয় বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাথে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার পাশাপাশি এটিকে লাভজনক করতে আগ্রহী।

এয়ারবাস বছরে ৮০০টি বিমান সরবরাহ করে থাকে এবং হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমান তৈরিতেও তাদের দক্ষতা রয়েছে বলে জানান ভ্যান ওয়েরশ।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিমানের বহর আধুনিকীকরণের জন্য বাংলাদেশ সব ধরনের প্রস্তাব বিবেচনা করতে প্রস্তুত, তবে তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। তিনি বলেন, “কী করা যায়, কী করা উচিত—সেটা বুঝতে আমি আগ্রহী। তাই আমরা আপনাদের প্রস্তাব শুনব। তবে শীঘ্রই কোনো সিদ্ধান্ত আশা করবেন না। আমাদের সবকিছু নতুনভাবে বিবেচনা করতে হবে।”

ভ্যান ওয়েরশ বলেন, বাংলাদেশ যদি বিমানের বহরে এয়ারবাস যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে রপ্তানি ক্রেডিট এজেন্সি (ইসিএ) অর্থায়নের মাধ্যমে ৮৫% অর্থায়নের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

অন্যদিকে, লন্ডনভিত্তিক মেনজিস এভিয়েশন ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও এয়ার কার্গো সেবা প্রদানের জন্য প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিশ্বের অন্তত ৬৫টি দেশের ৩০০টিরও বেশি বিমানবন্দরে তারা একই ধরনের সেবা দিয়ে আসছে।

মেনজিসের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট চার্লস উইলি প্রধান উপদেষ্টাকে বলেন, “আমরা বাংলাদেশের বিমানবন্দর ও জাতীয় বিমান সংস্থাকে সহায়তা দিতে চাই।”

তিনি জানান, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্ব পেলে মেনজিস বিশ্বব্যাপী তাদের ৬৫,০০০ কর্মীর একটি অংশকে প্রশিক্ষণের জন্য ঢাকাকে একটি হাব হিসেবে গড়ে তুলবে। উইলি বলেন, “আমরা একটি প্রমাণিত ব্রিটিশ কোম্পানি এবং বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে চাই।”

Related Articles

সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেনের সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সঙ্গে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ওয়ার্ল্ড

আরও পড়ুন

বাহরাইনে নিহত প্রবাসী গিরিশ চন্দ্র সূত্রধরের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে, পরিবারের কাছে হস্তান্তর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাহরাইনে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি গিরিশ চন্দ্র সূত্রধরের মরদেহ আজ বুধবার সকালে দেশে পৌঁছেছে। এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট যোগে সকাল সাড়ে ৮টায় মরদেহ হযরত শাহজালাল

আরও পড়ুন

দুর্ঘটনায় আহত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাঃ শংকরের চিকিৎসার দায়িত্ব নিল সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডাঃ শংকর প্রসাদ অধিকারী-র চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী

আরও পড়ুন

আগামীর বাংলাদেশ শিশুদের উপযোগী করে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশ শিশুদের জন্য উপযোগী করে গড়ে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman