Somoy News BD

১০ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , শনিবার
ব্রেকিং নিউজ

গণধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে তেজগাঁও থানা পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
গণধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির তেজগাঁও থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- ১। মো: হাসিব চৌধুরী (২৭) ও ২। আতিক হোসেন ভূইয়া (২৯)।

রাজধানীর বিমানবন্দর থানা এলাকা ও চট্টগ্রামের চান্দগাঁও এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের সময় তাদের হেফাজত থেকে মোবাইল ফোনে ধারণকৃত ধর্ষণের ভিডিও, পেনড্রাইভ, ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন (যার মধ্যে একাধিক নারীকে ধর্ষণের ভিডিও রয়েছে) এবং একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়।

তেজগাঁও থানা সূত্রে জানা যায়, এক মাস পূর্বে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে ভিকটিমের সাথে পরিচয় হয় হাসিব চৌধুরীর। পরিচয় থেকে তাদের সম্পর্ক গড়ায় বন্ধুত্বে। গত ৪ এপ্রিল ২০২৫ খ্রি. হাসিব তার ব্যবহৃত প্রাইভেটকারে করে ভিকটিমকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়। প্রাইভেটকারে তাদের সাথে হাসিবের বন্ধু আতিকও ছিলো। এরপর তারা বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করে রাত ৯:৩০ ঘটিকায় বাসার উদ্দেশে রওনা করে। পথিমধ্যে আসামিরা ভিকটিমকে জোরপূর্বক কোমল পানির সাথে মদ মিশিয়ে পান করায়, ফলে ভিকটিম কিছুটা অপ্রকৃতিস্থ হয়ে পড়ে। এরপর আসামিরা তাদের পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ভিকটিমকে পূর্ব থেকে ভাড়াকৃত তেজগাঁও থানাধীন শাহীনবাগ ইম্পেরিয়ান হোটেলের একটি কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে তারা ভিকটিমকে জোরপূর্বক আটকে রেখে সারারাত গণধর্ষণ করে এবং মোবাইল ফোনে গণধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে সকালে তারা ভিকটিমকে কুড়িল ফ্লাইওভারের নিচে ফেলে রেখে চলে যায়। এ ঘটনায় ভিকটিমের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তেজগাঁও থানায় গণধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়।

থানা সূত্রে আরো জানা যায়, মামলা রুজুর পর তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত অভিযুক্তদের অবস্থান সনাক্ত করতে সক্ষম হয় তেজগাঁও থানা পুলিশ। এরপর থানা পুলিশের চৌকস টিম ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে গত ৬ এপ্রিল ২০২৫ খ্রি. ভোর আনুমানিক ০৫.৩০ ঘটিকায় রাজধানীর বিমানবন্দর থানা এলাকা হতে আতিক হোসেন ভূইয়াকে ও গতকাল ৮ এপ্রিল ২০২৫ খ্রি. সকাল ০৮.৩০ ঘটিকায় চট্টগ্রামের চান্দগাঁও এলাকা হতে হাসিব চৌধুরীকে গ্রেফতার করে।

থানা সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারের পর তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করলে আদালত তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করে। তাদেরকে রিমান্ডে এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে আতিক হোসেন ভূইয়ার কাছ থেকে ধর্ষণের সময় তার মোবাইল ফোনে ধারণকৃত ধর্ষণের ভিডিও, পেনড্রাইভ, ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন (যার মধ্যে একাধিক নারীকে তার ধর্ষণের ভিডিও রয়েছে) উদ্ধার করা হয়। মূল আসামি হাসিব চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করলে সে দোষ স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

গ্রেফতারকৃতদের রিমান্ড শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Related Articles

নির্মাণাধীন স্থাপনা দখলের চেষ্টা, হামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ নুরুল হাসানের

নিজস্ব প্রতিবেদক: নির্মাণাধীন স্থাপনা জবরদখলের চেষ্টা, দফায় দফায় হামলা, মিথ্যা মামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মো. নুরুল হাসান। বৃহস্পতিবার (৮

আরও পড়ুন

বুটেক্স আইইটি এক্সপো উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা পানিসম্পদ মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‎বুটেক্স-আইটিইটি ডাই-কেম এক্সপো উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়া, শিল্প ও একাডেমিয়ার মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করা এবং পরবর্তী প্রজন্মের টেক্সটাইল পেশাজীবীদের অনুপ্রাণিত করার প্রত্যাশা করেছেন পানিসম্পদ

আরও পড়ুন

শিক্ষকদের জাতীয়করণ আজ হোক কাল হোক হবেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীদের জাতীয়করণের যৌক্তিক দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন,

আরও পড়ুন

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপুজা অনুষ্ঠিত হবে: ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ, বিপিএম সেবা বলেছেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ের প্রথম হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[২] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[৩][৪] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman