Somoy News BD

২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

এয়ারবাস ও মেনজিস বাংলাদেশের সাথে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব চায়

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃইউরোপীয় বিমান নির্মাতা কোম্পানি এয়ারবাস এবং ব্রিটিশ বিমানসংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান মেনজিস এভিয়েশন মঙ্গলবার বাংলাদেশের সাথে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

এয়ারবাসের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াউটার ভ্যান ওয়েরশ এবং মেনজিস এভিয়েশনের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট চার্লস উইলি লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুসের হোটেলে আলাদাভাবে সাক্ষাৎ করে তাদের প্রস্তাবনা পেশ করেন।

ওয়াউটার ভ্যান ওয়েরশ প্রধান উপদেষ্টাকে বলেন, “আমরা বাংলাদেশকে একটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দেশ হিসেবে চিহ্নিত করেছি।” তিনি জানান, এয়ারবাস বাংলাদেশের জাতীয় বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাথে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার পাশাপাশি এটিকে লাভজনক করতে আগ্রহী।

এয়ারবাস বছরে ৮০০টি বিমান সরবরাহ করে থাকে এবং হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমান তৈরিতেও তাদের দক্ষতা রয়েছে বলে জানান ভ্যান ওয়েরশ।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিমানের বহর আধুনিকীকরণের জন্য বাংলাদেশ সব ধরনের প্রস্তাব বিবেচনা করতে প্রস্তুত, তবে তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। তিনি বলেন, “কী করা যায়, কী করা উচিত—সেটা বুঝতে আমি আগ্রহী। তাই আমরা আপনাদের প্রস্তাব শুনব। তবে শীঘ্রই কোনো সিদ্ধান্ত আশা করবেন না। আমাদের সবকিছু নতুনভাবে বিবেচনা করতে হবে।”

ভ্যান ওয়েরশ বলেন, বাংলাদেশ যদি বিমানের বহরে এয়ারবাস যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে রপ্তানি ক্রেডিট এজেন্সি (ইসিএ) অর্থায়নের মাধ্যমে ৮৫% অর্থায়নের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

অন্যদিকে, লন্ডনভিত্তিক মেনজিস এভিয়েশন ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও এয়ার কার্গো সেবা প্রদানের জন্য প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিশ্বের অন্তত ৬৫টি দেশের ৩০০টিরও বেশি বিমানবন্দরে তারা একই ধরনের সেবা দিয়ে আসছে।

মেনজিসের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট চার্লস উইলি প্রধান উপদেষ্টাকে বলেন, “আমরা বাংলাদেশের বিমানবন্দর ও জাতীয় বিমান সংস্থাকে সহায়তা দিতে চাই।”

তিনি জানান, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্ব পেলে মেনজিস বিশ্বব্যাপী তাদের ৬৫,০০০ কর্মীর একটি অংশকে প্রশিক্ষণের জন্য ঢাকাকে একটি হাব হিসেবে গড়ে তুলবে। উইলি বলেন, “আমরা একটি প্রমাণিত ব্রিটিশ কোম্পানি এবং বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে চাই।”

Related Articles

পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। আজ সকাল ১১টায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি

আরও পড়ুন

তরুণ ছেলে-মেয়েদের চরিত্র গঠন ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য ও

আরও পড়ুন

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ বিকেল ৪টায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের

আরও পড়ুন

সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দীকের মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নীলফামারীর উপপরিচালক জনাব মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক ১৮জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman