Somoy News BD

৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , রবিবার
ব্রেকিং নিউজ

এয়ারবাস ও মেনজিস বাংলাদেশের সাথে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব চায়

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃইউরোপীয় বিমান নির্মাতা কোম্পানি এয়ারবাস এবং ব্রিটিশ বিমানসংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান মেনজিস এভিয়েশন মঙ্গলবার বাংলাদেশের সাথে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

এয়ারবাসের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াউটার ভ্যান ওয়েরশ এবং মেনজিস এভিয়েশনের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট চার্লস উইলি লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুসের হোটেলে আলাদাভাবে সাক্ষাৎ করে তাদের প্রস্তাবনা পেশ করেন।

ওয়াউটার ভ্যান ওয়েরশ প্রধান উপদেষ্টাকে বলেন, “আমরা বাংলাদেশকে একটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দেশ হিসেবে চিহ্নিত করেছি।” তিনি জানান, এয়ারবাস বাংলাদেশের জাতীয় বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাথে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার পাশাপাশি এটিকে লাভজনক করতে আগ্রহী।

এয়ারবাস বছরে ৮০০টি বিমান সরবরাহ করে থাকে এবং হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমান তৈরিতেও তাদের দক্ষতা রয়েছে বলে জানান ভ্যান ওয়েরশ।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিমানের বহর আধুনিকীকরণের জন্য বাংলাদেশ সব ধরনের প্রস্তাব বিবেচনা করতে প্রস্তুত, তবে তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। তিনি বলেন, “কী করা যায়, কী করা উচিত—সেটা বুঝতে আমি আগ্রহী। তাই আমরা আপনাদের প্রস্তাব শুনব। তবে শীঘ্রই কোনো সিদ্ধান্ত আশা করবেন না। আমাদের সবকিছু নতুনভাবে বিবেচনা করতে হবে।”

ভ্যান ওয়েরশ বলেন, বাংলাদেশ যদি বিমানের বহরে এয়ারবাস যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে রপ্তানি ক্রেডিট এজেন্সি (ইসিএ) অর্থায়নের মাধ্যমে ৮৫% অর্থায়নের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

অন্যদিকে, লন্ডনভিত্তিক মেনজিস এভিয়েশন ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও এয়ার কার্গো সেবা প্রদানের জন্য প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিশ্বের অন্তত ৬৫টি দেশের ৩০০টিরও বেশি বিমানবন্দরে তারা একই ধরনের সেবা দিয়ে আসছে।

মেনজিসের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট চার্লস উইলি প্রধান উপদেষ্টাকে বলেন, “আমরা বাংলাদেশের বিমানবন্দর ও জাতীয় বিমান সংস্থাকে সহায়তা দিতে চাই।”

তিনি জানান, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্ব পেলে মেনজিস বিশ্বব্যাপী তাদের ৬৫,০০০ কর্মীর একটি অংশকে প্রশিক্ষণের জন্য ঢাকাকে একটি হাব হিসেবে গড়ে তুলবে। উইলি বলেন, “আমরা একটি প্রমাণিত ব্রিটিশ কোম্পানি এবং বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে চাই।”

Related Articles

প্রবাসীবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে বেবিচক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা, অনিয়ম রোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের আহ্বান বিমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ ঢাকার কুর্মিটোলায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা)

আরও পড়ুন

নোয়াপাড়া নদীবন্দরে লাইটার জাহাজকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার প্রতিরোধে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অভিযান ও মোবাইল কোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ যশোরের নোয়াপাড়া নদীবন্দর এলাকায় লাইটার জাহাজসমূহকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার প্রতিরোধে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের গঠিত টাস্কফোর্স আজ (০৫ মার্চ ২০২৬) একটি অভিযান ও মোবাইল

আরও পড়ুন

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে শিক্ষা মন্ত্রীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬: মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভা আজ দুপুর ১২.০০ টায় অধিদপ্তরের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত

আরও পড়ুন

উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে ইউজিসিকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির মূল ভিত্তি হলো শিক্ষা।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman