Somoy News BD

২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার
ব্রেকিং নিউজ

দূষণবিরোধী অভিযানে ৬৯৫ ইটভাটা বন্ধ, ২ লাখ ১৮ হাজার কেজি পলিথিন জব্দ এবং ২৫ কোটি ২৬ লাখ টাকার জরিমানা।

নিজস্ব প্রতিবেদক:
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে পরিবেশ অধিদপ্তর সারা দেশে দূষণ রোধে ধারাবাহিক মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেছে। ০২ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ২৯ মে ২০২৫ পর্যন্ত পরিবেশ অধিদপ্তর ৯৮৭টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানে ২ হাজার ৩৪৮টি মামলা করা হয়। মোট ২৫ কোটি ২৬ লাখ ৬ হাজার ৯০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহন, অবৈধ ইটভাটা, বায়ু ও শব্দ দূষণকারী স্টিল মিল, ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য, সীসা/ব্যাটারি রিসাইক্লিং কারখানা, টায়ার পাইরোলাইসিস, চারকোল কারখানা এবং খোলা অবস্থায় নির্মাণ সামগ্রী রেখে বায়ুদূষণকারী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

এই সময়ে ৪৭৯টি ইটভাটার চিমনি ভেঙে সম্পূর্ণ কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। ২১৬টি ইটভাটাকে বন্ধ করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। ১৩২টি ইটভাটার কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়। ১৫টি পরিবেশ দূষণকারী প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ ও সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। ২ জনকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। ৬টি কারখানার সীসা/ব্যাটারি গলানোর ৮টি ট্রাক যন্ত্রপাতি জব্দ করে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া গত ০৩ নভেম্বর ২০২৪ হতে আজ পর্যন্ত নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন, বিক্রয়, সরবরাহ ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে সারা দেশে ৪১৫টি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৭৮৬টি প্রতিষ্ঠানকে ৬২ লাখ ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা করা হয়। প্রায় ২ লাখ ১৭ হাজার ৯০৫ কেজি নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন জব্দ করা হয়।

আজ ২৯ মে ২০২৫ তারিখে সাভারে একটি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে ৩টি মামলায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। প্রায় ৭০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় বিভিন্ন সুপারশপ ও দোকান মালিকসহ সাধারণ মানুষকে নিষিদ্ধ পলিথিন বিষয়ে সতর্ক করা হয়।

আজ শ্যামপুর-কদমতলীতে একটি ছাড়পত্রবিহীন প্রতিষ্ঠানের সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। ময়মনসিংহ জেলায় ২টি অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় এবং চিমনি ভেঙে ফেলা হয়। একই দিনে বান্দরবান জেলায় পাহাড় কাটার দায়ে ১টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত এই দূষণবিরোধী অভিযান চলমান থাকবে।

Related Articles

পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। আজ সকাল ১১টায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবি

আরও পড়ুন

তরুণ ছেলে-মেয়েদের চরিত্র গঠন ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মূল লক্ষ্য ও

আরও পড়ুন

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ বিকেল ৪টায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের

আরও পড়ুন

সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দীকের মৃত্যুতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শোক

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নীলফামারীর উপপরিচালক জনাব মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক ১৮জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

জিয়াউর রহমান (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬[] – ৩০ মে ১৯৮১) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরে ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সমর্থনে একটি বিবৃতি পাঠ করেন।[][] তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর    উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

sheikh mujibur rahman